ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার ‘ভারতীয় নাগরিক’ রবিউল ৪ দিনের রিমান্ডে

রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে সন্দেহজনক গতিবিধি ও সাম্প্রতিক নাশকতার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। সম্প্রতি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা এই রিমান্ড আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিজেকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে দাবি করা এই ব্যক্তিকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের রমনা বিভাগের অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার দল উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রবিউল ইসলামকে আটক করে। গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে তাঁর সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছিল। কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আসামিকে এজলাসে হাজির করা হয়। আদালতের শুনানিকালে কিছু আইনি জটিলতা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত বিচারক ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয় যে গত কয়েকদিন আগে ডিবির একটি সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে তাঁকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিনি নির্দিষ্ট একটি তারিখে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছিলেন এবং এখানকার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। তবে তাঁর পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গে জন্মতারিখসহ অন্যান্য নথিপত্রের বেশ কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। তিনি অতীতে বহুবার বাংলাদেশে আসা-যাওয়া করলেও সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ দেখাতে পারেননি।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই ব্যক্তি নিজের পরিচয়পত্র ও ভারতীয় পাসপোর্টের কপি দেখালেও সেগুলোর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তিনি একেক সময় একেক ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করায় তদন্তকারীরা তাঁর উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দিহান। ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর কোনো সংযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আদালতে হাজির করার সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম। তিনি দাবি করেন যে তাঁর অনেক আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধব বাংলাদেশে বসবাস করেন এবং তিনি ব্যবসার কাজে এখানে এসেছেন। নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে তিনি বলেন যে তাঁকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট কি না, সে বিষয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কিন্তু তিনি এসবের সঙ্গে জড়িত নন।

জনপ্রিয়

ক্ষুধার তাড়নায় মিষ্টি কেড়ে খেয়েছিলেন নুর, গণপিটুনির পর আদালতে জরিমানা দিয়ে মুক্তি

উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার ‘ভারতীয় নাগরিক’ রবিউল ৪ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশিত ১০:৪৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে সন্দেহজনক গতিবিধি ও সাম্প্রতিক নাশকতার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। সম্প্রতি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা এই রিমান্ড আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিজেকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে দাবি করা এই ব্যক্তিকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের রমনা বিভাগের অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার দল উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রবিউল ইসলামকে আটক করে। গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে তাঁর সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছিল। কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আসামিকে এজলাসে হাজির করা হয়। আদালতের শুনানিকালে কিছু আইনি জটিলতা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত বিচারক ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয় যে গত কয়েকদিন আগে ডিবির একটি সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে তাঁকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, তিনি নির্দিষ্ট একটি তারিখে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছিলেন এবং এখানকার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। তবে তাঁর পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গে জন্মতারিখসহ অন্যান্য নথিপত্রের বেশ কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। তিনি অতীতে বহুবার বাংলাদেশে আসা-যাওয়া করলেও সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ দেখাতে পারেননি।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই ব্যক্তি নিজের পরিচয়পত্র ও ভারতীয় পাসপোর্টের কপি দেখালেও সেগুলোর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তিনি একেক সময় একেক ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করায় তদন্তকারীরা তাঁর উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দিহান। ঢাকা মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর কোনো সংযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আদালতে হাজির করার সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম। তিনি দাবি করেন যে তাঁর অনেক আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধব বাংলাদেশে বসবাস করেন এবং তিনি ব্যবসার কাজে এখানে এসেছেন। নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে তিনি বলেন যে তাঁকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট কি না, সে বিষয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কিন্তু তিনি এসবের সঙ্গে জড়িত নন।