ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo হাজতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের ভিডিও ভাইরাল, এসআই প্রত্যাহার Logo বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গড়ে তোলার নির্দেশ কিমের Logo রুশ বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ সহজ করতে চান মিয়া সাত্তার Logo ‘এমন বডিবিল্ডার বাবা ঘরে ঘরে হোক’ Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে রাষ্ট্রদূতকে ফেরানো ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’: শামা ওবায়েদ Logo ফোল্ডএবল আইফোন ঘিরে ক্রেতার ভিড়, মিলছে না সহজে Logo ‘অভিযোগ না পেলেও চাঁদাবাজির মামলা করতে পারবে পুলিশ’ Logo রাস্তা-ফুটপাতে অবৈধ দোকান বসালেই মামলা ও মালামাল ক্রোক: ডিএসসিসি প্রশাসক Logo কমনওয়েলথ কাবাডিতে কানাডাকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ Logo বার্সেলোনার হয়ে রেয়ালের বিপক্ষে খেলতে উন্মুখ জেসুস

ব্যাংক ঋণের জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ

ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং ঋণের বিপরীতে দেওয়া জামানতের সঠিক মূল্য নির্ধারণে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর জন্য ১৩১টি অনুমোদিত জামানত মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ব্যাংকিং খাতের কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করার উদ্দেশ্যে এই তালিকাটি প্রকাশ করা হয়, যার মাধ্যমে ব্যাংকগুলো এখন থেকে গ্রাহকদের বন্ধকী সম্পত্তির যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে পারবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে প্রকাশিত এই সার্কুলার অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে জারি করা একটি বিশেষ নীতিমালা এবং তা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা যাচাই করা হয়েছে। পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শেষে ১৩১টি প্রতিষ্ঠানকে এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুটি ভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৯৮টি প্রতিষ্ঠানকে ‘ক’ গ্রুপ এবং বাকি ৩৩টি প্রতিষ্ঠানকে ‘খ’ গ্রুপে স্থান দেওয়া হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশনার ফলে ব্যাংকগুলো তাদের বর্তমান বা ভবিষ্যৎ যেকোনো ঋণের বিপরীতে নেওয়া জামানত বা সম্পত্তির সঠিক আর্থিক মূল্য যাচাইয়ের জন্য এই তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নিতে পারবে। তবে কেবল তালিকাভুক্ত করলেই দায়িত্ব শেষ হচ্ছে না, বরং জামানত মূল্যায়ন সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য নির্দেশিকাগুলোও ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, এই তালিকাভুক্তির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছর। নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে ছয় মাস আগেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করতে হবে। এছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত শর্ত বা নীতিমালা লঙ্ঘন করে, তবে তিন বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার একচ্ছত্র ক্ষমতা সংরক্ষণ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি বছরের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে তাদের বার্ষিক প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে বাধ্যতামূলকভাবে জমা দিতে হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিশেষ ধারার ক্ষমতাবলে জারিকৃত এই নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে, যা দেশের আর্থিক খাতের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

হাজতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের ভিডিও ভাইরাল, এসআই প্রত্যাহার

ব্যাংক ঋণের জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ

প্রকাশিত ০৬:৪০:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং ঋণের বিপরীতে দেওয়া জামানতের সঠিক মূল্য নির্ধারণে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর জন্য ১৩১টি অনুমোদিত জামানত মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ব্যাংকিং খাতের কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করার উদ্দেশ্যে এই তালিকাটি প্রকাশ করা হয়, যার মাধ্যমে ব্যাংকগুলো এখন থেকে গ্রাহকদের বন্ধকী সম্পত্তির যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে পারবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে প্রকাশিত এই সার্কুলার অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে জারি করা একটি বিশেষ নীতিমালা এবং তা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা যাচাই করা হয়েছে। পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শেষে ১৩১টি প্রতিষ্ঠানকে এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুটি ভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৯৮টি প্রতিষ্ঠানকে ‘ক’ গ্রুপ এবং বাকি ৩৩টি প্রতিষ্ঠানকে ‘খ’ গ্রুপে স্থান দেওয়া হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশনার ফলে ব্যাংকগুলো তাদের বর্তমান বা ভবিষ্যৎ যেকোনো ঋণের বিপরীতে নেওয়া জামানত বা সম্পত্তির সঠিক আর্থিক মূল্য যাচাইয়ের জন্য এই তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নিতে পারবে। তবে কেবল তালিকাভুক্ত করলেই দায়িত্ব শেষ হচ্ছে না, বরং জামানত মূল্যায়ন সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য নির্দেশিকাগুলোও ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, এই তালিকাভুক্তির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছর। নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার কমপক্ষে ছয় মাস আগেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করতে হবে। এছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত শর্ত বা নীতিমালা লঙ্ঘন করে, তবে তিন বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার একচ্ছত্র ক্ষমতা সংরক্ষণ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি বছরের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে তাদের বার্ষিক প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে বাধ্যতামূলকভাবে জমা দিতে হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিশেষ ধারার ক্ষমতাবলে জারিকৃত এই নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে, যা দেশের আর্থিক খাতের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।