ঢাকা ০৬:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটবল উন্মাদনায় দেশের বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে শাওমি স্মার্ট টিভি Logo এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াচ্ছে টিকটক Logo পাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে উল্লাস-শামীম Logo পাবিপ্রবিতে গবেষনায় জোর দিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বছরে ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকার প্রণোদনা Logo হাবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে ৪ দফা দাবি ছাত্রদলের Logo কুকুর ব্যবস্থাপনায় ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচি হাতে নিচ্ছে হাবিপ্রবি প্রশাসন Logo পরীক্ষা শুরুর পৌনে ২ ঘণ্টা পর জানা গেল প্রশ্ন গতবছরের! Logo ২১ বছর নিখোঁজ থাকার পর জীবিত ফিরলেন রতন! ওদিকে মারা গেছেন বাবা Logo ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্ট’- এ রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট Logo প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন

নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদের জন্মবার্ষিকী আজ

মহারাজ তিনি। লেখক নন কেবল, স্বপ্নবান। যাপন যেন উৎসবের হয়, সেটাই ছিল তার আরাধ্য পথ। লিখেছেন তিনি, বুদ হয়েছেন পাঠক। এখনো তিনি আছেন গান-নাটক আর হিমু-রুপাদের সংলাপে-সংগীতে। জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক-লেখক হুমায়ূন আহমেদের আজ বুধবার (১৩ নভেম্বর) ৭৬তম জন্মবার্ষিকী।

তিনি ছিলেন জীবন ও জগতকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানো এক স্বপ্নচারী জাদুকর। শুধু নিজে স্বপ্ন দেখেননি সেই সঙ্গে একটি জাতি কিংবা পুরো প্রজন্মের স্বপ্নের কান্ডারী হয়ে আছেন।

তার অমিয় গদ্য রসে বুঁদ হয়ে পুরো সমাজ হয়েছে পাঠমুখি। শব্দ মালার গাথুনীতে মন্ত্রমুগ্ধ করেছেন হাজারো হিমু-রূপাকে। তাইতো আজও নীল শাড়ি পরে কোনো এক রূপার অনন্ত অপেক্ষার নাম হুমায়ূন আহমেদ।

হুমায়ূন আহমেদ শুধু তার লেখনি দিয়ে মুগ্ধ করেই নিজের দায় সারেননি, নিজের কাধেঁ টেনে নিয়েছিলেন পুরো প্রকাশনা শিল্পকে। তার হাত ধরে শুধু পাঠক তৈরি হয়নি বরং লেখক প্রকাশকদের ভরসার নাম হয়ে এখনো দাঁড়িয়ে আছেন হুমায়ূন আহমেদ।কোনো এক জোছনা রাতে ৭/৫ না ভেবেই তুলে নিয়েছিলেন কলম, লিখেছিলেন নন্দিত নরকে, আর এর পরের গল্পটা কেবলই বিজয়ের, কেবলই নন্দনের। তার গদ্য, পদ্য বা নির্মাণ, তা সে ছোট পর্দায়ই হোক বা বড় পর্দায়, একজন পাঠক বা দর্শককে দিয়েছে কেবলই মুগ্ধতা। আজও ইতিহাস, ঐতিহ্য বা যেকোনো নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রাধান্য পায় হুমায়ূন আহমেদের গল্প।তিনি ছিলেন একজন ম্যাজিশিয়ান। সব বয়সীদের মনের খোরাক লিপীবদ্ধ করেছেন সাদা কাগজে। মানুষের মনের অলিন্দে গভীরভাবে নাড়া দিয়ে গেছেন। তাই তো, একজন হুমায়ূন বেচে আছেন বৃষ্টিস্নাত ভোরে, জোছনা রাতের চাঁদের আলোয়, আর লাখো পাঠকের মনের মণিকোঠায়।১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে তার জন্ম। তার ডাকনাম ছিল কাজল। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে তার শরীরে মারণব্যাধি ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর উন্নত চিকিৎসা নিতে তিনি চলে যান যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।

সেখানে প্রথমে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠলেও পরে আবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। শেষে ২০১২ সালের ১৬ জুলাই তাকে নেয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। সে অবস্থায়ই ১৯ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে হুমায়ূন আহমেদ শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জনপ্রিয়

ফুটবল উন্মাদনায় দেশের বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে শাওমি স্মার্ট টিভি

নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদের জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত ০৮:১৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪

মহারাজ তিনি। লেখক নন কেবল, স্বপ্নবান। যাপন যেন উৎসবের হয়, সেটাই ছিল তার আরাধ্য পথ। লিখেছেন তিনি, বুদ হয়েছেন পাঠক। এখনো তিনি আছেন গান-নাটক আর হিমু-রুপাদের সংলাপে-সংগীতে। জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক-লেখক হুমায়ূন আহমেদের আজ বুধবার (১৩ নভেম্বর) ৭৬তম জন্মবার্ষিকী।

তিনি ছিলেন জীবন ও জগতকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানো এক স্বপ্নচারী জাদুকর। শুধু নিজে স্বপ্ন দেখেননি সেই সঙ্গে একটি জাতি কিংবা পুরো প্রজন্মের স্বপ্নের কান্ডারী হয়ে আছেন।

তার অমিয় গদ্য রসে বুঁদ হয়ে পুরো সমাজ হয়েছে পাঠমুখি। শব্দ মালার গাথুনীতে মন্ত্রমুগ্ধ করেছেন হাজারো হিমু-রূপাকে। তাইতো আজও নীল শাড়ি পরে কোনো এক রূপার অনন্ত অপেক্ষার নাম হুমায়ূন আহমেদ।

হুমায়ূন আহমেদ শুধু তার লেখনি দিয়ে মুগ্ধ করেই নিজের দায় সারেননি, নিজের কাধেঁ টেনে নিয়েছিলেন পুরো প্রকাশনা শিল্পকে। তার হাত ধরে শুধু পাঠক তৈরি হয়নি বরং লেখক প্রকাশকদের ভরসার নাম হয়ে এখনো দাঁড়িয়ে আছেন হুমায়ূন আহমেদ।কোনো এক জোছনা রাতে ৭/৫ না ভেবেই তুলে নিয়েছিলেন কলম, লিখেছিলেন নন্দিত নরকে, আর এর পরের গল্পটা কেবলই বিজয়ের, কেবলই নন্দনের। তার গদ্য, পদ্য বা নির্মাণ, তা সে ছোট পর্দায়ই হোক বা বড় পর্দায়, একজন পাঠক বা দর্শককে দিয়েছে কেবলই মুগ্ধতা। আজও ইতিহাস, ঐতিহ্য বা যেকোনো নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রাধান্য পায় হুমায়ূন আহমেদের গল্প।তিনি ছিলেন একজন ম্যাজিশিয়ান। সব বয়সীদের মনের খোরাক লিপীবদ্ধ করেছেন সাদা কাগজে। মানুষের মনের অলিন্দে গভীরভাবে নাড়া দিয়ে গেছেন। তাই তো, একজন হুমায়ূন বেচে আছেন বৃষ্টিস্নাত ভোরে, জোছনা রাতের চাঁদের আলোয়, আর লাখো পাঠকের মনের মণিকোঠায়।১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে তার জন্ম। তার ডাকনাম ছিল কাজল। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে তার শরীরে মারণব্যাধি ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর উন্নত চিকিৎসা নিতে তিনি চলে যান যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।

সেখানে প্রথমে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠলেও পরে আবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। শেষে ২০১২ সালের ১৬ জুলাই তাকে নেয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। সে অবস্থায়ই ১৯ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে হুমায়ূন আহমেদ শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।