ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ছাড়াও ব্যক্তিত্বের রয়েছে আরও দুটি ধরন Logo চুক্তি আছে, কর্মী নেই: গ্রিসের শ্রমবাজারে পিছিয়ে বাংলাদেশ Logo গোল করার পর ইয়ামালকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া ‘সহজ’ Logo যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী দিবসে বাংলাদেশিসহ ৭ জনকে সম্মাননা Logo শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ পেল ববির শিক্ষার্থীদের সংগঠন ODM Logo জাকসু নির্বাচন কমিশন কার্যালয় উচ্ছেদের চক্রান্তের তীব্র প্রতিবাদ ছাত্র ইউনিয়নের Logo পাবিপ্রবিতে ১৬তম বাংলাদেশ কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত Logo কাজের গঠনমূলক সমালোচনাতেই প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি সম্ভব- জাবি উপাচার্য Logo চিকিৎসক হতে চান আখাউড়ার মেয়ে লিজা Logo প্রথমবার মানবদেহে শামন্ডা ভাইরাস, বাংলাদেশে নজরদারি জোরদারের তাগিদ বাকৃবি বিশেষজ্ঞের

এনসিপি নেত্রীদের ‘জামাতের দাসী’ বলে ট্রল ও হেনস্তার প্রতিবাদ

এনসিপির তিন নেত্রী তানহা শান্তা, ডা. মাহমুদা মিতু ও দিলশানা পারুল

জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ভিডিও ভাইরালের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এনসিপির নেত্রীদের ‘জামাতের দাসী’ বলে ট্রল ও অনলাইনে হেনস্তার প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির নেত্রী এবং ঢাকা-১৯ আসনের জামায়াত-সমর্থিত ১১ দলীয় জোটের সাবেক প্রার্থী দিলশানা পারুল।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরের পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।

দিলশানা পারুল তার পোস্টে লেখেন, ‘৫০১ নাম্বার রুমের জামাতের দাসী—এটা কাকে বলা হচ্ছে? এনসিপির নেত্রীদের। জামাতের এমপি ভাইরাল হওয়ার ঘটনার সবচেয়ে বড় ভিকটিম হচ্ছে সেই অল্প বয়স্ক মেয়েটি। সে প্রথমবার ভিকটিম হলো রুমে প্রবেশ করে, দ্বিতীয়বার ভিকটিম হলো গোপন ভিডিওতে তার অনুমতি ছাড়া রেকর্ডেড হয়ে, তৃতীয়বার ভিকটিম হলো তার ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘এই ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর অন্য কোনো পুরুষ নেতাদের নিয়ে ট্রল হচ্ছে না। ট্রল হচ্ছে কাদের নিয়ে? এখনো যে মেয়েগুলো দাঁতে দাঁত কামড়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির সঙ্গে নতুন রাজনীতি দাঁড় করাতে চাচ্ছে সেই মেয়েগুলোকে নিয়ে। একটা নারীর ভিকটিম হওয়া ভিডিও ভাইরাল করে অনলাইনে ভিকটিম করা হচ্ছে আরও গোটা পাঁচেক রাজনৈতিক নারীকে। কেন? কারণ এই নারীরা অন্য একটা রাজনৈতিক দলে আছেন, যে দল আপনার না পছন্দ।’

দিনশানা পারুল ভিডিওটি ভাইরাল করে নারীদের শ্লাট শেমিং ও হয়রানির তীব্র নিন্দা জানিয়ে লেখেন, ‘ভাইরাল হওয়া ভিডিওটা নিয়ে এই ভিকটিম নারীর পক্ষে যে দুটি কথা হবে সেটা তো দূরের কথা, এই ভিডিওটা ভাইরাল করে আরও দশটা নারীকে অনলাইনে হয়রানি, শেমিং করে মজা নেওয়া হচ্ছে, তামাশা করা হচ্ছে, ভিকটিম করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় আবার নেতৃত্ব দিচ্ছে “তারেকের মতো তথাকথিত রাজনৈতিক বক্তারা”।’

নারী বিদ্বেষী এই অপপ্রচারকে ‘অসুস্থ চর্চা’ ও ‘বিকারগ্রস্ত আচরণ’ আখ্যা দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘একটা লোকের একটা অসুস্থ চর্চা নিয়ে, অনলাইনে আরও তামাম ১০০ জন লোক আরও গোটা পাঁচেক মেয়েকে শ্লাট শেমিং করে, হয়রানি করে অসুস্থ চর্চা করছে। একটা বিকারকে কাউন্টার দিতে গিয়ে আরও ৪০০টা লোক বিকারগ্রস্ত আচরণ করছে, কিন্তু তারা ভাবছে অনেক বড় রাজনীতি করা হলো!!! সিরিয়াসলি, কোনটা বেশি অশ্লীল???’

