ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’ Logo পাবিপ্রবিতে বিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজা Logo হামে শিশুমৃত্যু: দায়ীদের শাস্তি ও জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণার দাবি ডিপিপিএইচের Logo ডিআরইউ সঙ্গে পুপরোয়া’র মতবিনিময় সভা Logo শিক্ষকদের পাঠ মুল্যায়নে অনলাইন ফিডব্যাক বাধ্যতামুলক করলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় Logo মোহাম্মদপুরে আসাদুল হত্যার নেপথ্যে মারধরের পুরনো ক্ষোভ: ডিএমপি

হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির আপোষহীনতার আট বছর উদযাপন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) গণমাধ্যমকর্মীদের একমাত্র সংগঠন হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি। “তারুণ্য, সততায় আপোষহীনতার আট বছর” থিমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, সাবেক ও বর্তমান সাংবাদিক সদস্যরা।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় টিএসসির সামনে থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য র‍্যালি, যা শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সংগঠনের সদস্যরা। এরপর ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান।

আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সাবেক সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন (তুষার)। তিনি বলেন, “সাংবাদিকতা শুধু প্রতিবাদ নয়, এটি দায়িত্ব ও নৈতিকতার চর্চা। নানা বাধা বিপত্তি সংকট পেরিয়ে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের কাজ করে যেতে হয়। সাংবাদিকতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনেক স্কিল আয়ত্ব করে যা তাদের ক্যারিয়ার গঠনে ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও তরুণদের এই চর্চা ভবিষ্যতের গণমাধ্যমকে আরও মানবিক করে তুলবে।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. এস. এম. এমদাদুল হাসান, জনসংযোগ ও প্রকাশনা শাখার পরিচালক খাদেমুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক রাশেদ ফারুক এবং ডেভেলপমেন্ট অফিসার ও হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মহিউদ্দিন নূর। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ২য় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মান্নান, ৪র্থ কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ মুবাশ্বির, বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সহযোগী সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা বলেন, “সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল চর্চা। ক্যাম্পাস সাংবাদিকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়না হিসেবে কাজ করে। তারা যেমন সমস্যাগুলো তুলে ধরে, তেমনি সম্ভাবনার দিকগুলোও সামনে আনে। আমি আশা করি, হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি ভবিষ্যতেও সত্য, ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে যাবে এবং শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবে।”

এ সময় বর্ষসেরা প্রতিবেদক হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয় পাঁচজনকে। ডেইলি ইভেন্ট ক্যাটাগরিতে রাহাত হোসেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তালহা হাসান, মাল্টিমিডিয়া প্রতিবেদনে রফিউল হুদা, ফিচার প্রতিবেদনে কামরুল হাসান এবং সেরা নবাগত সাংবাদিক হিসেবে শাহরিয়ার স্বর্ণব পুরস্কৃত হন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মো. গোলাম ফাহিমুল্লাহ বলেন, “এই সংগঠন শুধু একটি নাম নয় এটি একটি অনুভব। এটি সেই জায়গা, যেখানে একজন শিক্ষার্থী তার না বলা কথাগুলো বলতে পারে। এটি সেই জায়গা, যেখানে সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো হয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম ওঠে। আট বছর ধরে আমরা লিখে চলেছি, প্রশ্ন তুলেছি, পাশে দাঁড়িয়েছি। প্রতিদিনের ক্যাম্পাসে, প্রতিদিনের লড়াইয়ে আমরা ছিলাম, আছি, থাকব।”

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়। মধ্যাহ্নভোজ শেষে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

জনপ্রিয়

বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির আপোষহীনতার আট বছর উদযাপন

প্রকাশিত ১০:২৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

বর্ণাঢ্য আয়োজনে অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) গণমাধ্যমকর্মীদের একমাত্র সংগঠন হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি। “তারুণ্য, সততায় আপোষহীনতার আট বছর” থিমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, সাবেক ও বর্তমান সাংবাদিক সদস্যরা।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় টিএসসির সামনে থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য র‍্যালি, যা শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সংগঠনের সদস্যরা। এরপর ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান।

আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সাবেক সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন (তুষার)। তিনি বলেন, “সাংবাদিকতা শুধু প্রতিবাদ নয়, এটি দায়িত্ব ও নৈতিকতার চর্চা। নানা বাধা বিপত্তি সংকট পেরিয়ে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের কাজ করে যেতে হয়। সাংবাদিকতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনেক স্কিল আয়ত্ব করে যা তাদের ক্যারিয়ার গঠনে ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও তরুণদের এই চর্চা ভবিষ্যতের গণমাধ্যমকে আরও মানবিক করে তুলবে।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. এস. এম. এমদাদুল হাসান, জনসংযোগ ও প্রকাশনা শাখার পরিচালক খাদেমুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক রাশেদ ফারুক এবং ডেভেলপমেন্ট অফিসার ও হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মহিউদ্দিন নূর। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ২য় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মান্নান, ৪র্থ কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ মুবাশ্বির, বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সহযোগী সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা বলেন, “সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল চর্চা। ক্যাম্পাস সাংবাদিকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়না হিসেবে কাজ করে। তারা যেমন সমস্যাগুলো তুলে ধরে, তেমনি সম্ভাবনার দিকগুলোও সামনে আনে। আমি আশা করি, হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি ভবিষ্যতেও সত্য, ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে যাবে এবং শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবে।”

এ সময় বর্ষসেরা প্রতিবেদক হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয় পাঁচজনকে। ডেইলি ইভেন্ট ক্যাটাগরিতে রাহাত হোসেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তালহা হাসান, মাল্টিমিডিয়া প্রতিবেদনে রফিউল হুদা, ফিচার প্রতিবেদনে কামরুল হাসান এবং সেরা নবাগত সাংবাদিক হিসেবে শাহরিয়ার স্বর্ণব পুরস্কৃত হন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মো. গোলাম ফাহিমুল্লাহ বলেন, “এই সংগঠন শুধু একটি নাম নয় এটি একটি অনুভব। এটি সেই জায়গা, যেখানে একজন শিক্ষার্থী তার না বলা কথাগুলো বলতে পারে। এটি সেই জায়গা, যেখানে সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো হয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম ওঠে। আট বছর ধরে আমরা লিখে চলেছি, প্রশ্ন তুলেছি, পাশে দাঁড়িয়েছি। প্রতিদিনের ক্যাম্পাসে, প্রতিদিনের লড়াইয়ে আমরা ছিলাম, আছি, থাকব।”

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়। মধ্যাহ্নভোজ শেষে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।