ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আদালতে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা: কেরানীগঞ্জে কেন্দ্র পরিদর্শন Logo ‘নিরাপদ এক্সিট’ নিশ্চিত হতেই পদত্যাগ! বঙ্গভবন ছাড়ছেন সাহাবুদ্দিন, গন্তব্য বিদেশ? Logo পাখিদের নিরাপদ অভয়ারণ্য গড়তে কুবি ছাত্রদলের ‘বাঁশের খাদ্যাধার’ স্থাপন Logo পিআইবি কর্তৃক বাকৃবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু Logo জুলাই শহীদদের স্মরণে কুবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের দোয়া ও ইসলাহী ইজতেমা Logo সমসাময়িক জনসংখ্যা ইস্যু, টেকসই উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে জাককানইবিতে সেমিনার Logo পাবিপ্রবিতে ২০২৫-২৬ বর্ষের নবীনবরণ আগামীকাল Logo টুঙ্গিপাড়ায় প্রতিবার ব্যালটে সিল মেরে নির্বাচিত হয়েছে শেখ হাসিনা: এস এম জিলানী Logo দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাসে আন্দোলন প্রত্যাহার ‘ককরোচ’দের

কুয়েটের দোষীদের শাস্তির দাবিতে ইবিতে ছাত্র ইউনিয়নের মশাল মিছিল

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ০৯:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ১৩২ বার পঠিত

কুয়েটে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর সন্ত্রাসী হামলায় দোষীদের বিচারের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে ছাত্র ইউনিয়ন ইবি সংসদ।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেইন গেটে সমাবেশ করে।

এ সময় তারা, ‘কুয়েটে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’ ‘টেম্পু স্টান্ডের আস্তানা,ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘আমার ভাই আহত কেন,প্রশাসন জবাব চাই’ ‘সন্ত্রাসীদের আস্তানা,ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘চাঁদবাজদের আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও, ‘টেম্পু স্টান্ড না কলম, কলম কলম’ ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’ ‘আমরা আছি থাকবো, যুগে যুগে লড়বো’ ‘জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন’ ‘শান্তি -প্রগতি, ঐক্য- শিক্ষা’ ‘শিক্ষা সন্ত্রাস, একসাথে চলে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্র ইউনিয়ন ইবি সংসদের সভাপতি মাহমুদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম, সহ-সভাপতি সাদিয়া মাহমুদ মিমসহ সংগঠনের ত্রিশোর্ধ নেতাকর্মী।

সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম বলেন, কুয়েটে সন্ত্রাসীদের হামলায় আমার ভাইয়েরা আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে পড়ে আছে। ক্যাম্পাসে মহিলা কতসহ সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র হামলা প্রমাণ করে ২৪ এর ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থানের পরেও আমরা স্বাধীনতা পায়নি। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই এই সন্ত্রাসী হামলা যারা পরিচালনা করেছে এবং যারা মদদ দিয়েছে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচার করতে হবে।

সভাপতির মাহমুদুল হাসান বলেন, বিভিন্ন নিউজে আমরা দেখেছি আমাদের ভাইদের উপরে যে হামলা হয়েছে তার ছাত্রদলের, যুবদলের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে ‌। আমরা পূর্বেও বিভিন্ন সময়ে ছাত্রশিবির, ছাত্রদলের হাতে ক্যাম্পাসে অস্ত্রের ঝনঝনানি দেখেছি। এছাড়াও ছাত্রলীগ বিগত ১৬ বছরে ছাত্ররা যেটির নাম নিয়ে ছাত্র রাজনীতিকে যেভাবে কলুষিত করেছে এর দায়ভার কোন ভাবে এড়াতে পারে না। এদের দাড়ায় অপরাজনীতি ও অস্ত্রের রাজনীতি ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে। আমরা চাই না এই অস্ত্রের রাজনীতির কারণে কুয়েটের মত আর কোন ক্যাম্পাস বন্ধ হোক। অবশেষে কুয়েটে হামলার দোষীদের তদন্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করছি।

জনপ্রিয়

আদালতে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কুয়েটের দোষীদের শাস্তির দাবিতে ইবিতে ছাত্র ইউনিয়নের মশাল মিছিল

প্রকাশিত ০৯:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কুয়েটে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর সন্ত্রাসী হামলায় দোষীদের বিচারের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে ছাত্র ইউনিয়ন ইবি সংসদ।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেইন গেটে সমাবেশ করে।

এ সময় তারা, ‘কুয়েটে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’ ‘টেম্পু স্টান্ডের আস্তানা,ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘আমার ভাই আহত কেন,প্রশাসন জবাব চাই’ ‘সন্ত্রাসীদের আস্তানা,ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘চাঁদবাজদের আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও, ‘টেম্পু স্টান্ড না কলম, কলম কলম’ ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’ ‘আমরা আছি থাকবো, যুগে যুগে লড়বো’ ‘জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন’ ‘শান্তি -প্রগতি, ঐক্য- শিক্ষা’ ‘শিক্ষা সন্ত্রাস, একসাথে চলে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্র ইউনিয়ন ইবি সংসদের সভাপতি মাহমুদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম, সহ-সভাপতি সাদিয়া মাহমুদ মিমসহ সংগঠনের ত্রিশোর্ধ নেতাকর্মী।

সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম বলেন, কুয়েটে সন্ত্রাসীদের হামলায় আমার ভাইয়েরা আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে পড়ে আছে। ক্যাম্পাসে মহিলা কতসহ সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র হামলা প্রমাণ করে ২৪ এর ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থানের পরেও আমরা স্বাধীনতা পায়নি। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই এই সন্ত্রাসী হামলা যারা পরিচালনা করেছে এবং যারা মদদ দিয়েছে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচার করতে হবে।

সভাপতির মাহমুদুল হাসান বলেন, বিভিন্ন নিউজে আমরা দেখেছি আমাদের ভাইদের উপরে যে হামলা হয়েছে তার ছাত্রদলের, যুবদলের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে ‌। আমরা পূর্বেও বিভিন্ন সময়ে ছাত্রশিবির, ছাত্রদলের হাতে ক্যাম্পাসে অস্ত্রের ঝনঝনানি দেখেছি। এছাড়াও ছাত্রলীগ বিগত ১৬ বছরে ছাত্ররা যেটির নাম নিয়ে ছাত্র রাজনীতিকে যেভাবে কলুষিত করেছে এর দায়ভার কোন ভাবে এড়াতে পারে না। এদের দাড়ায় অপরাজনীতি ও অস্ত্রের রাজনীতি ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে। আমরা চাই না এই অস্ত্রের রাজনীতির কারণে কুয়েটের মত আর কোন ক্যাম্পাস বন্ধ হোক। অবশেষে কুয়েটে হামলার দোষীদের তদন্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করছি।