ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

চোখের নিচে কালি পড়ে কেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক: অতিরিক্ত ব্যস্ততা ও পড়াশোনার চাপে অনেক সময় শরীরের প্রয়োজনমতো ঘুম হয় না, যার প্রভাব সরাসরি পড়ে চেহারায়। ঘুমের অভাব এবং ক্লান্তি থাকলে চোখের চারপাশের সংবেদনশীল ত্বকে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে। চোখের চারপাশের ত্বক মুখের অন্য অংশের তুলনায় বেশ পাতলা হওয়ায় এই পরিবর্তনগুলো খুব সহজেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ঘুমের সময় শরীর ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামতসহ নানা কাজ করে থাকে, যা পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ব্যাহত হয়। কম ঘুমালে চোখের নিচের রক্তনালিগুলো আরও দৃশ্যমান হয়ে ওঠে এবং ত্বকের নিচে তরল জমে সাময়িকভাবে থলির মতো ফোলা ভাব বা আই ব্যাগ তৈরি হয়। তবে শুধু ঘুমের অভাবই নয়, বরং বংশগত বৈশিষ্ট্য, ত্বকের পুরুত্ব, অতিরিক্ত রোদে থাকা এবং শরীরে পানির ঘাটতির কারণেও এমন সমস্যা হতে পারে।

ঘুমের অভাবে চোখের নিচে কালচে দাগ বা ডার্ক সার্কেলও আরও প্রকট হয়ে ওঠে। পাতলা ত্বকের নিচে রক্তনালির নীলচে আভা বাইরে থেকে দেখা যাওয়ার পাশাপাশি রঞ্জক পদার্থ জমেও ত্বক গাঢ় হতে পারে। আবার অনেক সময় চোখের নিচের ফোলা ভাবের কারণে সৃষ্টি হওয়া ছায়া কিংবা ফ্যাকাশে ত্বকের কারণেও কালচে দাগের উপস্থিতি বেশি অনুভূত হয়।

এই সমস্যাগুলো থেকে রেহাই পেতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুমানো, নিয়মিত পানি পান করা এবং খাবারে অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার অভ্যাস কমানো জরুরি। এছাড়া ঠান্ডা সেঁক দেওয়া, রোদে সানগ্লাস ব্যবহার করা এবং চোখের চারপাশের ত্বকের জন্য উপযোগী সুরক্ষাব্যবস্থা বা ক্রিম ব্যবহার করলে দাগের তীব্রতা কমানো সম্ভব। দীর্ঘদিন ধরে চোখের নিচে ফোলা ভাব বা কালচে দাগ বাড়তে থাকলে কিংবা ব্যথা ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

জনপ্রিয়

দুর্গাপূজা ও বিচ কার্নিভাল ঘিরে কুয়াকাটায় পর্যটকের ভিড়

চোখের নিচে কালি পড়ে কেন

প্রকাশিত ০৭:২২:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: অতিরিক্ত ব্যস্ততা ও পড়াশোনার চাপে অনেক সময় শরীরের প্রয়োজনমতো ঘুম হয় না, যার প্রভাব সরাসরি পড়ে চেহারায়। ঘুমের অভাব এবং ক্লান্তি থাকলে চোখের চারপাশের সংবেদনশীল ত্বকে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে। চোখের চারপাশের ত্বক মুখের অন্য অংশের তুলনায় বেশ পাতলা হওয়ায় এই পরিবর্তনগুলো খুব সহজেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ঘুমের সময় শরীর ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামতসহ নানা কাজ করে থাকে, যা পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ব্যাহত হয়। কম ঘুমালে চোখের নিচের রক্তনালিগুলো আরও দৃশ্যমান হয়ে ওঠে এবং ত্বকের নিচে তরল জমে সাময়িকভাবে থলির মতো ফোলা ভাব বা আই ব্যাগ তৈরি হয়। তবে শুধু ঘুমের অভাবই নয়, বরং বংশগত বৈশিষ্ট্য, ত্বকের পুরুত্ব, অতিরিক্ত রোদে থাকা এবং শরীরে পানির ঘাটতির কারণেও এমন সমস্যা হতে পারে।

ঘুমের অভাবে চোখের নিচে কালচে দাগ বা ডার্ক সার্কেলও আরও প্রকট হয়ে ওঠে। পাতলা ত্বকের নিচে রক্তনালির নীলচে আভা বাইরে থেকে দেখা যাওয়ার পাশাপাশি রঞ্জক পদার্থ জমেও ত্বক গাঢ় হতে পারে। আবার অনেক সময় চোখের নিচের ফোলা ভাবের কারণে সৃষ্টি হওয়া ছায়া কিংবা ফ্যাকাশে ত্বকের কারণেও কালচে দাগের উপস্থিতি বেশি অনুভূত হয়।

এই সমস্যাগুলো থেকে রেহাই পেতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুমানো, নিয়মিত পানি পান করা এবং খাবারে অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার অভ্যাস কমানো জরুরি। এছাড়া ঠান্ডা সেঁক দেওয়া, রোদে সানগ্লাস ব্যবহার করা এবং চোখের চারপাশের ত্বকের জন্য উপযোগী সুরক্ষাব্যবস্থা বা ক্রিম ব্যবহার করলে দাগের তীব্রতা কমানো সম্ভব। দীর্ঘদিন ধরে চোখের নিচে ফোলা ভাব বা কালচে দাগ বাড়তে থাকলে কিংবা ব্যথা ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।