ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সে চাকরির সুযোগ Logo দুই দিনে সাতজনকে হত্যা, মণিপুরে কুকি ও নাগা গোষ্ঠীর মধ্যে সহিংসতা বাড়ছে কেন? Logo অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে দোকানে ঢুকে পড়ল ট্রাক, নিহত ৪ Logo খুঁটিতে বাঁধা বাবাকে চা-রুটি খাওয়ানো সেই শিশুর পড়াশোনার দায়িত্ব নিল প্রশাসন Logo সর্বকালের সর্বনিম্নে ইরানি মুদ্রার মান, ১ ডলারে ২৪ লাখ রিয়াল Logo হাসিনাকে ‘শুভ জন্মদিন আপা’ লিখে বহিষ্কার, ছাত্রশক্তি নেতাকে পুলিশে সোপর্দ Logo এবার ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট Logo প্রবাসী প্রতিবেশীর সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ে দিলেন নিজেই, পরে মিলল ঝুলন্ত মরদেহ Logo মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নিহত ৫, তিন ভাইবোনের পর বাবার লাশ উদ্ধার Logo একদিনে হাম উপসর্গে আরো ৩ জনের মৃত্যু; আক্রান্ত ১৩১০

স্কুলের শিক্ষক খুঁজে পেলেন বিরল টি–রেক্সের পায়ের ছাপ

যুক্তরাজ্যের এক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাধারণ এক ভ্রমণে বেরিয়ে প্রকৃতির বুকে এক অবিশ্বাস্য ও ঐতিহাসিক আবিষ্কার করেছেন। সম্প্রতি হেঁটে বেড়ানোর সময় তিনি এমন একটি অদ্ভুত চিহ্ন দেখতে পান, যা সাধারণ কোনো পাথরের গঠন বা দাগ ছিল না। দীর্ঘক্ষণ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করার পর তিনি বুঝতে পারেন যে এটি মূলত প্রাগৈতিহাসিক আমলের কোনো ভয়ংকর প্রাণীর পায়ের ছাপ। এই আবিষ্কারকে ঘিরে paleontologist বা জীবাশ্মবিদদের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

ওই শিক্ষক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে বলেন, পায়ের ছাপটি প্রথম দেখার পর তার মনে তীব্র সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি ভাবতেই পারেননি যে আধুনিক যুগে এমন নিখুঁত ও সংরক্ষিত কোনো নিদর্শন নিজ চোখে দেখা সম্ভব। ছাপটির সত্যতা সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাকে বেশ কিছুক্ষণ অপলক তাকিয়ে থাকতে হয়েছিল। প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর এই উপস্থিতি বর্তমান যুগে খুঁজে পাওয়া সত্যিই এক রোমাঞ্চকর ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এই পায়ের ছাপটি আসলে বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর ও শক্তিশালী শিকারী ডায়নোসর টাইরানোসরাস রেক্স বা টি-রেক্সের। কোটি কোটি বছর আগে এই অঞ্চলে যে ডাইনোসরের অবাধ বিচরণ ছিল, এই আবিষ্কার তারই জোরালো প্রমাণ বহন করে। ভূ-প্রাকৃতিক পরিবর্তন ও ক্ষয়ের কারণে সাধারণত এ ধরনের জীবাশ্ম সহজে অক্ষত থাকে না। তবে অনুকূল পরিবেশের কারণে এই পায়ের ছাপটি দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পেরেছে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

এই বিরল আবিষ্কারের পর সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে দারুণ উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। বিজ্ঞানীরাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছাপটির সঠিক বয়স ও বৈশিষ্ট্য নির্ণয়ের কাজ শুরু করেছেন। এই ঘটনার ফলে ওই অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব আন্তর্জাতিক মহলে আরও বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সে চাকরির সুযোগ

স্কুলের শিক্ষক খুঁজে পেলেন বিরল টি–রেক্সের পায়ের ছাপ

প্রকাশিত ০৭:১৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাজ্যের এক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাধারণ এক ভ্রমণে বেরিয়ে প্রকৃতির বুকে এক অবিশ্বাস্য ও ঐতিহাসিক আবিষ্কার করেছেন। সম্প্রতি হেঁটে বেড়ানোর সময় তিনি এমন একটি অদ্ভুত চিহ্ন দেখতে পান, যা সাধারণ কোনো পাথরের গঠন বা দাগ ছিল না। দীর্ঘক্ষণ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করার পর তিনি বুঝতে পারেন যে এটি মূলত প্রাগৈতিহাসিক আমলের কোনো ভয়ংকর প্রাণীর পায়ের ছাপ। এই আবিষ্কারকে ঘিরে paleontologist বা জীবাশ্মবিদদের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

ওই শিক্ষক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে বলেন, পায়ের ছাপটি প্রথম দেখার পর তার মনে তীব্র সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি ভাবতেই পারেননি যে আধুনিক যুগে এমন নিখুঁত ও সংরক্ষিত কোনো নিদর্শন নিজ চোখে দেখা সম্ভব। ছাপটির সত্যতা সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাকে বেশ কিছুক্ষণ অপলক তাকিয়ে থাকতে হয়েছিল। প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর এই উপস্থিতি বর্তমান যুগে খুঁজে পাওয়া সত্যিই এক রোমাঞ্চকর ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এই পায়ের ছাপটি আসলে বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর ও শক্তিশালী শিকারী ডায়নোসর টাইরানোসরাস রেক্স বা টি-রেক্সের। কোটি কোটি বছর আগে এই অঞ্চলে যে ডাইনোসরের অবাধ বিচরণ ছিল, এই আবিষ্কার তারই জোরালো প্রমাণ বহন করে। ভূ-প্রাকৃতিক পরিবর্তন ও ক্ষয়ের কারণে সাধারণত এ ধরনের জীবাশ্ম সহজে অক্ষত থাকে না। তবে অনুকূল পরিবেশের কারণে এই পায়ের ছাপটি দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পেরেছে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

এই বিরল আবিষ্কারের পর সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে দারুণ উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। বিজ্ঞানীরাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছাপটির সঠিক বয়স ও বৈশিষ্ট্য নির্ণয়ের কাজ শুরু করেছেন। এই ঘটনার ফলে ওই অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব আন্তর্জাতিক মহলে আরও বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।