স্বাস্থ্য ডেস্ক: ওজন কমানোর জন্য কঠোর ডায়েট করেও আশানুরূপ ফল না পাওয়ার পেছনে খাদ্যাভ্যাসের কিছু ভুল ও অনিয়ম জড়িত থাকে। অনেকেই ডায়েট করার পরেও ওজন কমাতে পারেন না কিংবা ডায়েট শেষ হওয়ার পর দ্রুত আগের ওজনে ফিরে যান। ভুল ডায়েট নির্বাচন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাবের কারণে কাঙ্ক্ষিত সুফল দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে নয়টি সাধারণ ভুল সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
খাবারের সময় অনিয়ম করা এবং দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা ওজন কমানোর কার্যকর উপায় নয় বরং এটি শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনেকেই মনে করেন খাবার কম খেলে দ্রুত ওজন কমে কিন্তু এতে পুষ্টির ঘাটতি ও অতিরিক্ত ক্ষুধার সৃষ্টি হয়। এছাড়া সপ্তাহের কদিন কঠোর নিয়ম মেনে বাকি দিনগুলোতে ফাস্টফুড বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া মোট ক্যালরি বাড়িয়ে দেয়। পুষ্টিকর খাবার হলেও অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে কিংবা শুধু বিদেশি ও দামি খাবারের পেছনে ছুটলে ওজন কমানোর লক্ষ্য ব্যাহত হতে পারে।
প্রত্যেক মানুষের শারীরিক গঠন, বিপাকীয় চাহিদা এবং বয়স আলাদা হওয়ায় অন্যের ডায়েট তালিকা হুবহু অনুসরণ করা উচিত নয়। অনেকের মধ্যে লক্ষ্য পূরণের পর পুরোনো খাদ্যাভ্যাসে ফিরে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়, যার ফলে হারানো ওজন খুব দ্রুত আবার ফিরে আসে। পুষ্টিবিদ আয়শা আনিকা নাজনীনের মতে, অল্প সময়ে অতিরিক্ত ফল পাওয়ার আশা না করে বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করা উচিত। সুষম খাদ্যাভ্যাস ও পরিমিত জীবনযাপন বজায় রাখতে প্রয়োজনে পেশাদার পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
ওজন বৃদ্ধি যেমন একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া, তেমনি স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তা কমাতে হলে যথেষ্ট সময় ও ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। মানসিক চাপ এবং নেতিবাচক মনোভাব অনেক সময় ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় যা সরাসরি ওজন নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়াকে কঠিন করে তোলে। তাই দ্রুত ওজন কমানোর মোহে না ছুটে সুষম জীবনযাপন এবং সুশৃঙ্খল খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।






































