ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সরকারের সাফল্যে দক্ষ, সৎ ও মানবিক প্রশাসন জরুরি: প্রধানমন্ত্রী Logo নতুন বছরে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাবে বই-ড্রেস-জুতা ও ব্যাগ Logo এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে জালিয়াতি প্রতিরোধে ইসলামী ব্যাংকে কর্মশালা Logo থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সহায়তায় রবি’র স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি Logo জেকে লাইফস্টাইলে নতুন তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিয়োগ Logo নেতানিয়াহুকে হঠাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোটের দাবিতে ইসরায়েলিদের বিক্ষোভ Logo বাইনোকুলারে দেখলাম ওঁৎ পেতে আছে বাংলাদেশিরা, ফাঁক পেলে ঢুকে পড়বে: শুভেন্দু অধিকারী Logo ‘১৩ হাজার এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী অবসর-কল্যাণের টাকা পাচ্ছেন’ Logo হ‌ুমায়ূন পড়লে বাংলা আর ভাষার প্রতি ভালোবাসা বেড়ে যায়: অনুপম রায় Logo দেশজুড়ে ৭০০ ডিলারের নেটওয়ার্ক পণ্যসম্ভারে যুক্ত হয়েছে ৪০০টির বেশি পণ্য

সরকারের সাফল্যে দক্ষ, সৎ ও মানবিক প্রশাসন জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: নাগরিক সেবা সহজ করার লক্ষ্যে প্রশাসনকে আরও মানবিক ও জনবান্ধব করে তোলার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি সাভারে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আয়োজিত নবীন বিসিএস কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান। সরকারের সামগ্রিক সফলতা অর্জনের জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্যে দক্ষতা, সততা এবং মানবিক মূল্যবোধ থাকার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী শীর্ষ কর্মকর্তাদের হাতে সনদ তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও কর্মময় জীবনের সাফল্য কামনা করেন সরকারপ্রধান।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা কর্মকর্তাদের প্রধান দায়িত্ব। তিনি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ করার পরামর্শ দেন। শুধু নিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, আবেদনপত্র সংশোধনের সুনির্দিষ্ট পথ বাতলে দেওয়ার মতো ছোটোখাটো আন্তরিকতাই আসল মানবিকতার পরিচয় বহন করে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও পেশাদারত্বের বিষয়ে তিনি বলেন, পছন্দমতো পদে পদায়ন পাওয়ার জন্য কখনো নিজেদের পেশাগত সততা বিসর্জন দেওয়া উচিত নয়। দেশের যেকোনো প্রান্তে এবং যেকোনো দপ্তরে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মানসিকতা থাকলেই কেবল চূড়ান্ত পেশাদারত্ব অর্জিত হয়। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারে, তবে তার প্রতিফলন যেন কেবল ব্যালট বাক্সে পড়ে এবং সরকারি অফিসে তার প্রভাব না পড়ে, সে বিষয়েও তিনি সতর্ক করেন।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এখন মূলত জনগণের রায়ে বাস্তবায়নাধীন একটি জাতীয় দলিলে পরিণত হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। জনকল্যাণমূলক এই এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নেই মূলত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা নিয়োজিত রয়েছেন বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। পাশাপাশি, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও সুন্দর দেশ গড়ে তুলতে নিজেদের ঘরবাড়ি এবং চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

জনপ্রিয়

সরকারের সাফল্যে দক্ষ, সৎ ও মানবিক প্রশাসন জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

সরকারের সাফল্যে দক্ষ, সৎ ও মানবিক প্রশাসন জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত ১০:২২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: নাগরিক সেবা সহজ করার লক্ষ্যে প্রশাসনকে আরও মানবিক ও জনবান্ধব করে তোলার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি সাভারে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আয়োজিত নবীন বিসিএস কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান। সরকারের সামগ্রিক সফলতা অর্জনের জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্যে দক্ষতা, সততা এবং মানবিক মূল্যবোধ থাকার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী শীর্ষ কর্মকর্তাদের হাতে সনদ তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও কর্মময় জীবনের সাফল্য কামনা করেন সরকারপ্রধান।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা কর্মকর্তাদের প্রধান দায়িত্ব। তিনি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ করার পরামর্শ দেন। শুধু নিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, আবেদনপত্র সংশোধনের সুনির্দিষ্ট পথ বাতলে দেওয়ার মতো ছোটোখাটো আন্তরিকতাই আসল মানবিকতার পরিচয় বহন করে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও পেশাদারত্বের বিষয়ে তিনি বলেন, পছন্দমতো পদে পদায়ন পাওয়ার জন্য কখনো নিজেদের পেশাগত সততা বিসর্জন দেওয়া উচিত নয়। দেশের যেকোনো প্রান্তে এবং যেকোনো দপ্তরে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মানসিকতা থাকলেই কেবল চূড়ান্ত পেশাদারত্ব অর্জিত হয়। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারে, তবে তার প্রতিফলন যেন কেবল ব্যালট বাক্সে পড়ে এবং সরকারি অফিসে তার প্রভাব না পড়ে, সে বিষয়েও তিনি সতর্ক করেন।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এখন মূলত জনগণের রায়ে বাস্তবায়নাধীন একটি জাতীয় দলিলে পরিণত হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। জনকল্যাণমূলক এই এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নেই মূলত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা নিয়োজিত রয়েছেন বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। পাশাপাশি, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও সুন্দর দেশ গড়ে তুলতে নিজেদের ঘরবাড়ি এবং চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।