ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

এলডিসি থেকে উত্তরণ পিছিয়ে যাওয়া: রাজনৈতিক সংকটে গতিহীন অর্থনীতি

অর্থনীতি ডেস্ক: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ প্রক্রিয়া তিন বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের নিজস্ব আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের নভেম্বরের পরিবর্তে আগামী ২০২৯ সালের নভেম্বরে এই উত্তরণ ঘটার কথা রয়েছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক গতিহীনতার কারণে নির্ধারিত সময়ে এই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়নি।

দেশের বিভিন্ন মহলের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থার কারণেই এই অতিরিক্ত সময় চাওয়া হয়েছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে বিগত কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতন এবং পরবর্তী রাজনৈতিক অচলাবস্থা অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও মব সহিংসতার মতো ঘটনায় জনজীবনে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পূর্ববর্তী সরকারের দীর্ঘমেয়াদী ভুল নীতি এবং গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের সংস্কৃতিই আজকের এই অর্থনৈতিক সংকটের মূল ভিত্তি তৈরি করেছিল। বর্তমান রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় থাকায় অর্থনীতি কাঙ্ক্ষিত গতি ফিরে পাচ্ছে না। বিগত শাসনামলে গড়ে ওঠা অবৈধ সম্পদ ও ক্ষমতার হাতবদলের প্রক্রিয়াও অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সার্বিক এই পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কাটানো এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হলে এই সংকট আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই অর্থনীতিকে সচল করতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

এই ৫ কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ এনভিডিয়ার হাতে

এলডিসি থেকে উত্তরণ পিছিয়ে যাওয়া: রাজনৈতিক সংকটে গতিহীন অর্থনীতি

প্রকাশিত ০৮:৩৭:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ প্রক্রিয়া তিন বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের নিজস্ব আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের নভেম্বরের পরিবর্তে আগামী ২০২৯ সালের নভেম্বরে এই উত্তরণ ঘটার কথা রয়েছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক গতিহীনতার কারণে নির্ধারিত সময়ে এই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়নি।

দেশের বিভিন্ন মহলের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থার কারণেই এই অতিরিক্ত সময় চাওয়া হয়েছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে বিগত কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতন এবং পরবর্তী রাজনৈতিক অচলাবস্থা অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও মব সহিংসতার মতো ঘটনায় জনজীবনে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পূর্ববর্তী সরকারের দীর্ঘমেয়াদী ভুল নীতি এবং গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের সংস্কৃতিই আজকের এই অর্থনৈতিক সংকটের মূল ভিত্তি তৈরি করেছিল। বর্তমান রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় থাকায় অর্থনীতি কাঙ্ক্ষিত গতি ফিরে পাচ্ছে না। বিগত শাসনামলে গড়ে ওঠা অবৈধ সম্পদ ও ক্ষমতার হাতবদলের প্রক্রিয়াও অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সার্বিক এই পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কাটানো এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হলে এই সংকট আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই অর্থনীতিকে সচল করতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।