ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা Logo গ্রেপ্তার হওয়া ৪০ জনের কেউই শ্রমিক নন: ঢাকা ডিআইজি Logo ই-রিকশা নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু Logo উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ৪৪ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক কাজে যোগ দিতে বাধ্য হচ্ছে: বিশ্ব ব্যাংক Logo মাদ্রাসায় হামলা-ভাঙচুরের মামলা: সেই অভিভাবককে আত্মসমর্পণের নির্দেশ Logo ভিভো ভি৮০ আসছে রাইজ অরেঞ্জের নতুন আকর্ষণে! Logo রাবির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭৪ শিক্ষক-শিক্ষার্থী Logo মহাকাশে চালু হয়েছে গুগলের এআই, লিখেছে কবিতাও Logo উদযাপিত হলো হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী Logo জাবির সিএলসি ইনস্টিটিউটের নতুন পরিচালক অধ্যাপক মানছুরকে যোগদান না করতে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকের হুমকি

জকসু সদস্য শান্তা ও ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীদের উপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ

প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ও শাহবাগে যমুনা  শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, ডাকসু নেত্রী ফাতিমা,তাসনিম জুমা, জকসু নেত্রী শান্তা আক্তার ও রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে, বাহাদুর শাহ পার্ক, রায়সাহেব বাজার হয়ে শহীদ বিশ্বজিৎ চত্বরে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।

এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের ভিপি মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, পাঠাগার সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল,সদস্য ফাতেমা আক্তার অওরিনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত রয়েছেন।
বিক্ষোভ মিছিলে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস, জাস্টিস জাস্টিস’, ‘পুলিশ না বিচার, বিচার বিচার’, এক হাদি কবরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’, ‘এই মুহূর্তে দরকার, পুলিশ লীগের সংস্কার’ সহ নানা স্লোগান দেয় শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভের শুরুতেই সোনালি নিউজকে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘এক শুক্রবারে সন্ত্রাসীরা আমার ভাই শহীদ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করেছিল। ঠিক একই শুক্রবার আজ, একটি ইন্টেরিম সরকার থাকা সত্ত্বেও আমাদের আন্দোলনরত ভাইদের ওপর মর্মান্তিক হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। যে পুলিশ সদস্যরা হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) ভিপি মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বলেন,মহান জুলাই বিপ্লবের পর আমরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত সকল পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করার এবং তরুণ ছাত্রসমাজ থেকে নতুন পুলিশ নিয়োগের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার সেই দাবি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।

আজও ন্যায্য দাবি ও ভাই হত্যার বিচার চাইলে পুলিশ দমন-পীড়নে নেমে আসে। এই বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে পুলিশের টপ টু বটম দায়ী। শুধু পুলিশ নয়, সচিবালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বস্তরে এখনো ফ্যাসিবাদী কাঠামো বহাল।বিপ্লব অসম্পূর্ণ থাকলে বিপ্লবীদেরই মূল্য দিতে হয়।

তিনি আরও বলেন,সামনে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন চক্রান্ত চলছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশাসনে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ স্পষ্ট। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বাস সার্ভিস চাওয়াকে ‘রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড’ বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, যা লজ্জাজনক। ভোট দেওয়া কোনো রাজনৈতিক অপরাধ নয়, এটি আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার।অতএব, এই ফ্যাসিবাদী কাঠামো ভেঙে দেওয়ার এখনই সময়।

জনপ্রিয়

সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা

জকসু সদস্য শান্তা ও ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীদের উপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ

প্রকাশিত ১২:২৫:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ও শাহবাগে যমুনা  শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, ডাকসু নেত্রী ফাতিমা,তাসনিম জুমা, জকসু নেত্রী শান্তা আক্তার ও রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে, বাহাদুর শাহ পার্ক, রায়সাহেব বাজার হয়ে শহীদ বিশ্বজিৎ চত্বরে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।

এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের ভিপি মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, পাঠাগার সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল,সদস্য ফাতেমা আক্তার অওরিনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত রয়েছেন।
বিক্ষোভ মিছিলে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস, জাস্টিস জাস্টিস’, ‘পুলিশ না বিচার, বিচার বিচার’, এক হাদি কবরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’, ‘এই মুহূর্তে দরকার, পুলিশ লীগের সংস্কার’ সহ নানা স্লোগান দেয় শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভের শুরুতেই সোনালি নিউজকে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘এক শুক্রবারে সন্ত্রাসীরা আমার ভাই শহীদ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করেছিল। ঠিক একই শুক্রবার আজ, একটি ইন্টেরিম সরকার থাকা সত্ত্বেও আমাদের আন্দোলনরত ভাইদের ওপর মর্মান্তিক হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। যে পুলিশ সদস্যরা হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) ভিপি মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বলেন,মহান জুলাই বিপ্লবের পর আমরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত সকল পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করার এবং তরুণ ছাত্রসমাজ থেকে নতুন পুলিশ নিয়োগের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার সেই দাবি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।

আজও ন্যায্য দাবি ও ভাই হত্যার বিচার চাইলে পুলিশ দমন-পীড়নে নেমে আসে। এই বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে পুলিশের টপ টু বটম দায়ী। শুধু পুলিশ নয়, সচিবালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বস্তরে এখনো ফ্যাসিবাদী কাঠামো বহাল।বিপ্লব অসম্পূর্ণ থাকলে বিপ্লবীদেরই মূল্য দিতে হয়।

তিনি আরও বলেন,সামনে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন চক্রান্ত চলছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশাসনে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ স্পষ্ট। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বাস সার্ভিস চাওয়াকে ‘রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড’ বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, যা লজ্জাজনক। ভোট দেওয়া কোনো রাজনৈতিক অপরাধ নয়, এটি আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার।অতএব, এই ফ্যাসিবাদী কাঠামো ভেঙে দেওয়ার এখনই সময়।