ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo হলান্ডের রেকর্ড ছাপিয়ে সিটির মাঠে পিএসজির জয়োল্লাস Logo চড়-থাপ্পড় মারার ভিডিও ফেইসবুকে, দুই জনই কারাগারে Logo বিশেষ শর্তে পূর্বাচল-ঝিলমিলে ফার এ ছাড় দিয়ে ফের ড্যাপ সংশোধন Logo তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের চীনা প্রস্তাবে সায় মেলেনি Logo স্বামীকে ভুলে ‘আমার প্রেসিডেন্ট’ বললেন হোয়াইট হাউজের নতুন প্রেস সেক্রেটারি Logo দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটন পুরস্কারে বাংলাদেশের ২২ স্বীকৃতি Logo পূবালী ব্যাংক ও মাস্টারকার্ডের অফশোর ডেবিট কার্ড চালু Logo ডেঙ্গু থেকে রক্ষায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা চান প্রধানমন্ত্রী Logo সাংবাদিকতায় বিনিয়োগ, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও বিকল্প আয়: মেন্টর যখন টিআইকে Logo ৫২ বছর বয়সে স্নাতক ডিগ্রি, কুয়েতে প্রশংসায় ভাসছেন প্রবাসী

তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের চীনা প্রস্তাবে সায় মেলেনি

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে মহেশখালীর কুতুবজোমে নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ নির্মাণের চীনা প্রস্তাব অনুমোদন করেনি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সরকার-থেকে-সরকার বা জিটুজি পদ্ধতিতে চীনের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এই টার্মিনালটি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচ্য বিষয় হিসেবে প্রস্তাবটি উত্থাপিত হলেও তা শেষ পর্যন্ত ফেরত পাঠানো হয়।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোং লিমিটেড বা সিএনইই এই প্রস্তাব জমা দিয়েছিল। প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী ১৫ বছরের মেয়াদে প্রায় ১২ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা এবং ২০ বছরের মেয়াদে প্রায় ১৩ হাজার ১৬১ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছিল। গত জুনে সিএনইই কুতুবজোমে একটি অফশোর এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের প্রস্তাব দেয়, যার দৈনিক রিগ্যাসিফিকেশন সক্ষমতা ধরা হয়েছিল ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

প্রস্তাবিত এই প্রকল্পে চীনা প্রতিষ্ঠানকে বর্তমান বাজারের তুলনায় প্রায় ৩৫ থেকে ৩৭ শতাংশ বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হতো বলে জানা যায়। বর্তমান দুটি টার্মিনালের জন্য দৈনিক যে খরচ হয়, তার তুলনায় সিএনইই-এর নির্ধারিত হার অনেক বেশি ছিল। বর্তমানে মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল সচল রয়েছে, যা দিয়ে দেশের গ্যাসের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করা হয়। কোনো একটি টার্মিনাল বিকল হলে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

এদিকে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আরও কয়েকটি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই ধরনের এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে আসছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে দ্রুত টার্মিনাল নির্মাণে সক্ষমতা দেখাতে পারলে মার্কিন কোম্পানির প্রস্তাব সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।

জনপ্রিয়

হলান্ডের রেকর্ড ছাপিয়ে সিটির মাঠে পিএসজির জয়োল্লাস

তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের চীনা প্রস্তাবে সায় মেলেনি

প্রকাশিত ০১:৩৭:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে মহেশখালীর কুতুবজোমে নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ নির্মাণের চীনা প্রস্তাব অনুমোদন করেনি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সরকার-থেকে-সরকার বা জিটুজি পদ্ধতিতে চীনের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এই টার্মিনালটি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচ্য বিষয় হিসেবে প্রস্তাবটি উত্থাপিত হলেও তা শেষ পর্যন্ত ফেরত পাঠানো হয়।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোং লিমিটেড বা সিএনইই এই প্রস্তাব জমা দিয়েছিল। প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী ১৫ বছরের মেয়াদে প্রায় ১২ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা এবং ২০ বছরের মেয়াদে প্রায় ১৩ হাজার ১৬১ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছিল। গত জুনে সিএনইই কুতুবজোমে একটি অফশোর এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের প্রস্তাব দেয়, যার দৈনিক রিগ্যাসিফিকেশন সক্ষমতা ধরা হয়েছিল ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

প্রস্তাবিত এই প্রকল্পে চীনা প্রতিষ্ঠানকে বর্তমান বাজারের তুলনায় প্রায় ৩৫ থেকে ৩৭ শতাংশ বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হতো বলে জানা যায়। বর্তমান দুটি টার্মিনালের জন্য দৈনিক যে খরচ হয়, তার তুলনায় সিএনইই-এর নির্ধারিত হার অনেক বেশি ছিল। বর্তমানে মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল সচল রয়েছে, যা দিয়ে দেশের গ্যাসের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করা হয়। কোনো একটি টার্মিনাল বিকল হলে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

এদিকে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আরও কয়েকটি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই ধরনের এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে আসছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে দ্রুত টার্মিনাল নির্মাণে সক্ষমতা দেখাতে পারলে মার্কিন কোম্পানির প্রস্তাব সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।