ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ঐতিহাসিক পানাম নগরী ও জাদুঘর পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত Logo প্যাকেটেই থাকুক ক্ষতিকর উপাদানের সতর্কবার্তা, এক মাসের প্রচারে নামছে তরুণেরা Logo মিলিতাওকে ফিরে পেয়ে খুশি কুকুরেইয়া Logo ‘আসুন, নিজের সন্তানের জন্য স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি’: নগর ভবনে প্রধানমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রী আসছেন, রং লাগল ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবীদের আবক্ষ মূর্তিতে Logo নিজের সন্তানের জন্য হলেও ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী Logo মিষ্টি থেকে ইশরাক: কী বার্তা দিচ্ছেন তারেক রহমান? Logo ‘কিশোর গ্যাং’: উত্থান ঠেকাতে উপজেলাগুলোয় কমিটি করছে সরকার Logo প্রধানমন্ত্রী মাদকবিরোধী যুদ্ধ চালিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছেন: ইশরাক Logo যে কারণে পদত্যাগ করলেন ইশরাক

মুক্তি পেলে সেনাপ্রধানের সঙ্গে সংঘাতে জড়াবেন না ইমরান খান

সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির (বাঁয়ে) ও পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (ডানে)

কারাগার থেকে মুক্তি পেলে সেনাবাহিনী কিংবা সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে সরাসরি কোনো সংঘাত বা দ্বন্দ্বে জড়াবেন না পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

দেশের বৃহত্তর স্বার্থে অতীত তিক্ততা ভুলে সমঝোতার পথে হাঁটতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন পিটিআইয়ের মুখপাত্র ও ইমরানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জুলফিকার বুখারি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ‘ইমরান খান এমন কোনো পদক্ষেপ নেবেন না যা দেশের জন্য ক্ষতিকর হয়’।

বুখারি বলেন, ইমরান খান কাল মুক্তি পেলে দেশের ক্ষতি হয় এমন কিছু করবেন না। এর মানে এই নয় যে আপনাকে প্রতিষ্ঠানের বা সামরিক প্রধানের মুখোমুখি হতে হবে। দেশের ভালোর জন্য নিজের ক্ষোভ ও কষ্ট চেপে রাখতে হয়।

মূলত সুপ্রিম কোর্ট ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খানকে কারাগার থেকে বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম হয়েছে। বিশ্লেষকরা আদালতের এ আদেশকে সেনাপ্রধান ও পিটিআইয়ের মধ্যকার দীর্ঘদিনের মনস্তাত্ত্বিক উত্তেজনা প্রশমনের একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

এই সিদ্ধান্তকে ‘নতুন আশার আলো’ হিসেবে উল্লেখ করে বুখারি বলেন, সেনাপ্রধান যদি অভিভাবকের মতো ভূমিকা পালন করেন এবং ‘সহানুভূতির হাত’ বাড়িয়ে দেন, তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব রাজনৈতিক বন্দি মুক্তি পেতে পারেন।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে কারাগারে থাকা ইমরানের নিজস্ব মনোভাব ও দলের শীর্ষ সহকর্মীদের ভাবনার মধ্যে কিছুটা ফারাক থাকতে পারে। কারণ গত বছরের নভেম্বরেও সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে মারাত্মক নিপীড়নের অভিযোগ এনে ইমরান খান শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন। পাশাপাশি গত ৮ মাস ধরে পিটিআইয়ের জ্যেষ্ঠ নেতারাও ইমরানের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার কোনো সুযোগ পাননি।

জুলফিকার বুখারির এমন নমনীয় অবস্থানের বিষয়ে পাকিস্তান সরকার কিংবা দেশটির সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে আইনি লড়াই ও হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়ার মাঝেই সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে বড় ধরনের আন্দোলনের ঘোষণা বহাল রেখেছে পিটিআই।

দলটির মূল দাবি, রাজনৈতিক কারণে বন্দি ইমরান খানকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে এবং একই সঙ্গে তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

সূত্র: রয়টার্স

জনপ্রিয়

ঐতিহাসিক পানাম নগরী ও জাদুঘর পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

মুক্তি পেলে সেনাপ্রধানের সঙ্গে সংঘাতে জড়াবেন না ইমরান খান

প্রকাশিত ১০:১৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

কারাগার থেকে মুক্তি পেলে সেনাবাহিনী কিংবা সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে সরাসরি কোনো সংঘাত বা দ্বন্দ্বে জড়াবেন না পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

দেশের বৃহত্তর স্বার্থে অতীত তিক্ততা ভুলে সমঝোতার পথে হাঁটতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন পিটিআইয়ের মুখপাত্র ও ইমরানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জুলফিকার বুখারি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ‘ইমরান খান এমন কোনো পদক্ষেপ নেবেন না যা দেশের জন্য ক্ষতিকর হয়’।

বুখারি বলেন, ইমরান খান কাল মুক্তি পেলে দেশের ক্ষতি হয় এমন কিছু করবেন না। এর মানে এই নয় যে আপনাকে প্রতিষ্ঠানের বা সামরিক প্রধানের মুখোমুখি হতে হবে। দেশের ভালোর জন্য নিজের ক্ষোভ ও কষ্ট চেপে রাখতে হয়।

মূলত সুপ্রিম কোর্ট ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খানকে কারাগার থেকে বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম হয়েছে। বিশ্লেষকরা আদালতের এ আদেশকে সেনাপ্রধান ও পিটিআইয়ের মধ্যকার দীর্ঘদিনের মনস্তাত্ত্বিক উত্তেজনা প্রশমনের একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

এই সিদ্ধান্তকে ‘নতুন আশার আলো’ হিসেবে উল্লেখ করে বুখারি বলেন, সেনাপ্রধান যদি অভিভাবকের মতো ভূমিকা পালন করেন এবং ‘সহানুভূতির হাত’ বাড়িয়ে দেন, তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব রাজনৈতিক বন্দি মুক্তি পেতে পারেন।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে কারাগারে থাকা ইমরানের নিজস্ব মনোভাব ও দলের শীর্ষ সহকর্মীদের ভাবনার মধ্যে কিছুটা ফারাক থাকতে পারে। কারণ গত বছরের নভেম্বরেও সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে মারাত্মক নিপীড়নের অভিযোগ এনে ইমরান খান শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন। পাশাপাশি গত ৮ মাস ধরে পিটিআইয়ের জ্যেষ্ঠ নেতারাও ইমরানের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার কোনো সুযোগ পাননি।

জুলফিকার বুখারির এমন নমনীয় অবস্থানের বিষয়ে পাকিস্তান সরকার কিংবা দেশটির সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে আইনি লড়াই ও হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়ার মাঝেই সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে বড় ধরনের আন্দোলনের ঘোষণা বহাল রেখেছে পিটিআই।

দলটির মূল দাবি, রাজনৈতিক কারণে বন্দি ইমরান খানকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে এবং একই সঙ্গে তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

সূত্র: রয়টার্স