ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ক্রীড়াঙ্গনের বর্ণাঢ্য অধ্যায় পেরিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় হাফিজ উদ্দিন আহমদ Logo বাকৃবির উদ্ভাবিত দেশের প্রথম জৈব ছত্রাকনাশক পিজি ট্রাইকোডার্মা, বাড়বে ফলন কমবে রাসায়নিকের ব্যবহার Logo তিন সরকার, এক রাষ্ট্রপতি: চুপ্পুর আসা-যাওয়ার গল্প! Logo মতিঝিল মেট্রোস্টেশনের নিচে বিস্ফোরণ Logo শ্রীমঙ্গলের ‘মেঘমালতী হোমস্টে’ রিসোর্টে স্বামী-স্ত্রীর গোপন ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবি; ভাইরাল হলে নাম বদলে ‘বেলাশেষে’! Logo রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন Logo ভিন্ন তিন সরকারের আমলে দায়িত্ব পালন করে অবশেষে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন Logo আইডিয়া কম্পিটিশন-২০২৬ এ দ্বিতীয় বাকৃবির শিক্ষার্থীরা Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষার্থীসহ অংশীজনদের নিয়ে পুষ্টি সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন Logo ভোক্তার আস্থা অর্জন এবং পণ্য ও সেবার মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে খাস ফুড।

‘মেট্রোরেলে অগ্নিসংযোগ’ ও ‘পুলিশ’ নিয়ে বক্তব্যে সমন্বয়ক হাসিবকে শোকজ

এক বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে ‘মেট্রোরেলে অগ্নিসংযোগ’ ও ‘পুলিশ’ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলামকে শোকজ করা হয়েছে।

রোববার (০৩ নভেম্বর) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসউদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ শোকজ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাসিব আল ইসলাম, (সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন) বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসি নিউজের ‘প্রযত্নে বাংলাদেশ’ নামক টকশোতে মেট্রোরেলে অগ্নিসংযোগ ও পুলিশ নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য প্রদান করেছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।

এতে আরও বলা হয়, হাসির আল ইসলামকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তার আপত্তিকর মন্তব্যের যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রদনের নির্দেশ দেওয়া হলো।

এর আগে, ২৬ অক্টোবর বেসরকারি টিভি টকশোতে কথা বলার সময় উপস্থাপিকা হাসিব আল ইসলামকে প্রশ্ন করেন, রাষ্ট্রপতির কাছে যখন শপথ নেওয়া হয়েছিল, তখন কী আপস হয়নি? এর উত্তরে হাসিব বলেন, দেখুন, তখন কিন্তু আপস হয়নি। আমরা কিন্তু বলিনি, আমাদের যে বিপ্লবটা, যে অভ্যুত্থানটি হয়েছে সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে তা শেষ হয়ে গেছে। আমাদের যে এক দফার ঘোষণা, সেই ঘোষণাপত্রে আমরা ফ্যাসিবাদের পতন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পুরোপুরি বিলোপসহ ৩টি বিষয় উল্লেখ করেছিলাম। তখন শুধু ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছিল। বাকি আরও দুটো, তার মানে আমাদের লড়াইটা শেষ হয়ে যায়নি। আমাদের বিপ্লবটা চলমান।

হাসিব আরও বলেন, আমরা এটাকে বিপ্লব বলছি বা গণঅভ্যুত্থান, যাই বলি না কেন, এটা কোনো সাংবিধানিক নিয়ম মেনে হয়নি, আইন মেনে হয়নি। আইন যদি মানতে যেতাম, তাহলে কিন্তু এই বিপ্লবগুলো হতো না। যদি মেট্রোরেলে আগুন না দেওয়া হতো, যদি পুলিশদের না মারা হতো তাহলে এই বিপ্লবটা এত সহজে অর্জিত হতো না। ফ্যাসিবাদের পতন নিশ্চিত করা যেত না। এখানে কিন্তু নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে, পৃথিবীর সকল বিপ্লবই সংবিধান বা নিয়মের বাইরে যেয়ে হয়েছে। এ কারণে আইনের বাইরে যেয়ে বা সাংবাধানিক পদ শূন্য হবে এরকম কথা বিপ্লব বা অভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে কতটা যৌক্তিক সেটা আমার কাছে মনে হচ্ছে না।

জনপ্রিয়

ক্রীড়াঙ্গনের বর্ণাঢ্য অধ্যায় পেরিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় হাফিজ উদ্দিন আহমদ

‘মেট্রোরেলে অগ্নিসংযোগ’ ও ‘পুলিশ’ নিয়ে বক্তব্যে সমন্বয়ক হাসিবকে শোকজ

প্রকাশিত ০৬:১৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪

এক বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে ‘মেট্রোরেলে অগ্নিসংযোগ’ ও ‘পুলিশ’ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলামকে শোকজ করা হয়েছে।

রোববার (০৩ নভেম্বর) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসউদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ শোকজ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাসিব আল ইসলাম, (সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন) বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসি নিউজের ‘প্রযত্নে বাংলাদেশ’ নামক টকশোতে মেট্রোরেলে অগ্নিসংযোগ ও পুলিশ নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য প্রদান করেছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।

এতে আরও বলা হয়, হাসির আল ইসলামকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তার আপত্তিকর মন্তব্যের যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রদনের নির্দেশ দেওয়া হলো।

এর আগে, ২৬ অক্টোবর বেসরকারি টিভি টকশোতে কথা বলার সময় উপস্থাপিকা হাসিব আল ইসলামকে প্রশ্ন করেন, রাষ্ট্রপতির কাছে যখন শপথ নেওয়া হয়েছিল, তখন কী আপস হয়নি? এর উত্তরে হাসিব বলেন, দেখুন, তখন কিন্তু আপস হয়নি। আমরা কিন্তু বলিনি, আমাদের যে বিপ্লবটা, যে অভ্যুত্থানটি হয়েছে সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে তা শেষ হয়ে গেছে। আমাদের যে এক দফার ঘোষণা, সেই ঘোষণাপত্রে আমরা ফ্যাসিবাদের পতন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পুরোপুরি বিলোপসহ ৩টি বিষয় উল্লেখ করেছিলাম। তখন শুধু ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছিল। বাকি আরও দুটো, তার মানে আমাদের লড়াইটা শেষ হয়ে যায়নি। আমাদের বিপ্লবটা চলমান।

হাসিব আরও বলেন, আমরা এটাকে বিপ্লব বলছি বা গণঅভ্যুত্থান, যাই বলি না কেন, এটা কোনো সাংবিধানিক নিয়ম মেনে হয়নি, আইন মেনে হয়নি। আইন যদি মানতে যেতাম, তাহলে কিন্তু এই বিপ্লবগুলো হতো না। যদি মেট্রোরেলে আগুন না দেওয়া হতো, যদি পুলিশদের না মারা হতো তাহলে এই বিপ্লবটা এত সহজে অর্জিত হতো না। ফ্যাসিবাদের পতন নিশ্চিত করা যেত না। এখানে কিন্তু নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে, পৃথিবীর সকল বিপ্লবই সংবিধান বা নিয়মের বাইরে যেয়ে হয়েছে। এ কারণে আইনের বাইরে যেয়ে বা সাংবাধানিক পদ শূন্য হবে এরকম কথা বিপ্লব বা অভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে কতটা যৌক্তিক সেটা আমার কাছে মনে হচ্ছে না।