ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মানসম্পন্ন ফিজিওথেরাপিস্ট তৈরির আহ্বান জানালেন অধ্যাপক ডা. জাহিদ Logo ‘১০ বছর পিছিয়ে গেছে পাকিস্তান ক্রিকেট!’ Logo লাইব্রেরির পাশে নামাজের জন্য নির্ধারিত স্থান চায় পাবিপ্রবি ছাত্রদল Logo সংসদীয় কমিটিতে মন্ত্রী-হুইপদের রাখা নিয়ে স্পিকারের উষ্মা Logo আবারও বাঁচালেন সেই বোলাররাই, স্বস্তির জয়ে সেমিতে বাংলাদেশ Logo হরমুজের প্রবেশমুখে আটক যুক্তরাষ্ট্রের ‘সাবমেরিন ড্রোন’ Logo ডাকসুর স্বাস্থ্য ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩ হাজার শিক্ষার্থী Logo সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে দ্বিতীয় দিন ৩২৭ কোটি টাকা তুললেন গ্রাহকরা Logo সরকারি চাকরির নিয়োগে দলীয়করণ-দুর্নীতি তৈরি করবে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধি Logo বোলারদের তোপে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ ভারত

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে দ্বিতীয় দিন ৩২৭ কোটি টাকা তুললেন গ্রাহকরা

কয়েকটি সমস্যাগ্রস্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান একীভূতকরণের মাধ্যমে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করেছেন গ্রাহকরা। ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট দিনে প্রায় আট হাজার গ্রাহক তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে শত শত কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের জমানো টাকা তুলতে না পেরে গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছিল এবং তারা বিভিন্ন সময় নানা ধরনের আন্দোলনও করেছিলেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত ব্যাংকটির আনুষ্ঠানিক তথ্যে জানানো হয়, অর্থ উত্তোলনের দ্বিতীয় কার্যদিবসে প্রায় ৭ হাজার ৮৯৬ জন গ্রাহক মোট ৩২৭ কোটি টাকা নগদ তুলে নিয়েছেন। একই দিনে আরও প্রায় ১২ হাজার গ্রাহক তাদের আমানতের ৩৩১ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য নতুন করে আবেদন করেছেন। সব মিলিয়ে প্রায় ১৯ হাজার গ্রাহক এক হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

এর আগে আর্থিক খাতের নীতিনির্ধারক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে আমানতকারীদের নিজ নিজ প্রয়োজন অনুযায়ী মূল টাকা তোলার সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সেই ঘোষণার পর ব্যাংকটির পক্ষ থেকে গ্রাহকদের আবেদন গ্রহণ শুরু হয় এবং যাচাই-বাছাই শেষে অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়। গ্রাহকদের মাঝে স্বস্তি ফেরাতে এবং এই অর্থ প্রদান কার্যক্রম সহজ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ইতোমধ্যে বড় অঙ্কের তহবিল সরবরাহ করা হয়েছে।

ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যারা টাকা তোলার জন্য আবেদন করেছেন তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট শাখায় এসে অর্থ সংগ্রহের অনুরোধ জানানো হচ্ছে। তবে আবেদন করলেও অনেক গ্রাহক এখনো শাখায় উপস্থিত হয়ে টাকা তোলেননি, যার পেছনে ব্যাংকটির প্রতি নতুন করে আস্থা ফিরে আসার বিষয়টি কাজ করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ধীরে ধীরে এই প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীল করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ব্যাংকটির কর্মকর্তারা।

জনপ্রিয়

মানসম্পন্ন ফিজিওথেরাপিস্ট তৈরির আহ্বান জানালেন অধ্যাপক ডা. জাহিদ

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে দ্বিতীয় দিন ৩২৭ কোটি টাকা তুললেন গ্রাহকরা

প্রকাশিত ০১:৩২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কয়েকটি সমস্যাগ্রস্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান একীভূতকরণের মাধ্যমে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করেছেন গ্রাহকরা। ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট দিনে প্রায় আট হাজার গ্রাহক তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে শত শত কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের জমানো টাকা তুলতে না পেরে গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছিল এবং তারা বিভিন্ন সময় নানা ধরনের আন্দোলনও করেছিলেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত ব্যাংকটির আনুষ্ঠানিক তথ্যে জানানো হয়, অর্থ উত্তোলনের দ্বিতীয় কার্যদিবসে প্রায় ৭ হাজার ৮৯৬ জন গ্রাহক মোট ৩২৭ কোটি টাকা নগদ তুলে নিয়েছেন। একই দিনে আরও প্রায় ১২ হাজার গ্রাহক তাদের আমানতের ৩৩১ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য নতুন করে আবেদন করেছেন। সব মিলিয়ে প্রায় ১৯ হাজার গ্রাহক এক হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

এর আগে আর্থিক খাতের নীতিনির্ধারক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে আমানতকারীদের নিজ নিজ প্রয়োজন অনুযায়ী মূল টাকা তোলার সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সেই ঘোষণার পর ব্যাংকটির পক্ষ থেকে গ্রাহকদের আবেদন গ্রহণ শুরু হয় এবং যাচাই-বাছাই শেষে অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়। গ্রাহকদের মাঝে স্বস্তি ফেরাতে এবং এই অর্থ প্রদান কার্যক্রম সহজ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ইতোমধ্যে বড় অঙ্কের তহবিল সরবরাহ করা হয়েছে।

ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যারা টাকা তোলার জন্য আবেদন করেছেন তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট শাখায় এসে অর্থ সংগ্রহের অনুরোধ জানানো হচ্ছে। তবে আবেদন করলেও অনেক গ্রাহক এখনো শাখায় উপস্থিত হয়ে টাকা তোলেননি, যার পেছনে ব্যাংকটির প্রতি নতুন করে আস্থা ফিরে আসার বিষয়টি কাজ করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ধীরে ধীরে এই প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীল করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ব্যাংকটির কর্মকর্তারা।