ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তিন দফা দাবি নিয়ে রাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ Logo বাকৃবিতে ২২ জন শিশু পেলো কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল ফাউন্ডেশন বৃত্তির সনদপত্র Logo বাকৃবিতে ব্র্যাক-এবিজি এআই মার্কেট সার্ভের সমাপনী ও সনদ বিতরণ Logo ৩ আগস্ট ববিতে আসছেন মুফতি ফয়জুল করীম Logo গোপালগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার Logo নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পুলিশ-ডিবি’ পরিচয়ে প্রতারণা Logo গোবিপ্রবিতে ছাত্র অধিকার পরিষদের আয়োজনে ‘জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত Logo সারাদেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করলো পুলিশ Logo জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা চালু রাখতে হবে: মাহমুদা মিতু Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

বাংলাদেশ অ্যাগ্রো কনক্লেভ ২০২৫-এ যবিপ্রবির এনএএমই ল্যাবের ন্যানো ইউরিয়া প্রদর্শনী

  • রায়হান আহমদ
  • প্রকাশিত ১০:১৫:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • ১৬১ বার পঠিত

টেকসই কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যানো-বায়ো প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন কৃষি বিষয়ক গবেষকরা। এরই অংশ হিসেবে ঢাকার আমারি হোটেলে অনুষ্ঠিত “বাংলাদেশ অ্যাগ্রো কনক্লেভ ২০২৫”-এ দেশ-বিদেশের কৃষিবিদ, নীতিনির্ধারক এবং শিল্পপ্রতিনিধিদের সামনে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ল্যাবরেটরি অফ ন্যানো-বায়ো অ্যান্ড অ্যাডভান্সড ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং (এনএএমই ল্যাব) তাদের উদ্ভাবিত ন্যানো-বায়ো সার ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করেছে।

২৫ মে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রদর্শনীর মূল অংশে এনএএমই ল্যাবের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান “ন্যানো-বায়ো ফার্টিলাইজার: টেকসই কৃষির ভবিষ্যৎ” শীর্ষক গবেষণা উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “ন্যানো-ইউরিয়া, ন্যানো-জিংক এবং ন্যানো-ভিটামিন সমৃদ্ধ সার মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা করে ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। এতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমে, যা পরিবেশের জন্য উপকারী।”

এ সময় সেখানে এনএএমই ল্যাবের উদ্ভাবিত বিভিন্ন ন্যানো পন্যও প্রদর্শন করা হয়। এনএএমই ল্যাবের স্টলে প্রদর্শিত হয়, ন্যানো-ইউরিয়া, ন্যানো-জিংক সমৃদ্ধ সার এবং ন্যানো-ক্যারিয়ার ভিত্তিক কীটনাশক।

এগ্রো কনক্লেভ আয়োজন নিয়ে গবেষক ও ন্যানো ইউরিয়ার উদ্ভাবক ড. খান জানান, “এ ধরনের আয়োজন শিল্পখাতের সঙ্গে গবেষণার সেতুবন্ধন তৈরি করে। আমাদের উদ্ভাবন কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জরুরি।”

লাইটক্যাসল পার্টনার্সের আয়োজনে এই সম্মেলনে আলোচনায় উঠে আসে,জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় স্মার্ট কৃষিপ্রযুক্তি। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে ন্যানো-বায়ো সার ও জৈব কৌশলের ভূমিকা সহ কৃষির বিভিন্ন দিক। এছাড়া বাংলাদেশ অ্যাগ্রো কনক্লেভ-এর মতো আয়োজন গবেষণা ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে কৃষির টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।

জনপ্রিয়

তিন দফা দাবি নিয়ে রাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

বাংলাদেশ অ্যাগ্রো কনক্লেভ ২০২৫-এ যবিপ্রবির এনএএমই ল্যাবের ন্যানো ইউরিয়া প্রদর্শনী

প্রকাশিত ১০:১৫:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

টেকসই কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যানো-বায়ো প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন কৃষি বিষয়ক গবেষকরা। এরই অংশ হিসেবে ঢাকার আমারি হোটেলে অনুষ্ঠিত “বাংলাদেশ অ্যাগ্রো কনক্লেভ ২০২৫”-এ দেশ-বিদেশের কৃষিবিদ, নীতিনির্ধারক এবং শিল্পপ্রতিনিধিদের সামনে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ল্যাবরেটরি অফ ন্যানো-বায়ো অ্যান্ড অ্যাডভান্সড ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং (এনএএমই ল্যাব) তাদের উদ্ভাবিত ন্যানো-বায়ো সার ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করেছে।

২৫ মে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রদর্শনীর মূল অংশে এনএএমই ল্যাবের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান “ন্যানো-বায়ো ফার্টিলাইজার: টেকসই কৃষির ভবিষ্যৎ” শীর্ষক গবেষণা উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “ন্যানো-ইউরিয়া, ন্যানো-জিংক এবং ন্যানো-ভিটামিন সমৃদ্ধ সার মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা করে ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। এতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমে, যা পরিবেশের জন্য উপকারী।”

এ সময় সেখানে এনএএমই ল্যাবের উদ্ভাবিত বিভিন্ন ন্যানো পন্যও প্রদর্শন করা হয়। এনএএমই ল্যাবের স্টলে প্রদর্শিত হয়, ন্যানো-ইউরিয়া, ন্যানো-জিংক সমৃদ্ধ সার এবং ন্যানো-ক্যারিয়ার ভিত্তিক কীটনাশক।

এগ্রো কনক্লেভ আয়োজন নিয়ে গবেষক ও ন্যানো ইউরিয়ার উদ্ভাবক ড. খান জানান, “এ ধরনের আয়োজন শিল্পখাতের সঙ্গে গবেষণার সেতুবন্ধন তৈরি করে। আমাদের উদ্ভাবন কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জরুরি।”

লাইটক্যাসল পার্টনার্সের আয়োজনে এই সম্মেলনে আলোচনায় উঠে আসে,জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় স্মার্ট কৃষিপ্রযুক্তি। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে ন্যানো-বায়ো সার ও জৈব কৌশলের ভূমিকা সহ কৃষির বিভিন্ন দিক। এছাড়া বাংলাদেশ অ্যাগ্রো কনক্লেভ-এর মতো আয়োজন গবেষণা ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে কৃষির টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।