ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

অক্টোবরে রেমিটেন্স বেড়েছে ১২ শতাংশ

অর্থনীতি ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ঊর্ধ্বমুখী ধারা গত অক্টোবর মাসেও অব্যাহত ছিল। সদ্য শেষ হওয়া অক্টোবর মাসে প্রবাসীরা মোট ২৮৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই অংক গত বছরের একই মাসের তুলনায় ১২ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। এছাড়া আগের মাস সেপ্টেম্বরের তুলনায় এই প্রবাহ প্রায় চার শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সৌদি আরবে চলমান বিভিন্ন অস্থিরতা ও সংঘাতের মধ্যেও এই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। দেশটিতে সম্প্রতি বেশ কিছু হামলার ঘটনা ঘটলেও এবং নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হলেও রেমিটেন্স প্রবাহ কমেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, হামলার কারণে আতঙ্ক থাকলেও শেষ পর্যন্ত রেমিটেন্সের ভালো প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা মনে করছেন, এই সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে ভবিষ্যতে জনশক্তি রপ্তানি ও প্রবাসী আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে অক্টোবর সময়কালে মোট ১ হাজার ১৪৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই হিসাব গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতিতে প্রধান সূচকগুলোর মধ্যে রেমিটেন্স সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে এবং এটি দেশের রিজার্ভ বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, গত ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বিপিএম-৬ মানদণ্ডে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলারে। বর্তমান এই রিজার্ভ দিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ রিজার্ভ থাকা প্রয়োজন।

জনপ্রিয়

‘জ্ঞানেশ জেলে যাবেন, মোদী-শাহ পালাতে পারবেন না’, দিল্লির সমাবেশে রাহুল

অক্টোবরে রেমিটেন্স বেড়েছে ১২ শতাংশ

প্রকাশিত ০৮:৫২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ঊর্ধ্বমুখী ধারা গত অক্টোবর মাসেও অব্যাহত ছিল। সদ্য শেষ হওয়া অক্টোবর মাসে প্রবাসীরা মোট ২৮৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই অংক গত বছরের একই মাসের তুলনায় ১২ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। এছাড়া আগের মাস সেপ্টেম্বরের তুলনায় এই প্রবাহ প্রায় চার শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সৌদি আরবে চলমান বিভিন্ন অস্থিরতা ও সংঘাতের মধ্যেও এই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। দেশটিতে সম্প্রতি বেশ কিছু হামলার ঘটনা ঘটলেও এবং নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হলেও রেমিটেন্স প্রবাহ কমেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, হামলার কারণে আতঙ্ক থাকলেও শেষ পর্যন্ত রেমিটেন্সের ভালো প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা মনে করছেন, এই সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে ভবিষ্যতে জনশক্তি রপ্তানি ও প্রবাসী আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে অক্টোবর সময়কালে মোট ১ হাজার ১৪৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই হিসাব গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি। বর্তমান সংকটাপন্ন অর্থনীতিতে প্রধান সূচকগুলোর মধ্যে রেমিটেন্স সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে এবং এটি দেশের রিজার্ভ বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, গত ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বিপিএম-৬ মানদণ্ডে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলারে। বর্তমান এই রিজার্ভ দিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ রিজার্ভ থাকা প্রয়োজন।