ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ, আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা

সার্বিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে এক বড় ধরণের পটপরিবর্তন ঘটেছে। সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ এবং দেশের তরুণ সমাজের দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ। দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে সোচ্চার ছিল সার্বিয়ার শিক্ষার্থীরা।

চলতি সংকটের সূত্রপাত হয়েছিল মূলত রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে দুর্নীতির নানা অনিয়ম প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই। এর জেরে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ এবং শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে এই বিক্ষোভ কেবল রাজধানী বেলগ্রেডেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং দেশজুড়ে এক বিশাল গণআন্দোলনের রূপ নেয়।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি ছিল রাষ্ট্রযন্ত্রকে দুর্নীতিমুক্ত করা এবং বর্তমান প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। শিক্ষার্থীদের এই সাহসী ভূমিকা দেশের সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া ফেলে। ক্রমবর্ধমান জনরোষ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হলেন শীর্ষ এই নেতা।

প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের পর সার্বিয়ায় এখন নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ ও আগাম নির্বাচনের জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশটিতে গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত নতুন নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা হতে পারে। সার্বিয়ার এই রাজনৈতিক পালাবদল আন্তর্জাতিক মহলেরও নজর কেড়েছে।

জনপ্রিয়

আবারও কমল সোনা-রুপার দাম, এবার ভরি কত

ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ, আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা

প্রকাশিত ০৯:৪৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সার্বিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে এক বড় ধরণের পটপরিবর্তন ঘটেছে। সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ এবং দেশের তরুণ সমাজের দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ। দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে সোচ্চার ছিল সার্বিয়ার শিক্ষার্থীরা।

চলতি সংকটের সূত্রপাত হয়েছিল মূলত রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে দুর্নীতির নানা অনিয়ম প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই। এর জেরে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ এবং শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে এই বিক্ষোভ কেবল রাজধানী বেলগ্রেডেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং দেশজুড়ে এক বিশাল গণআন্দোলনের রূপ নেয়।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি ছিল রাষ্ট্রযন্ত্রকে দুর্নীতিমুক্ত করা এবং বর্তমান প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। শিক্ষার্থীদের এই সাহসী ভূমিকা দেশের সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া ফেলে। ক্রমবর্ধমান জনরোষ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হলেন শীর্ষ এই নেতা।

প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের পর সার্বিয়ায় এখন নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ ও আগাম নির্বাচনের জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশটিতে গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত নতুন নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা হতে পারে। সার্বিয়ার এই রাজনৈতিক পালাবদল আন্তর্জাতিক মহলেরও নজর কেড়েছে।