ঢাকা ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাকৃবির উদ্ভাবিত দেশের প্রথম জৈব ছত্রাকনাশক পিজি ট্রাইকোডার্মা, বাড়বে ফলন কমবে রাসায়নিকের ব্যবহার Logo তিন সরকার, এক রাষ্ট্রপতি: চুপ্পুর আসা-যাওয়ার গল্প! Logo মতিঝিল মেট্রোস্টেশনের নিচে বিস্ফোরণ Logo শ্রীমঙ্গলের ‘মেঘমালতী হোমস্টে’ রিসোর্টে স্বামী-স্ত্রীর গোপন ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবি; ভাইরাল হলে নাম বদলে ‘বেলাশেষে’! Logo রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন Logo ভিন্ন তিন সরকারের আমলে দায়িত্ব পালন করে অবশেষে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন Logo আইডিয়া কম্পিটিশন-২০২৬ এ দ্বিতীয় বাকৃবির শিক্ষার্থীরা Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষার্থীসহ অংশীজনদের নিয়ে পুষ্টি সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন Logo ভোক্তার আস্থা অর্জন এবং পণ্য ও সেবার মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে খাস ফুড। Logo ৩২ বছর পূর্বে ছাত্রদলের হামলায় নিহত কামরুলের স্মরণে জাবিতে শিবিরের বৃক্ষরোপণ

এনসিপি নেত্রীদের ‘জামাতের দাসী’ বলে ট্রল ও হেনস্তার প্রতিবাদ

এনসিপির তিন নেত্রী তানহা শান্তা, ডা. মাহমুদা মিতু ও দিলশানা পারুল

জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ভিডিও ভাইরালের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এনসিপির নেত্রীদের ‘জামাতের দাসী’ বলে ট্রল ও অনলাইনে হেনস্তার প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির নেত্রী এবং ঢাকা-১৯ আসনের জামায়াত-সমর্থিত ১১ দলীয় জোটের সাবেক প্রার্থী দিলশানা পারুল।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরের পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।

দিলশানা পারুল তার পোস্টে লেখেন, ‘৫০১ নাম্বার রুমের জামাতের দাসী—এটা কাকে বলা হচ্ছে? এনসিপির নেত্রীদের। জামাতের এমপি ভাইরাল হওয়ার ঘটনার সবচেয়ে বড় ভিকটিম হচ্ছে সেই অল্প বয়স্ক মেয়েটি। সে প্রথমবার ভিকটিম হলো রুমে প্রবেশ করে, দ্বিতীয়বার ভিকটিম হলো গোপন ভিডিওতে তার অনুমতি ছাড়া রেকর্ডেড হয়ে, তৃতীয়বার ভিকটিম হলো তার ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘এই ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর অন্য কোনো পুরুষ নেতাদের নিয়ে ট্রল হচ্ছে না। ট্রল হচ্ছে কাদের নিয়ে? এখনো যে মেয়েগুলো দাঁতে দাঁত কামড়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির সঙ্গে নতুন রাজনীতি দাঁড় করাতে চাচ্ছে সেই মেয়েগুলোকে নিয়ে। একটা নারীর ভিকটিম হওয়া ভিডিও ভাইরাল করে অনলাইনে ভিকটিম করা হচ্ছে আরও গোটা পাঁচেক রাজনৈতিক নারীকে। কেন? কারণ এই নারীরা অন্য একটা রাজনৈতিক দলে আছেন, যে দল আপনার না পছন্দ।’

দিনশানা পারুল ভিডিওটি ভাইরাল করে নারীদের শ্লাট শেমিং ও হয়রানির তীব্র নিন্দা জানিয়ে লেখেন, ‘ভাইরাল হওয়া ভিডিওটা নিয়ে এই ভিকটিম নারীর পক্ষে যে দুটি কথা হবে সেটা তো দূরের কথা, এই ভিডিওটা ভাইরাল করে আরও দশটা নারীকে অনলাইনে হয়রানি, শেমিং করে মজা নেওয়া হচ্ছে, তামাশা করা হচ্ছে, ভিকটিম করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় আবার নেতৃত্ব দিচ্ছে “তারেকের মতো তথাকথিত রাজনৈতিক বক্তারা”।’

নারী বিদ্বেষী এই অপপ্রচারকে ‘অসুস্থ চর্চা’ ও ‘বিকারগ্রস্ত আচরণ’ আখ্যা দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘একটা লোকের একটা অসুস্থ চর্চা নিয়ে, অনলাইনে আরও তামাম ১০০ জন লোক আরও গোটা পাঁচেক মেয়েকে শ্লাট শেমিং করে, হয়রানি করে অসুস্থ চর্চা করছে। একটা বিকারকে কাউন্টার দিতে গিয়ে আরও ৪০০টা লোক বিকারগ্রস্ত আচরণ করছে, কিন্তু তারা ভাবছে অনেক বড় রাজনীতি করা হলো!!! সিরিয়াসলি, কোনটা বেশি অশ্লীল???’

