খেলা ডেস্ক: মাঠে এক মারাত্মক ফাউল করার ঘটনার জেরে ইকুয়েটোরিয়াল গিনির জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েছেন গোলরক্ষক হেসুস ওউনো। স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগে তেনেরিফে ও আন্দররার মধ্যকার একটি ম্যাচে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা হেসুস দে মিগেলের বুকে আঘাত করেন তিনি। এই ঘটনার পরদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ত্রিশ বছর বয়সি খেলোয়াড় দে মিগেল মারা যান।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার পর ওউনোর ব্যক্তিগত জীবন ও ফুটবল ক্যারিয়ারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ২০১৯ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া এই তরুণ গোলরক্ষক দ্রুতই দলের প্রধান পছন্দ হয়ে ওঠেন এবং আফ্রিকান নেশন্স কাপের শেষ তিনটি আসরে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। ২০২৭ আসরের বাছাইপর্বের প্রথম দুই ম্যাচেও দলের গোলপোস্ট সামলেছিলেন তিনি, তবে আসন্ন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের স্কোয়াডে তাকে রাখা হয়নি।
মাঠের ওই ঘটনার পর থেকেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন ২৫ বছর বয়সি গোলরক্ষক ওউনো। দে মিগেলের মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করা হয় এবং অনেকেই তাকে ‘খুনি’ বলে মন্তব্য করেন। প্রচণ্ড অনলাইন গালিগালাজ ও হেনস্তার শিকার হয়ে তিনি তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় করতে বাধ্য হন।
পরিস্থিতি নিয়ে পরবর্তীতে এক বিবৃতির মাধ্যমে নিজের গভীর শোক ও কষ্টের কথা প্রকাশ করেন এই ফুটবলার। তিনি জানান যে তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় কাটছে এবং ঘটে যাওয়া ঘটনাটি মেনে নেওয়া তার জন্য অত্যন্ত কষ্টকর। সবকিছুর সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে মোকাবিলা করার কথা জানিয়ে তিনি মৃত হেসুস দে মিগেলের আত্মার শান্তি কামনা করেন।





































