ভালো ফলাফল অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ৬৮ শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা, গবেষণা, প্রকাশনা ও পেশাগত অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অনুষদের ছয় শিক্ষককেও এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে ডিনস অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম।
জানা গেছে, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ৩.৮৫ সিজিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ৬৮ জনকে এ অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত করা হয়। তাঁদের মধ্যে বিবিএ পর্যায়ের ২৮ জন এবং এমবিএ পর্যায়ের ৪০ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।
বিভাগভিত্তিক অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের ১৩ জন, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৯ জন, মার্কেটিং বিভাগের ২৭ জন, ফাইন্যান্স বিভাগের ২ জন, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের ৬ জন এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ১১ জন রয়েছেন। পুরস্কার হিসেবে তাঁদের ক্রেস্ট, সনদ ও নগদ পাঁচ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আজ একটি বিশেষ দিন। আজ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমি সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ করব, প্রতিবছর যেন এ আয়োজন অব্যাহত রাখা হয়। এটি যেন কোনোভাবেই বন্ধ হয়ে না যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা আজ সম্মাননা পেয়েছ, তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, এই স্বীকৃতি পাওয়ার পর তোমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। এই অর্জন ধরে রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। তোমাদের এই সাফল্য অন্য শিক্ষার্থীদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি আশা করছি।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. হাসনাত কবীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশিদ। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মতিয়ার রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।





































