ঢাকা ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

নিকলীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ, উপভোগ করলেন হাজারো মানুষ

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় সম্প্রতি গ্রামীণ ঐতিহ্যের এক অভূতপূর্ব উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবহমান বাংলার শাশ্বত সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে ঘোড়াউত্রা নদীতে আয়োজন করা হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী এই নৌকাবাইচের। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

প্রতিযোগিতা চলাকালে ঘোড়াউত্রা নদীর দুই তীরে হাজার হাজার দর্শক সমবেত হন। সুসজ্জিত নৌকাগুলো নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিযোগীরা নদীতে অংশ নেন। বৈঠার হ্রেদস্পন্দিত ছন্দ, আর মাঝি-মাল্লাদের সমস্বরে গাওয়া সারি গানের সুরে মুখরিত হয়ে ওঠে নদীর আশপাশ। অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই উপস্থিত দর্শকদের মাঝে দারুণ উত্তেজনার সৃষ্টি করে।

নৌকাবাইচের মতো প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই গ্রামীণ খেলা উপভোগ করতে কিশোরগঞ্জ ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নানা বয়সের মানুষ ভিড় জমান। নদী তীরবর্তী ঘাট, গাছ এবং নৌকার ওপরে দাঁড়িয়ে দর্শকরা এই আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতাটি উপভোগ করেন। উৎসবের এই আনন্দঘন মুহূর্তগুলো স্থানীয়দের মাঝে অন্যরকম এক উদ্দীপনা ছড়িয়ে দেয়।

আয়োজকরা জানান, গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বাঁচিয়ে রাখতে এবং মানুষের মনে বিনোদন জোগাতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন কেবল গ্রামীণ ঐতিহ্যকেই সমৃদ্ধ করে না, বরং এলাকার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

জনপ্রিয়

ভিয়ারেয়ালকে গোলবন্যায় ভাসাল পিএসজি

নিকলীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ, উপভোগ করলেন হাজারো মানুষ

প্রকাশিত ০১:১৬:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় সম্প্রতি গ্রামীণ ঐতিহ্যের এক অভূতপূর্ব উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবহমান বাংলার শাশ্বত সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে ঘোড়াউত্রা নদীতে আয়োজন করা হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী এই নৌকাবাইচের। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

প্রতিযোগিতা চলাকালে ঘোড়াউত্রা নদীর দুই তীরে হাজার হাজার দর্শক সমবেত হন। সুসজ্জিত নৌকাগুলো নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিযোগীরা নদীতে অংশ নেন। বৈঠার হ্রেদস্পন্দিত ছন্দ, আর মাঝি-মাল্লাদের সমস্বরে গাওয়া সারি গানের সুরে মুখরিত হয়ে ওঠে নদীর আশপাশ। অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই উপস্থিত দর্শকদের মাঝে দারুণ উত্তেজনার সৃষ্টি করে।

নৌকাবাইচের মতো প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই গ্রামীণ খেলা উপভোগ করতে কিশোরগঞ্জ ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নানা বয়সের মানুষ ভিড় জমান। নদী তীরবর্তী ঘাট, গাছ এবং নৌকার ওপরে দাঁড়িয়ে দর্শকরা এই আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতাটি উপভোগ করেন। উৎসবের এই আনন্দঘন মুহূর্তগুলো স্থানীয়দের মাঝে অন্যরকম এক উদ্দীপনা ছড়িয়ে দেয়।

আয়োজকরা জানান, গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বাঁচিয়ে রাখতে এবং মানুষের মনে বিনোদন জোগাতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন কেবল গ্রামীণ ঐতিহ্যকেই সমৃদ্ধ করে না, বরং এলাকার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।