ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তরুণীর সঙ্গে আপত্তির ভিডিও: ‘এমপি আজিজের ব্যাপারে কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নেবে’ Logo সুন্দরবনে মাছের মজুদ: বেড়েছে ৯ প্রজাতির, কমেছে ৬ Logo শ্রীমঙ্গলে সমাপ্তি ঘটল কবির-লালন ভাবসংগীত উৎসবের Logo ৬ উইকেট নিয়ে আইরিশ রেকর্ড ভারতীয় বংশোদ্ভূত পেসারের Logo ‘বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও মানবসম্পদ উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা’ Logo অস্ট্রেলিয়া সফর করল এআইইউবির প্রতিনিধি দল Logo চবির হীরকজয়ন্তী উদযাপনে রেজিস্ট্রেশন শুরু Logo ঢাকা-সৌদি রুটের ১৫৯ ফ্লাইট বাতিল, প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে Logo ব্র্যাক ব্যাংক-বিএইচএফ হকি ক্যাম্পে প্রশিক্ষণে ২৪ নারী গোলরক্ষক Logo রিকেলটন-মুল্ডারের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পর শেষ দিনের রোমাঞ্চের অপেক্ষা

শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন যে, তার অনুপস্থিতিতে দেশের বাইরে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন দলের জ্যেষ্ঠ প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল’-কে দেওয়া একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি মনে করেন, দলের বর্তমান জ্যেষ্ঠ নেতার হিসেবে শেখ সেলিমই এই গুরুদায়িত্ব পালনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত এবং যোগ্য ব্যক্তি।

ওই সাক্ষাৎকারে নিজের ছোটবোন শেখ রেহানা প্রসঙ্গেও কথা বলেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে, শেখ রেহানা কখনোই সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। দ্য ওয়ালের নির্বাহী সম্পাদক অমল সরকারের সঙ্গে আলাপকালে শেখ হাসিনা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নিজের দেশে ফেরার সম্ভাবনা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং দুই প্রতিবেশী দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।

দেশে ফেরার তীব্র আগ্রহ থাকলেও নিজের ও সহযোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন শেখ হাসিনা। তার দাবি, দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই তাকে প্রাণনাশের শিকার হতে হতে পারে। এছাড়া, যারা তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন, তাদের জীবনও চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। এই কারণে কাউকে কোনো ধরনের বিপদে ফেলতে চান না বলে জানান সাবেক এই নেত্রী।

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভারতের ভূমিকা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে দিল্লির অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করেন শেখ হাসিনা। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, কোনো ধরনের সামরিক জোটের ওপর নির্ভর না করে পারস্পরিক স্বার্থ এবং আঞ্চলিক বোঝাপড়া গড়ে তোলাই বেশি জরুরি। আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমেই ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সুদৃঢ় করা সম্ভব বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

জনপ্রিয়

তরুণীর সঙ্গে আপত্তির ভিডিও: ‘এমপি আজিজের ব্যাপারে কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নেবে’

শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম

প্রকাশিত ১১:০৩:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন যে, তার অনুপস্থিতিতে দেশের বাইরে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন দলের জ্যেষ্ঠ প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল’-কে দেওয়া একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি মনে করেন, দলের বর্তমান জ্যেষ্ঠ নেতার হিসেবে শেখ সেলিমই এই গুরুদায়িত্ব পালনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত এবং যোগ্য ব্যক্তি।

ওই সাক্ষাৎকারে নিজের ছোটবোন শেখ রেহানা প্রসঙ্গেও কথা বলেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে, শেখ রেহানা কখনোই সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। দ্য ওয়ালের নির্বাহী সম্পাদক অমল সরকারের সঙ্গে আলাপকালে শেখ হাসিনা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নিজের দেশে ফেরার সম্ভাবনা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং দুই প্রতিবেশী দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।

দেশে ফেরার তীব্র আগ্রহ থাকলেও নিজের ও সহযোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন শেখ হাসিনা। তার দাবি, দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই তাকে প্রাণনাশের শিকার হতে হতে পারে। এছাড়া, যারা তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন, তাদের জীবনও চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। এই কারণে কাউকে কোনো ধরনের বিপদে ফেলতে চান না বলে জানান সাবেক এই নেত্রী।

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভারতের ভূমিকা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে দিল্লির অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করেন শেখ হাসিনা। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্কের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, কোনো ধরনের সামরিক জোটের ওপর নির্ভর না করে পারস্পরিক স্বার্থ এবং আঞ্চলিক বোঝাপড়া গড়ে তোলাই বেশি জরুরি। আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমেই ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সুদৃঢ় করা সম্ভব বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।