রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন বিএনপি সমর্থित প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। গত ২৯ অক্টোবর রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন। এর আগে নির্দিষ্ট দিনে সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মাঠে নিয়োজিত ছিলেন। দায়িত্ব পালনকারী দলের মধ্যে একুশ প্লাটুন বিজিবি, দুই হাজার দুই শতাধিক পুলিশ এবং প্রায় আড়াই হাজার আনসার সদস্য অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি নির্বাচনী অনিয়ম রোধে অনুসন্ধান কমিটি, বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য কয়েকজন বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ দেশি ও স্থানীয় প্রায় দুই শতাধিক পর্যবেক্ষক উপস্থিত থাকার কথা ছিল।
এই উপনির্বাচনে মোট পাঁচজন রাজনৈতিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এবং জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে লড়াই করেন। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আবদুল আলীম নিজামী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রার্থীরা নিজ নিজ পক্ষে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালান।
উল্লিখিত এই নির্বাচনী এলাকায় মোট ভোটার সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ ১৬ হাজারেরও বেশি। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ সাতান্ন হাজারের অধিক এবং নারী ভোটার ছিল দুই লাখ আটান্ন হাজারের কাছাকাছি। পাশাপাশি এই আসনে চারজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারও তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখান থেকে বিজয়ী সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ায় আসনটি শূন্য হয়েছিল।





































