ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

বরিশালের ‘ভুয়া চিকিৎসক’ ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

অপরাধ ডেস্ক: বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে অভিযান চালিয়ে একজন ভুয়া নারী চিকিৎসক ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী হাকিম আসমা উল হুসনা। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এবং তাদের সহায়তায় এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানে স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় থানা পুলিশের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানে মেসার্স আন্নি ফার্মেসির মালিক তাসলিমা আক্তার আন্নিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কোনো ধরনের চিকিৎসাবিষয়ক ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে মা ও শিশু রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। এনএসআই কর্মকর্তাদের ছদ্মবেশে রোগী সেজে সেবা নেওয়ার মাধ্যমে এই প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এছাড়া তার ফার্মেসিতে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও জব্দ করা হয়।

ভবিষ্যতে এমন বেআইনি কাজ আর করবেন না মর্মে ওই নারীর কাছ থেকে একটি মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। পরে আদালত একই এলাকার পল্লবী ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে। কোনো ধরনের বৈধ সনদ এবং উপযুক্ত প্যাথলজিস্ট ছাড়াই সেখানে নিয়মিত রোগ নির্ণয় ও পরীক্ষা করা হতো। এমনকি পরীক্ষাগারটির ভেতরের পরিবেশ ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাও সন্তোষজনক ছিল না।

এই অপরাধের দায়ে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার সাব্বির সরদারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে প্রতারণা রোধ করতে উপজেলা প্রশাসন এই ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাসেবার নামে অনিয়ম ও প্রতারণা বন্ধে এই অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।

জনপ্রিয়

উখিয়ায় গ্যাসের আগুন জোর করে নেভানোর চেষ্টা বিপজ্জনক হতে পারে: বাপেক্স

বরিশালের ‘ভুয়া চিকিৎসক’ ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

প্রকাশিত ০১:০৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে অভিযান চালিয়ে একজন ভুয়া নারী চিকিৎসক ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী হাকিম আসমা উল হুসনা। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এবং তাদের সহায়তায় এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানে স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় থানা পুলিশের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানে মেসার্স আন্নি ফার্মেসির মালিক তাসলিমা আক্তার আন্নিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কোনো ধরনের চিকিৎসাবিষয়ক ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে মা ও শিশু রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। এনএসআই কর্মকর্তাদের ছদ্মবেশে রোগী সেজে সেবা নেওয়ার মাধ্যমে এই প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এছাড়া তার ফার্মেসিতে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও জব্দ করা হয়।

ভবিষ্যতে এমন বেআইনি কাজ আর করবেন না মর্মে ওই নারীর কাছ থেকে একটি মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। পরে আদালত একই এলাকার পল্লবী ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে। কোনো ধরনের বৈধ সনদ এবং উপযুক্ত প্যাথলজিস্ট ছাড়াই সেখানে নিয়মিত রোগ নির্ণয় ও পরীক্ষা করা হতো। এমনকি পরীক্ষাগারটির ভেতরের পরিবেশ ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাও সন্তোষজনক ছিল না।

এই অপরাধের দায়ে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার সাব্বির সরদারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে প্রতারণা রোধ করতে উপজেলা প্রশাসন এই ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাসেবার নামে অনিয়ম ও প্রতারণা বন্ধে এই অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।