রাজনীতি ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সরাইল থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়ার সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়েছেন। সম্প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে থানা ভবনে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দুর্গাপূজার মণ্ডপে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না পাওয়া এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে এমপির সঙ্গে ওসির এই বিরোধ দেখা দেয়। ঘটনার সময় সংসদ সদস্যকে উদ্দেশ করে ওসিকে বলতে শোনা যায় যে তিনি অতীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি দুর্গাপূজা পরিদর্শনের সময় নিরাপত্তা চেয়েও না পাওয়ায় এবং ওসির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে রাতে থানায় যান রুমিন ফারহানা। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তিনি ওসির কক্ষে অবস্থান করেন। সেখানে সংসদ সদস্যের সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি ওসির বিরুদ্ধে ত্রিশ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সরাসরি অভিযোগ তোলেন, যা তাৎক্ষণিকভাবে অস্বীকার করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
থানায় হট্টগোলের বিষয়ে ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, সংসদ সদস্য শত শত লোক নিয়ে এসে কার্যালয়ে অস্থিরতা তৈরি করেছিলেন এবং কিছু লোককে ভিত্তিহীন কথা বলার জন্য সঙ্গে এনেছিলেন। তিনি দাবি করেন, ইটভাটা থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয় কারণ হাওরের ইটভাটাগুলো পানির নিচে ডুবে আছে। তাছাড়া পুরো থানা এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে একজন এমপির জন্য আলাদা দল রাখা কঠিন ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে রুমিন ফারহানা জানান, ওসির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, মাটি কাটা ও ইটভাটা থেকে অবৈধভাবে টাকা আদায়ের বহু অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এলাকাটি দাঙ্গাপ্রবণ হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ সময়মতো পদক্ষেপ নেয় না এবং এসব বিষয় জানতে চাওয়ায় ওসি একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির সঙ্গে অত্যন্ত অপেশাদার আচরণ করেছেন।






































