আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে এবং ভোটারদের রায়ের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচনের ফল তিনটি সম্ভাব্য রূপ নিতে পারে। নির্বাচনী প্রচার ও বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করার পর আয়োজিত এই নির্বাচনে সর্বশেষ জনমত জরিপে ডেমোক্র্যাটদের সুবিধাজনক অবস্থানে থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। তবে অতীতে মার্কিন নির্বাচনে জরিপ সবসময় পুরোপুরি নির্ভুল প্রমাণিত হয়নি, যা এবারের ফলাফলের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রথম দৃশ্যপটে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে একটি বড় নির্বাচনী জোয়ার তৈরি হতে পারে, যার মাধ্যমে তারা প্রতিনিধি পরিষদে প্রয়োজনীয় আসন সংখ্যা সহজে ছাড়িয়ে সেনেটের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের হাতে নিতে পারে। ঐতিহাসিক মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতার বাইরে থাকা বিরোধী দলের বাড়তি সুবিধা পাওয়ার প্রবণতা এবং বর্তমান প্রশাসনের কিছু বিতর্কিত পদক্ষেপ এই সমীকরণের পেছনে কাজ করছে। তরুণ ও হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থনে পরিবর্তন আসলে ডেমোক্র্যাটরা রক্ষণশীল ঘাঁটিগুলোতেও চমক দেখাতে পারে।
দ্বিতীয় দৃশ্যপটে জরিপ পুরোপুরি ভুল বা সঠিক না হয়ে ডেমোক্র্যাটদের একটি নামমাত্র জয় এনে দিতে পারে, যেখানে প্রতিনিধি পরিষদে খুব কম ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা মিলবে। এর ফলে নিম্নকক্ষে আইন পাস করতে ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বকে দলের ভেতরের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে দরকষাকষি করতে হবে এবং সেনেটে কেবল এক বা দুটি আসন বাড়াতে পারবে। এই ফলাফল দেশে রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও একটি বিভক্ত কংগ্রেসের পথ তৈরি করবে।
তৃতীয় দৃশ্যপটে সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে পারে, যা প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জন্য বড় সুবিধা বয়ে আনবে। এই পরিস্থিতি তৈরি হতে হলে জরিপ ভুল প্রমাণিত হতে হবে এবং লড়াই হওয়া আসনগুলোর বেশিরভাগই রিপাবলিকানদের পক্ষে যেতে হবে। এমনটি ঘটলে তারা নিজস্ব নীতি আরও আগ্রাসীভাবে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে।


































