চাকরি ডেস্ক: সরকারি কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে কার্যকর করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অন্যান্য ভাতা নির্ধারণের পদ্ধতি স্পষ্ট করেছে সরকার। অর্থ বিভাগের প্রবিধি শাখা থেকে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রজ্ঞাপনে এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। নতুন এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে, পরবর্তী কোনো আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত সব ভাতা ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত মূল বেতনের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত ও পরিশোধিত হবে।
এর ফলে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মীরা আগের বেতন কাঠামো অনুযায়ী যে মূল বেতন পেতেন, তার মাধ্যমেই তাদের বর্তমান ভাতার হার নির্ধারিত হবে। সরকার এর আগে গত ৩১ আগস্ট সর্বনিম্ন গ্রেডে ১৪২ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ গ্রেডে ১০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করে নবম জাতীয় বেতন কাঠামো অনুমোদন করেছিল। এই অনুমোদনের মাধ্যমে ২০তম গ্রেডের মূল বেতন বৃদ্ধি পেয়ে ২০ হাজার টাকায় এবং নবম গ্রেডের মূল বেতন বৃদ্ধি পেয়ে ৪৪ হাজার টাকায় উন্নীত হয়।
বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা পদে যোগদানকারী ব্যক্তিরা নবম গ্রেডে বেতন পেয়ে থাকেন। অন্যদিকে, সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা প্রথম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত এবং তাদের নির্ধারিত মূল বেতন বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকায় পৌঁছায়। মূল বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধাও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
অর্থ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন এই বেতন কাঠামোটি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে মূল বেতনের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ভাতা পুরোপুরি কার্যকর করা হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। ওই সময় থেকেই সরকারি চাকুরেরা নতুন কাঠামো অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা প্রাপ্ত হবেন।







































