ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

সন্ধ্যার আগেই লাইব্রেরি বন্ধে বিপাকে শিক্ষার্থীরা, পুরোনো সময়সূচী পুনর্বহালের দাবি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সময়সীমা বৃদ্ধির দাবিতে প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষরিত সম্বলিত একটি আবেদনপত্র তারা প্রসাশনের নিকট জমা দেন।

বুধবার (১০জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টার কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে লিখিত আবেদন প্রদান করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্নাতকোত্তর এক শিক্ষার্থী বলেন, বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে গ্রন্থাগার বন্ধ করে দেয়ায় বেশ জটিলতা দেখা দিচ্ছে। সেমিস্টার ফাইনাল ও ক্লাসটেস্টের সময় আমাদের বেশি পড়তে হয়, কিন্তু লাইব্রেরি বিকেলেই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পড়াশোনা পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। আগে রাত ৮:৩০ পর্যন্ত খোলা থাকত, সেই সময়টা আবার চালু করা হোক।

এ বিষয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.মো. শহীদুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের লাইব্রেরির সময়সীমা বাড়ানোর আবেদনটি আমরা ইতিবাচকভাবেই দেখছি। আমাদের সবসময় প্রচেষ্টা থাকে শিক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পড়াশোনায় করতে পারে। পূর্বে মূলত সরকারি নির্দেশনা ও জ্বালানি সংকটের কারণে সময় কমানো হলেও, এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় লাইব্রেরির সময় বাড়িয়ে অন্য কোনো ক্ষেত্রে অপচয় রোধ করে তা সমন্বয় করার কথা ভাবছি। এই বিষয়ে লাইব্রেরিয়ান ইতিমধ্যেই প্রশাসনের কাছে ফাইল পাঠিয়েছেন এবং ভিসি স্যারের সাথেও আলোচনা করে দ্রুত একটি ইতিবাচক সমাধানের চেষ্টা করব।

জনপ্রিয়

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জয়ে ফিরল আর্সেনাল

সন্ধ্যার আগেই লাইব্রেরি বন্ধে বিপাকে শিক্ষার্থীরা, পুরোনো সময়সূচী পুনর্বহালের দাবি

প্রকাশিত ১১:৪৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সময়সীমা বৃদ্ধির দাবিতে প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের গণস্বাক্ষরিত সম্বলিত একটি আবেদনপত্র তারা প্রসাশনের নিকট জমা দেন।

বুধবার (১০জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টার কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে লিখিত আবেদন প্রদান করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্নাতকোত্তর এক শিক্ষার্থী বলেন, বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে গ্রন্থাগার বন্ধ করে দেয়ায় বেশ জটিলতা দেখা দিচ্ছে। সেমিস্টার ফাইনাল ও ক্লাসটেস্টের সময় আমাদের বেশি পড়তে হয়, কিন্তু লাইব্রেরি বিকেলেই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পড়াশোনা পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। আগে রাত ৮:৩০ পর্যন্ত খোলা থাকত, সেই সময়টা আবার চালু করা হোক।

এ বিষয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.মো. শহীদুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের লাইব্রেরির সময়সীমা বাড়ানোর আবেদনটি আমরা ইতিবাচকভাবেই দেখছি। আমাদের সবসময় প্রচেষ্টা থাকে শিক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পড়াশোনায় করতে পারে। পূর্বে মূলত সরকারি নির্দেশনা ও জ্বালানি সংকটের কারণে সময় কমানো হলেও, এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় লাইব্রেরির সময় বাড়িয়ে অন্য কোনো ক্ষেত্রে অপচয় রোধ করে তা সমন্বয় করার কথা ভাবছি। এই বিষয়ে লাইব্রেরিয়ান ইতিমধ্যেই প্রশাসনের কাছে ফাইল পাঠিয়েছেন এবং ভিসি স্যারের সাথেও আলোচনা করে দ্রুত একটি ইতিবাচক সমাধানের চেষ্টা করব।