ঢাকা ০১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সংসদীয় যোগাযোগ বাড়াতে মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক Logo যে কারণে সাইবার পুলিশের দ্বারস্থ রাশমিকা-বিজয় Logo উখিয়ায় ২৪ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ২০০ মিটার এলাকা ঘেরার পরামর্শ Logo ‘ব্যলন দ’র ও ব্যক্তিগত ট্রফি অনেক জিতবে ইয়ামাল’ Logo মুশফিককে ছাড়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo কুবিতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের দাবি Logo যে কারণে মিরপুর টেস্টে নেই মুশফিক Logo নোবিপ্রবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ক্যারিয়ার সেমিনার Logo ‘যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকে নতুন রূপ দিচ্ছে ফিলিস্তিনপন্থি আন্দোলন’ Logo সার্বিয়া ও ব্রাজিলে নির্বাচনি বিজয় এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রশ্ন

হামে মৃত্যু হাজার ছাড়ালো

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে এবং এর উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলছে, সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত এক হাজার দুই জন প্রাণ হারিয়েছেন, যা দেশের সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য খাতে এক বড় ধরণের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মোট মৃত্যুর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন একশ জন। এর বাইরে বাকি নয়শ দুই জন রোগীর ক্ষেত্রে হামের উপসর্গ উপস্থিত ছিল। সাম্প্রতিক এক দিনেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন করে তিন শিশুর প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ঢাকা বিভাগে একজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুজন মারা গেছেন।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে হামের প্রাদুর্ভাব এবং এর কারণে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। এই অঞ্চলে নিশ্চিত হামে সর্বোচ্চ তেষট্টি জন এবং উপসর্গ নিয়ে চারশ চার জন মারা গেছে। এছাড়া সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মৃত্যুর রেকর্ড রয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। দেশের অন্যান্য বিভাগেও এই রোগের প্রকোপ কম-বেশি ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর ভিড় ক্রমাগত বাড়ছে।

রোগতাত্ত্বিক পরিসংখ্যানে আরও প্রকাশ পেয়েছে যে, দেশজুড়ে সন্দেহজনক হাম রোগীর মোট সংখ্যা এক লাখ সাতষট্টি হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রায় কুড়ি হাজার রোগীর শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বিপুল সংখ্যক রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করছেন।

জনপ্রিয়

সংসদীয় যোগাযোগ বাড়াতে মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

হামে মৃত্যু হাজার ছাড়ালো

প্রকাশিত ০৬:০২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে এবং এর উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলছে, সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত এক হাজার দুই জন প্রাণ হারিয়েছেন, যা দেশের সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য খাতে এক বড় ধরণের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মোট মৃত্যুর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন একশ জন। এর বাইরে বাকি নয়শ দুই জন রোগীর ক্ষেত্রে হামের উপসর্গ উপস্থিত ছিল। সাম্প্রতিক এক দিনেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন করে তিন শিশুর প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ঢাকা বিভাগে একজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুজন মারা গেছেন।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে হামের প্রাদুর্ভাব এবং এর কারণে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। এই অঞ্চলে নিশ্চিত হামে সর্বোচ্চ তেষট্টি জন এবং উপসর্গ নিয়ে চারশ চার জন মারা গেছে। এছাড়া সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মৃত্যুর রেকর্ড রয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। দেশের অন্যান্য বিভাগেও এই রোগের প্রকোপ কম-বেশি ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর ভিড় ক্রমাগত বাড়ছে।

রোগতাত্ত্বিক পরিসংখ্যানে আরও প্রকাশ পেয়েছে যে, দেশজুড়ে সন্দেহজনক হাম রোগীর মোট সংখ্যা এক লাখ সাতষট্টি হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রায় কুড়ি হাজার রোগীর শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বিপুল সংখ্যক রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করছেন।