ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ঘোষণায় সীমাবদ্ধ ‘জুলাই-২৪ স্কয়ার’, দুই বছরেও শুরু হয়নি কাজ Logo জুলাই স্মৃতি সংরক্ষণে নোবিপ্রবি শিবিরের ভিডিও কনটেস্ট আয়োজন Logo ফিড ব্যালেন্সিং ও পুষ্টি নিয়ে বাকৃবিতে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কর্মশালা Logo ফুটবল উন্মাদনায় দেশের বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে শাওমি স্মার্ট টিভি Logo এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াচ্ছে টিকটক Logo পাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে উল্লাস-শামীম Logo পাবিপ্রবিতে গবেষনায় জোর দিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বছরে ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকার প্রণোদনা Logo হাবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে ৪ দফা দাবি ছাত্রদলের Logo কুকুর ব্যবস্থাপনায় ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচি হাতে নিচ্ছে হাবিপ্রবি প্রশাসন Logo পরীক্ষা শুরুর পৌনে ২ ঘণ্টা পর জানা গেল প্রশ্ন গতবছরের!

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদের বিরুদ্ধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, আবিদুল ইসলাম খান শনিবার (২৩ আগস্ট) অমর একুশে হলের রিডিংরুমে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিচয় এবং কুশল বিনিময় করার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন।

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, হলের রিডিংরুমে বা পাঠকক্ষ ও শ্রেণিকক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

এই বিধি লঙ্ঘন হওয়ার পর শিক্ষার্থী শাহ জামাল প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, প্রার্থীর এমন কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও শঙ্কা সৃষ্টি করেছে।

শাহ জামাল অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, আবিদুল ইসলাম খান ২১ আগস্ট থেকে শুরু করে এই নির্বাচনী প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন এবং একাধিক নির্বাচনী নির্দেশনা উপেক্ষা করেছেন। এর ফলে ডাকসু নির্বাচনী আচরণবিধি ৪(খ) এবং ৪(ক) উভয়ই লঙ্ঘিত হয়েছে।

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘আমরা অভিযোগটি পর্যবেক্ষণ করছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দীনও নিশ্চিত করেছেন যে, লিখিত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে আবিদুল ইসলাম খান বলেন, তিনি কেবল রিডিংরুম দেখেছেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সীমিত কুশল বিনিময় করেছেন।

তিনি দাবি করেন, ‘তার কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের আওতায় পড়ে না এবং যারা অভিযোগ করেছে তারা রাজনৈতিকভাবে তাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ব্যর্থ হওয়ায় অপপ্রচার করছে।’

রেজিস্ট্রার ভবনে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য বন্ধ করে দেওয়া হবে: সাদিক কায়েম

 

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ‘যদি অভিযোগের বিষয়টি সত্য হয়, তবে এটি নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত পরিবেশে বাধা দেওয়া এবং ভোটারদের বিভ্রান্ত করা হলে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, যাতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।’

জনপ্রিয়

ঘোষণায় সীমাবদ্ধ ‘জুলাই-২৪ স্কয়ার’, দুই বছরেও শুরু হয়নি কাজ

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত ০৮:০০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, আবিদুল ইসলাম খান শনিবার (২৩ আগস্ট) অমর একুশে হলের রিডিংরুমে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিচয় এবং কুশল বিনিময় করার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন।

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, হলের রিডিংরুমে বা পাঠকক্ষ ও শ্রেণিকক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

এই বিধি লঙ্ঘন হওয়ার পর শিক্ষার্থী শাহ জামাল প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, প্রার্থীর এমন কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও শঙ্কা সৃষ্টি করেছে।

শাহ জামাল অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, আবিদুল ইসলাম খান ২১ আগস্ট থেকে শুরু করে এই নির্বাচনী প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন এবং একাধিক নির্বাচনী নির্দেশনা উপেক্ষা করেছেন। এর ফলে ডাকসু নির্বাচনী আচরণবিধি ৪(খ) এবং ৪(ক) উভয়ই লঙ্ঘিত হয়েছে।

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘আমরা অভিযোগটি পর্যবেক্ষণ করছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দীনও নিশ্চিত করেছেন যে, লিখিত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে আবিদুল ইসলাম খান বলেন, তিনি কেবল রিডিংরুম দেখেছেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সীমিত কুশল বিনিময় করেছেন।

তিনি দাবি করেন, ‘তার কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের আওতায় পড়ে না এবং যারা অভিযোগ করেছে তারা রাজনৈতিকভাবে তাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ব্যর্থ হওয়ায় অপপ্রচার করছে।’

রেজিস্ট্রার ভবনে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য বন্ধ করে দেওয়া হবে: সাদিক কায়েম

 

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ‘যদি অভিযোগের বিষয়টি সত্য হয়, তবে এটি নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত পরিবেশে বাধা দেওয়া এবং ভোটারদের বিভ্রান্ত করা হলে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, যাতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।’