ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

আসছে ৬ শৈত্যপ্রবাহ

কৃষি ও পরিবেশ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসের শীত মৌসুমে দেশে চার থেকে ছয়টি মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে বৈশ্বিক উষ্ণতা ও এল নিনোর প্রভাবে সামগ্রিকভাবে এ সময় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে। ফলে এবারের শীত মৌসুমে তাপমাত্রা কিছুটা বেশি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসে উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় এক থেকে দুটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহের দেখা মিলতে পারে। পরবর্তীতে জানুয়ারিতে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি এক বা দুটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, এই সময়ে রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে এলেও সার্বিক গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ওপরেই থাকবে।

শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি এই তিন মাসে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে এক বা দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার শঙ্কাও রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এই সময়ে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি সামুদ্রিক লঘুচাপের মতো স্বাভাবিক প্রক্রিয়াগুলো বজায় থাকবে। তবে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকায় নিয়মিত আবহাওয়ার আপডেট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মৃদু থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সুনির্দিষ্ট পরিমাপ সম্পর্কে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, তাপমাত্রা আট থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে মাঝারি এবং চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নামলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে গণ্য করা হয়। বৈশ্বিক জলবায়ু মডেল ও দীর্ঘকালীন উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এই পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

আসছে ৬ শৈত্যপ্রবাহ

আসছে ৬ শৈত্যপ্রবাহ

প্রকাশিত ০২:৫২:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

কৃষি ও পরিবেশ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসের শীত মৌসুমে দেশে চার থেকে ছয়টি মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে বৈশ্বিক উষ্ণতা ও এল নিনোর প্রভাবে সামগ্রিকভাবে এ সময় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে। ফলে এবারের শীত মৌসুমে তাপমাত্রা কিছুটা বেশি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসে উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় এক থেকে দুটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহের দেখা মিলতে পারে। পরবর্তীতে জানুয়ারিতে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি এক বা দুটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, এই সময়ে রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে এলেও সার্বিক গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ওপরেই থাকবে।

শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি এই তিন মাসে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে এক বা দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার শঙ্কাও রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এই সময়ে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি সামুদ্রিক লঘুচাপের মতো স্বাভাবিক প্রক্রিয়াগুলো বজায় থাকবে। তবে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকায় নিয়মিত আবহাওয়ার আপডেট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মৃদু থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সুনির্দিষ্ট পরিমাপ সম্পর্কে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, তাপমাত্রা আট থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে মাঝারি এবং চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নামলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে গণ্য করা হয়। বৈশ্বিক জলবায়ু মডেল ও দীর্ঘকালীন উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এই পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে।