ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তাহসিফের সঙ্গে থাকা তরুণী দিশা ৪ দিনের রিমান্ডে Logo ঢাকায় গাছের পরিমাণ কি যথেষ্ট? Logo ট্রাম্প প্রশাসন বোলসোনারোকে ব্রাজিল থেকে পালাতে সাহায্য করেনি: রুবিও Logo প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উঠুক শিক্ষার্থীরা Logo ‘রাজনীতির কচকচানি’ বাদ দিয়ে উন্নয়নের দিকে যেতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo দলের নীতিগত বিচ্যুতির অভিযোগ তুলে কুড়িগ্রামে এনসিপি নেতার পদত্যাগ Logo পরিযায়ী পাখিদের দিকভ্রান্তির কারণ অদ্ভুত এই ‘জেট ল্যাগ’ Logo প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রতি সহমর্মী হই Logo ট্রাইব্যুনালে ‘বস্তায় বস্তায় লেনদেনের’ মন্তব্য, এবি পার্টির ফুয়াদকে তলব Logo উত্তরার বারে তাহসিফের সঙ্গে দেখা যাওয়া তরুণী গ্রেপ্তার

আসিফের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নী‌তিসহ ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বড় ধরনের আর্থিক দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে দাবি করা হচ্ছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিজের অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন অবৈধ সুবিধা আদায় করেছেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে।

অভিযোগের তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন খাত থেকে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন এই সাবেক কর্মকর্তা। দুবাই ও সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে এই বিশাল অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্যাংকিং চ্যানেল এবং হুন্ডির মাধ্যমে অত্যন্ত সুকৌশলে এই অর্থ দেশের বাইরে পাচার করা হয় বলে অভিযোগের বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একজন দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরনের আর্থিক অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠায় সচেতন মহলে গভীর প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় এত বড় অংকের অর্থ দেশের সীমান্ত পেরিয়ে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং এর পেছনে প্রকৃত হোতাদের খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দৃষ্টি দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত এই বিশাল সম্পদ পুনরুদ্ধার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জোরালো হচ্ছে। দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষায় এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

জনপ্রিয়

তাহসিফের সঙ্গে থাকা তরুণী দিশা ৪ দিনের রিমান্ডে

আসিফের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নী‌তিসহ ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ

প্রকাশিত ০৮:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বড় ধরনের আর্থিক দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে দাবি করা হচ্ছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিজের অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন অবৈধ সুবিধা আদায় করেছেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে।

অভিযোগের তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন খাত থেকে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন এই সাবেক কর্মকর্তা। দুবাই ও সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে এই বিশাল অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্যাংকিং চ্যানেল এবং হুন্ডির মাধ্যমে অত্যন্ত সুকৌশলে এই অর্থ দেশের বাইরে পাচার করা হয় বলে অভিযোগের বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একজন দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরনের আর্থিক অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠায় সচেতন মহলে গভীর প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় এত বড় অংকের অর্থ দেশের সীমান্ত পেরিয়ে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং এর পেছনে প্রকৃত হোতাদের খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দৃষ্টি দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত এই বিশাল সম্পদ পুনরুদ্ধার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জোরালো হচ্ছে। দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষায় এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।