ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে  Logo ৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণে মিললো সমাধান, ববি শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার Logo জাবিতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রকল্যাণ সংঘের সভাপতি হাসান, সম্পাদক কাফী Logo কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি Logo রাবিতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার মনোজ কুমার Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’

যোগ্যতা ছাড়াই নিয়োগ, যবিপ্রবি অধ্যাপক ড. ইকবালের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ০৮:২৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • ৮৮ বার পঠিত

যোগ্যতা ছাড়াই সহকারী অধ্যাপক পদে অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়ায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) অধ্যাপক ড. ইকবাল কবির জাহিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই উপাচার্যসহ চার জনের নামে মামলা হয়।

সোমবার (৩ মার্চ) দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দুদকের মামলায় ১নং আসামি ড. ইকবাল কবির জাহিদ ও ২, ৩ ও ৪ নং আসামিরা হলেন যবিপ্রবির সাবেক দুই উপাচার্য অধ্যাপক ড আব্দুস সাত্তার ও অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোছাঃ ফেরদৌসী বেগম।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৯ সালে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি নিয়োগ নীতিমালা ও ইউজিসির নির্দেশনা সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘনপূর্বক অধ্যাপক ড. মোঃ ইকবাল কবীর জাহিদকে অবৈধভাবে সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ প্রদান করে যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. ফেরদৌসী বেগম। বিজ্ঞপ্তির শর্তানুযায়ী প্রার্থী হিসেবে আবেদনের সময় ড. ইকবালের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা করার কোন বাস্তব অভিজ্ঞতা কিংবা তার কোন পিএইচডি ডিগ্রী ছিল না। অর্থাৎ ড. ইকবাল কবীর জাহিদ-এর সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ লাভের কোন যোগ্যতা ছিল না।

এছাড়া এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া ড. ইকবাল ২০০৯ সালের জুন মাস থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বেতন হিসেবে এক কোটি তের লক্ষ সাতাত্তর হাজার সাত শত উনানব্বই টাকা উত্তোলন করে সরকারি অর্থের ক্ষতিসাধন করেছেন। যা ১৯৪৭ সালের দূর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তি যোগ্য অপরাধ।

এ বিষয়ে দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, এই চারজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগের নানা অভিযোগ থাকায় মামলা করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

ফুটপাত ফিরে পেয়ে নগরজীবনে স্বস্তির ছোঁয়া, তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে 

যোগ্যতা ছাড়াই নিয়োগ, যবিপ্রবি অধ্যাপক ড. ইকবালের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রকাশিত ০৮:২৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

যোগ্যতা ছাড়াই সহকারী অধ্যাপক পদে অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়ায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) অধ্যাপক ড. ইকবাল কবির জাহিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই উপাচার্যসহ চার জনের নামে মামলা হয়।

সোমবার (৩ মার্চ) দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দুদকের মামলায় ১নং আসামি ড. ইকবাল কবির জাহিদ ও ২, ৩ ও ৪ নং আসামিরা হলেন যবিপ্রবির সাবেক দুই উপাচার্য অধ্যাপক ড আব্দুস সাত্তার ও অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোছাঃ ফেরদৌসী বেগম।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৯ সালে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি নিয়োগ নীতিমালা ও ইউজিসির নির্দেশনা সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘনপূর্বক অধ্যাপক ড. মোঃ ইকবাল কবীর জাহিদকে অবৈধভাবে সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ প্রদান করে যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. ফেরদৌসী বেগম। বিজ্ঞপ্তির শর্তানুযায়ী প্রার্থী হিসেবে আবেদনের সময় ড. ইকবালের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা করার কোন বাস্তব অভিজ্ঞতা কিংবা তার কোন পিএইচডি ডিগ্রী ছিল না। অর্থাৎ ড. ইকবাল কবীর জাহিদ-এর সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ লাভের কোন যোগ্যতা ছিল না।

এছাড়া এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অবৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া ড. ইকবাল ২০০৯ সালের জুন মাস থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বেতন হিসেবে এক কোটি তের লক্ষ সাতাত্তর হাজার সাত শত উনানব্বই টাকা উত্তোলন করে সরকারি অর্থের ক্ষতিসাধন করেছেন। যা ১৯৪৭ সালের দূর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তি যোগ্য অপরাধ।

এ বিষয়ে দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, এই চারজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগের নানা অভিযোগ থাকায় মামলা করা হয়েছে।