ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ঘুম থেকে উঠে যে দোয়া পড়তেন মহানবী (সা.)

ধর্ম ডেস্ক: সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মহামানব হজরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর পুরো জীবন দিয়ে মানবজাতিকে সুন্দর চরিত্র গঠন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথ দেখিয়ে গেছেন। পবিত্র কোরআনের শিক্ষার বাস্তব প্রতিফলন ছিল তাঁর প্রতিটি কার্যক্রমে, যা মানুষকে সঠিক জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করে। প্রতিদিনের ঘুম থেকে ওঠার মতো সাধারণ একটি ঘটনাকেও মুমিন ব্যক্তি ইবাদত ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যমে শুরু করতে পারেন। এ জন্য মহানবী (সা.) ঘুম থেকে জেগে ওঠার পর বিশেষ কিছু দোয়া পড়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

ঘুম মূলত মহান আল্লাহর অন্যতম এক অসামান্য নিয়ামত, যা মানুষের শারীরিক ক্লান্তি ও মানসিক অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে থাকে। ইসলামি নিয়ম অনুযায়ী রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে ভোরে ফজরের নামাজের জন্য সময়মতো জেগে ওঠার চমৎকার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। ঘুমের কারণে যাতে কোনোভাবেই ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ কাজা বা ছুটে না যায়, সেদিকে বিশেষ যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। ঘুম থেকে চোখ খোলার পর আল্লাহর জিকির এবং সুন্নাতসম্মত আমল পালনের মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনেও ইবাদতের চর্চা করা সম্ভব।

হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, ঘুম থেকে জেগে ওঠার পর মহান আল্লাহর শুকরিয়া ও প্রশংসা আদায় করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল। এ সময় রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন যার অর্থ হলো, সব প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি মৃত্যুর মতো নিদ্রার পর আমাদের জীবিত করেছেন এবং তাঁর কাছেই পুনরুত্থান। এই দোয়ার মাধ্যমে মূলত ঘুমকে মৃত্যুর সঙ্গে তুলনা করে নতুন জীবনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি পরকালে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার চিরন্তন সত্য স্মরণ করা হয়।

এছাড়া রাতের ঘুম ভেঙে গেলে নির্দিষ্ট কিছু কালেমা ও জিকির পাঠ করার মাধ্যমে মহান আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে যে ঘুম ভাঙার পর এই জিকিরগুলো পাঠ করে কেউ যদি আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, তবে তার দোয়া কবুল হওয়ার সুসংবাদ রয়েছে। এরপর যথাযথভাবে অজু সম্পন্ন করে নামাজ আদায় করলে বহু গুণ বেশি পুণ্য ও বরকত লাভ করা সম্ভব হয়।

জনপ্রিয়

মঙ্গলে গাড়ি চালনায় রেকর্ড গড়ল নাসার রোভার ‘পার্সিভ্যারেন্স’

ঘুম থেকে উঠে যে দোয়া পড়তেন মহানবী (সা.)

প্রকাশিত ১০:৩৭:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ধর্ম ডেস্ক: সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মহামানব হজরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর পুরো জীবন দিয়ে মানবজাতিকে সুন্দর চরিত্র গঠন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথ দেখিয়ে গেছেন। পবিত্র কোরআনের শিক্ষার বাস্তব প্রতিফলন ছিল তাঁর প্রতিটি কার্যক্রমে, যা মানুষকে সঠিক জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করে। প্রতিদিনের ঘুম থেকে ওঠার মতো সাধারণ একটি ঘটনাকেও মুমিন ব্যক্তি ইবাদত ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যমে শুরু করতে পারেন। এ জন্য মহানবী (সা.) ঘুম থেকে জেগে ওঠার পর বিশেষ কিছু দোয়া পড়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

ঘুম মূলত মহান আল্লাহর অন্যতম এক অসামান্য নিয়ামত, যা মানুষের শারীরিক ক্লান্তি ও মানসিক অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে থাকে। ইসলামি নিয়ম অনুযায়ী রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে ভোরে ফজরের নামাজের জন্য সময়মতো জেগে ওঠার চমৎকার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। ঘুমের কারণে যাতে কোনোভাবেই ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ কাজা বা ছুটে না যায়, সেদিকে বিশেষ যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। ঘুম থেকে চোখ খোলার পর আল্লাহর জিকির এবং সুন্নাতসম্মত আমল পালনের মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনেও ইবাদতের চর্চা করা সম্ভব।

হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, ঘুম থেকে জেগে ওঠার পর মহান আল্লাহর শুকরিয়া ও প্রশংসা আদায় করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল। এ সময় রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন যার অর্থ হলো, সব প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি মৃত্যুর মতো নিদ্রার পর আমাদের জীবিত করেছেন এবং তাঁর কাছেই পুনরুত্থান। এই দোয়ার মাধ্যমে মূলত ঘুমকে মৃত্যুর সঙ্গে তুলনা করে নতুন জীবনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি পরকালে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার চিরন্তন সত্য স্মরণ করা হয়।

এছাড়া রাতের ঘুম ভেঙে গেলে নির্দিষ্ট কিছু কালেমা ও জিকির পাঠ করার মাধ্যমে মহান আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে যে ঘুম ভাঙার পর এই জিকিরগুলো পাঠ করে কেউ যদি আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, তবে তার দোয়া কবুল হওয়ার সুসংবাদ রয়েছে। এরপর যথাযথভাবে অজু সম্পন্ন করে নামাজ আদায় করলে বহু গুণ বেশি পুণ্য ও বরকত লাভ করা সম্ভব হয়।