জনপ্রিয়

অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ছাড়াও ব্যক্তিত্বের রয়েছে আরও দুটি ধরন

এনসিপি নেত্রীদের ‘জামাতের দাসী’ বলে ট্রল ও হেনস্তার প্রতিবাদ

প্রকাশিত ০৮:৫৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ভিডিও ভাইরালের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এনসিপির নেত্রীদের ‘জামাতের দাসী’ বলে ট্রল ও অনলাইনে হেনস্তার প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির নেত্রী এবং ঢাকা-১৯ আসনের জামায়াত-সমর্থিত ১১ দলীয় জোটের সাবেক প্রার্থী দিলশানা পারুল।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরের পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।

দিলশানা পারুল তার পোস্টে লেখেন, ‘৫০১ নাম্বার রুমের জামাতের দাসী—এটা কাকে বলা হচ্ছে? এনসিপির নেত্রীদের। জামাতের এমপি ভাইরাল হওয়ার ঘটনার সবচেয়ে বড় ভিকটিম হচ্ছে সেই অল্প বয়স্ক মেয়েটি। সে প্রথমবার ভিকটিম হলো রুমে প্রবেশ করে, দ্বিতীয়বার ভিকটিম হলো গোপন ভিডিওতে তার অনুমতি ছাড়া রেকর্ডেড হয়ে, তৃতীয়বার ভিকটিম হলো তার ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘এই ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর অন্য কোনো পুরুষ নেতাদের নিয়ে ট্রল হচ্ছে না। ট্রল হচ্ছে কাদের নিয়ে? এখনো যে মেয়েগুলো দাঁতে দাঁত কামড়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির সঙ্গে নতুন রাজনীতি দাঁড় করাতে চাচ্ছে সেই মেয়েগুলোকে নিয়ে। একটা নারীর ভিকটিম হওয়া ভিডিও ভাইরাল করে অনলাইনে ভিকটিম করা হচ্ছে আরও গোটা পাঁচেক রাজনৈতিক নারীকে। কেন? কারণ এই নারীরা অন্য একটা রাজনৈতিক দলে আছেন, যে দল আপনার না পছন্দ।’

দিনশানা পারুল ভিডিওটি ভাইরাল করে নারীদের শ্লাট শেমিং ও হয়রানির তীব্র নিন্দা জানিয়ে লেখেন, ‘ভাইরাল হওয়া ভিডিওটা নিয়ে এই ভিকটিম নারীর পক্ষে যে দুটি কথা হবে সেটা তো দূরের কথা, এই ভিডিওটা ভাইরাল করে আরও দশটা নারীকে অনলাইনে হয়রানি, শেমিং করে মজা নেওয়া হচ্ছে, তামাশা করা হচ্ছে, ভিকটিম করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় আবার নেতৃত্ব দিচ্ছে “তারেকের মতো তথাকথিত রাজনৈতিক বক্তারা”।’

নারী বিদ্বেষী এই অপপ্রচারকে ‘অসুস্থ চর্চা’ ও ‘বিকারগ্রস্ত আচরণ’ আখ্যা দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘একটা লোকের একটা অসুস্থ চর্চা নিয়ে, অনলাইনে আরও তামাম ১০০ জন লোক আরও গোটা পাঁচেক মেয়েকে শ্লাট শেমিং করে, হয়রানি করে অসুস্থ চর্চা করছে। একটা বিকারকে কাউন্টার দিতে গিয়ে আরও ৪০০টা লোক বিকারগ্রস্ত আচরণ করছে, কিন্তু তারা ভাবছে অনেক বড় রাজনীতি করা হলো!!! সিরিয়াসলি, কোনটা বেশি অশ্লীল???’