জনপ্রিয়

বাকৃবির উদ্ভাবিত দেশের প্রথম জৈব ছত্রাকনাশক পিজি ট্রাইকোডার্মা, বাড়বে ফলন কমবে রাসায়নিকের ব্যবহার

এনসিপি নেত্রীদের ‘জামাতের দাসী’ বলে ট্রল ও হেনস্তার প্রতিবাদ

প্রকাশিত ০৮:৫৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ভিডিও ভাইরালের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এনসিপির নেত্রীদের ‘জামাতের দাসী’ বলে ট্রল ও অনলাইনে হেনস্তার প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির নেত্রী এবং ঢাকা-১৯ আসনের জামায়াত-সমর্থিত ১১ দলীয় জোটের সাবেক প্রার্থী দিলশানা পারুল।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরের পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।

দিলশানা পারুল তার পোস্টে লেখেন, ‘৫০১ নাম্বার রুমের জামাতের দাসী—এটা কাকে বলা হচ্ছে? এনসিপির নেত্রীদের। জামাতের এমপি ভাইরাল হওয়ার ঘটনার সবচেয়ে বড় ভিকটিম হচ্ছে সেই অল্প বয়স্ক মেয়েটি। সে প্রথমবার ভিকটিম হলো রুমে প্রবেশ করে, দ্বিতীয়বার ভিকটিম হলো গোপন ভিডিওতে তার অনুমতি ছাড়া রেকর্ডেড হয়ে, তৃতীয়বার ভিকটিম হলো তার ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘এই ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর অন্য কোনো পুরুষ নেতাদের নিয়ে ট্রল হচ্ছে না। ট্রল হচ্ছে কাদের নিয়ে? এখনো যে মেয়েগুলো দাঁতে দাঁত কামড়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির সঙ্গে নতুন রাজনীতি দাঁড় করাতে চাচ্ছে সেই মেয়েগুলোকে নিয়ে। একটা নারীর ভিকটিম হওয়া ভিডিও ভাইরাল করে অনলাইনে ভিকটিম করা হচ্ছে আরও গোটা পাঁচেক রাজনৈতিক নারীকে। কেন? কারণ এই নারীরা অন্য একটা রাজনৈতিক দলে আছেন, যে দল আপনার না পছন্দ।’

দিনশানা পারুল ভিডিওটি ভাইরাল করে নারীদের শ্লাট শেমিং ও হয়রানির তীব্র নিন্দা জানিয়ে লেখেন, ‘ভাইরাল হওয়া ভিডিওটা নিয়ে এই ভিকটিম নারীর পক্ষে যে দুটি কথা হবে সেটা তো দূরের কথা, এই ভিডিওটা ভাইরাল করে আরও দশটা নারীকে অনলাইনে হয়রানি, শেমিং করে মজা নেওয়া হচ্ছে, তামাশা করা হচ্ছে, ভিকটিম করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় আবার নেতৃত্ব দিচ্ছে “তারেকের মতো তথাকথিত রাজনৈতিক বক্তারা”।’

নারী বিদ্বেষী এই অপপ্রচারকে ‘অসুস্থ চর্চা’ ও ‘বিকারগ্রস্ত আচরণ’ আখ্যা দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘একটা লোকের একটা অসুস্থ চর্চা নিয়ে, অনলাইনে আরও তামাম ১০০ জন লোক আরও গোটা পাঁচেক মেয়েকে শ্লাট শেমিং করে, হয়রানি করে অসুস্থ চর্চা করছে। একটা বিকারকে কাউন্টার দিতে গিয়ে আরও ৪০০টা লোক বিকারগ্রস্ত আচরণ করছে, কিন্তু তারা ভাবছে অনেক বড় রাজনীতি করা হলো!!! সিরিয়াসলি, কোনটা বেশি অশ্লীল???’