ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যুক্তরাজ্যের এইচপিআই ভিসা তালিকা প্রকাশ, নেই বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় Logo আসছে ৬ শৈত্যপ্রবাহ Logo সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ায় ডিআরইউর উদ্বেগ Logo চীনের বিপক্ষে হেরে ষষ্ঠ হলো বাংলাদেশ Logo লিহাই গোর্জ-এর রঙিন শরৎ Logo রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ে নজরুলবর্ষের অনুষ্ঠানের পুরস্কার বিতরণ Logo সুন্দরবনে বনদস্যু আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে কয়রায় মানববন্ধন Logo শ্রমিক আন্দোলনে পাশের দেশ থেকে ‘মাফিয়ারা’ অপচেষ্টা চালাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo গাবতলী-দাশেরকান্দি মেট্রোরেলের অর্থায়ন নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা Logo এই আন্দোলন শ্রমিকদের নয়, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে

আসছে ৬ শৈত্যপ্রবাহ

জাতীয় ডেস্ক: চলতি শীত মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সময় দেশের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। এ ছাড়া এই সময়ে শীতের শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসের প্রকাশিত পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সময় তাপমাত্রা আট থেকে ১০ ডিগ্রি এবং মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের সময় ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। একই সঙ্গে আগামী তিন মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নভেম্বর মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরিতে আবহাওয়া উপাত্ত, জলবায়ু মডেল, এল-নিনো ও লা-নিনার অবস্থা এবং আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস পর্যালোচনা করা হয়েছে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে দেশের মাটির আর্দ্রতা পঁচিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে। এছাড়া ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে, যার ফলে তাপমাত্রা বেশি থাকলেও শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

এর আগে প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, বিগত অক্টোবর মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় আটষট্টি শতাংশ কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল। ওই মাসে বঙ্গোপসাগরে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছিল যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছিল। সার্বিক আবহাওয়া পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীতকালীন প্রস্তুতি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

জনপ্রিয়

যুক্তরাজ্যের এইচপিআই ভিসা তালিকা প্রকাশ, নেই বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়

আসছে ৬ শৈত্যপ্রবাহ

প্রকাশিত ১০:০৭:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: চলতি শীত মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সময় দেশের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। এ ছাড়া এই সময়ে শীতের শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসের প্রকাশিত পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সময় তাপমাত্রা আট থেকে ১০ ডিগ্রি এবং মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের সময় ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। একই সঙ্গে আগামী তিন মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নভেম্বর মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরিতে আবহাওয়া উপাত্ত, জলবায়ু মডেল, এল-নিনো ও লা-নিনার অবস্থা এবং আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস পর্যালোচনা করা হয়েছে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে দেশের মাটির আর্দ্রতা পঁচিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে। এছাড়া ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে, যার ফলে তাপমাত্রা বেশি থাকলেও শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

এর আগে প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, বিগত অক্টোবর মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় আটষট্টি শতাংশ কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল। ওই মাসে বঙ্গোপসাগরে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছিল যার মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছিল। সার্বিক আবহাওয়া পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীতকালীন প্রস্তুতি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।