ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আরএমআইএলের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সমাজে ‘দৃষ্টান্ত স্থাপন করা’ তিন ব্যক্তির Logo খালুকে বাবা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি, সিরাজগঞ্জে শিক্ষক বরখাস্ত Logo সিজিএসের আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা পরিষদে পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব Logo এতগুলো বোয়িং কেনা হচ্ছে, এখন মার্কিন সহায়তা বাড়া উচিত: অর্থমন্ত্রী Logo আমানত ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে পদ্মা ব্যাংক গ্রাহকদের মানববন্ধন Logo শিল্পকলায় সন্ধ্যায় দেখা যাবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রক্তকরবী’ Logo ক্যারিয়ার সেরা চারে শ্রেয়াস, ১৪৭ ধাপ এগিয়েছেন রেনশ Logo বাংলাদেশে উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের ‘হাব’ গড়তে চায় ইতালি Logo সাজেকে ফের সড়ক অবরোধের ঘোষণা

এতগুলো বোয়িং কেনা হচ্ছে, এখন মার্কিন সহায়তা বাড়া উচিত: অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের চুক্তির পাশাপাশি তেল, গম ও বিভিন্ন নিত্যপণ্য আমদানি বৃদ্ধির ফলে দেশটির কাছ থেকে অর্থনৈতিক সহায়তা বৃদ্ধির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার ফাঁকে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এই প্রত্যাশার কথা জানান। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে এই সমর্থন পাওয়ার যৌক্তিক সময় এখন উপস্থিত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। অতীতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যাশিত মাত্রায় এই ধরনের অনুদান বা সহায়তা পাওয়া যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে বর্তমান সম্পর্কের গভীরতা এবং বাংলাদেশ কর্তৃক বড় অংকের মার্কিন পণ্য আমদানির বিষয়টি তুলে ধরে এই সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর মার্কিন চাপের মুখে বাংলাদেশ যখন বিভিন্ন পণ্য আমদানি বাড়াচ্ছে, তখন এই সহযোগিতা আসা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

বৈঠকে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অনুদান প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের এই যুক্তির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেমন সাড়া পাওয়া যায়, তা দেখার জন্য তিনি অপেক্ষা করার কথা বলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির কারণে সৃষ্ট চাপ সামলাতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে।

এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির প্রভাব মোকাবিলা করতে এবং বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখতে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এর ধারাবাহিকতায় বিগত সময়ে দুই ধাপে মার্কিন উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সম্পন্ন করে সরকার। এছাড়া ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তির প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে। এই সামগ্রিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের আলোকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সহায়তা প্রসারিত করবে বলে সরকার মনে করছে।

জনপ্রিয়

আরএমআইএলের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন

এতগুলো বোয়িং কেনা হচ্ছে, এখন মার্কিন সহায়তা বাড়া উচিত: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত ০৬:২২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের চুক্তির পাশাপাশি তেল, গম ও বিভিন্ন নিত্যপণ্য আমদানি বৃদ্ধির ফলে দেশটির কাছ থেকে অর্থনৈতিক সহায়তা বৃদ্ধির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার ফাঁকে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এই প্রত্যাশার কথা জানান। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে এই সমর্থন পাওয়ার যৌক্তিক সময় এখন উপস্থিত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। অতীতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যাশিত মাত্রায় এই ধরনের অনুদান বা সহায়তা পাওয়া যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে বর্তমান সম্পর্কের গভীরতা এবং বাংলাদেশ কর্তৃক বড় অংকের মার্কিন পণ্য আমদানির বিষয়টি তুলে ধরে এই সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর মার্কিন চাপের মুখে বাংলাদেশ যখন বিভিন্ন পণ্য আমদানি বাড়াচ্ছে, তখন এই সহযোগিতা আসা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

বৈঠকে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অনুদান প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের এই যুক্তির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেমন সাড়া পাওয়া যায়, তা দেখার জন্য তিনি অপেক্ষা করার কথা বলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির কারণে সৃষ্ট চাপ সামলাতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে।

এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির প্রভাব মোকাবিলা করতে এবং বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখতে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এর ধারাবাহিকতায় বিগত সময়ে দুই ধাপে মার্কিন উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সম্পন্ন করে সরকার। এছাড়া ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তির প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে। এই সামগ্রিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের আলোকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সহায়তা প্রসারিত করবে বলে সরকার মনে করছে।