ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ধর্মীয় নেতা, সেবাকর্মীদের রাষ্ট্রীয় সম্মানীতে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ধর্মমন্ত্রী Logo চবির সনদ সেবা এখন অনলাইনে Logo লং মার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হলে আমরাই আগে করতাম: প্রধানমন্ত্রী Logo বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে: প্রধানমন্ত্রী Logo রাষ্ট্রীয় সম্পদের কৌশলগত ব্যবস্থাপনায় খসড়া নীতিমালায় মতামত আহ্বান Logo গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু Logo ‘দৃশ্যম থ্রি’ ট্রেলারে অজয়-তাবুর ‘কেমিস্ট্রি’ Logo সীমান্তে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশিদের ৪টি নৌকা নিয়ে গেছে বিএসএফ Logo ‘না’ ভোটের বদলে ‘হ্যাঁ’ জয়ী ঘোষণা! ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ ডেপুটি স্পিকারের Logo বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরল ৪৭ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে, যার সর্বশেষ প্রমাণ পাওয়া গেছে সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে। চলতি বছর এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় আটচল্লিশ হাজার চারশ ত্রিশ জনে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এডিস মশাবাহিত এই রোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় জনস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সতর্ক না করলে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কেবল ২৪ ঘণ্টার নির্দিষ্ট একটি সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ছয়জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছর ডেঙ্গুতে প্রাণহানির মোট সংখ্যা আরও এক ধাপ বৃদ্ধি পেল, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলছে। দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীদের যথাযথ সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তবে মৃত্যুর এই ক্রমবর্ধমান হার মোকাবিলায় শুধুমাত্র চিকিৎসালয় নয়, বরং সামাজিক সচেতনতার ওপরও সমান জোর দেওয়া হচ্ছে।

পরিসংখ্যান বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে একদিনের ব্যবধানেই নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার চারশ বিরানব্বই জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্ষা মৌসুমের এই সময়ে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার বেড়ে যাওয়ায় রোগীর এই ধল নামে হাসপাতালের শয্যা সংখ্যাও সীমিত হয়ে পড়ছে। অনেক হাসপাতালে রোগীর অতিরিক্ত চাপের কারণে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও সিটি কর্পোরেশনগুলোর পক্ষ থেকে মশা নিধনে নিয়মিত ফগার মেশিন ও লার্ভিসাইড প্রয়োগের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিজ নিজ বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও যেন পানি জমে না থাকে তা নিশ্চিত করা। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এবং জ্বর দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

ধর্মীয় নেতা, সেবাকর্মীদের রাষ্ট্রীয় সম্মানীতে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ধর্মমন্ত্রী

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত ০২:১৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে, যার সর্বশেষ প্রমাণ পাওয়া গেছে সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে। চলতি বছর এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় আটচল্লিশ হাজার চারশ ত্রিশ জনে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এডিস মশাবাহিত এই রোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় জনস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সতর্ক না করলে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কেবল ২৪ ঘণ্টার নির্দিষ্ট একটি সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ছয়জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছর ডেঙ্গুতে প্রাণহানির মোট সংখ্যা আরও এক ধাপ বৃদ্ধি পেল, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলছে। দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীদের যথাযথ সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তবে মৃত্যুর এই ক্রমবর্ধমান হার মোকাবিলায় শুধুমাত্র চিকিৎসালয় নয়, বরং সামাজিক সচেতনতার ওপরও সমান জোর দেওয়া হচ্ছে।

পরিসংখ্যান বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে একদিনের ব্যবধানেই নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার চারশ বিরানব্বই জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্ষা মৌসুমের এই সময়ে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার বেড়ে যাওয়ায় রোগীর এই ধল নামে হাসপাতালের শয্যা সংখ্যাও সীমিত হয়ে পড়ছে। অনেক হাসপাতালে রোগীর অতিরিক্ত চাপের কারণে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও সিটি কর্পোরেশনগুলোর পক্ষ থেকে মশা নিধনে নিয়মিত ফগার মেশিন ও লার্ভিসাইড প্রয়োগের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিজ নিজ বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও যেন পানি জমে না থাকে তা নিশ্চিত করা। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এবং জ্বর দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হচ্ছে।