ঢাকা ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ছাড়া পেলেন নেহা বোরা, অভিজিৎকে ফের গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ Logo শনিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকান বন্ধ Logo এক দশক অপেক্ষার পর টেসলা আনল নতুন ‘রোডস্টার’ Logo হরমুজে মাইনের আঘাতে সুপারট্যাংকারে আগুন Logo কার্তিক মাসের প্রথম দিন আজ কেমন থাকবে আবহাওয়া Logo কটিয়াদীর ঐতিহ্যবাহী হাট, যেখানে বাদ্য শুনে বাছাই করা হয় পূজার ঢাকির দল Logo ক্যালিফোর্নিয়ায় তিন সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে ৩ বাংলাদেশি-আমেরিকান Logo ‘বিলাই মেও মেও রে’ যেভাবে সিলেট থেকে কলকাতায় ভাইরাল হলো Logo দুর্গাপূজা ও বিচ কার্নিভাল ঘিরে কুয়াকাটায় পর্যটকের ভিড় Logo অভিবাসী নারীদের গল্পে সিডনিতে সাড়া ফেলেছে মৌসুমী–জনের ‘লেট মি ফ্লাই’

‘বিলাই মেও মেও রে’ যেভাবে সিলেট থেকে কলকাতায় ভাইরাল হলো

বিনোদন ডেস্ক: সিলেটের ওসমানীনগরের বাউল ও কবিরাজ মো. আনহার মিয়ার লেখা ও সুর করা একটি গান এখন ওপার বাংলার সিনেমাতেও ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত কলকাতার ছবি ‘বহুরূপী: দ্য গোল্ডেন ডাকু’-র প্রচারে ব্যবহার করা হয়েছে তাঁর ‘বিলাই মেও মেও রে’ গানটি। প্রযোজনা সংস্থার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশের পর থেকেই গানটি দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। গানটির কথা ও সুর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ প্রশংসা করছেন অনেকে।

প্রায় তিন বছর আগে সিলেটের বিয়ানীবাজার এলাকায় একটি রোগী দেখতে যাওয়ার সময় এই গানের কথা ও সুর মাথায় আসে আনহার মিয়ার। মূলত নিজের জীবনের কিছু অভিমান ও প্রতীকী ভাবনা থেকেই গানটি তৈরি করেছিলেন এই বাউল শিল্পী। একসময়ের নিজ শিষ্যদের অবহেলা ও দূরে সরে যাওয়ার কষ্ট থেকেই বিড়ালের রূপকে মনের কথাগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফেরা এই গানটি পরবর্তীতে পৌঁছে যায় কলকাতার চলচ্চিত্র নির্মাতাদের কাছে।

কলকাতার চলচ্চিত্র পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ইউটিউবে গানটি পছন্দ হওয়ার পর চ্যানেল আইয়ের প্রযোজক অনন্যা রুমার মাধ্যমে আনহার মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এরপর কলকাতার একটি স্টুডিওতে গিয়ে তিনি নিজেই গানটিতে কণ্ঠ দেন। এই অর্জনে অত্যন্ত আনন্দিত ও সন্তুষ্ট হয়েছেন সিলেটের এই প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষটি। নির্মাতারা তাঁকে যে সম্মান ও সম্মানী দিয়েছেন, তা তাঁর জীবনের অন্যতম বড় পাওয়া বলে জানিয়েছেন।

ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি প্রবল টানের কারণে মাত্র আট বছর বয়সে গুরুর কাছে দীক্ষা নিতে বাড়ি ছেড়েছিলেন আনহার মিয়া। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বেশি দূর না এগোলেও গুরুর কাছ থেকেই তিনি গান ও সুরের নানা কৌশল আয়ত্ত করেছিলেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বাউল গান ও কবিরাজি চর্চা চালিয়ে যাওয়ার প্রবল ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন এই শিল্পী। তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্যে পরিবার ও এলাকার মানুষও বেশ আনন্দিত।

জনপ্রিয়

ছাড়া পেলেন নেহা বোরা, অভিজিৎকে ফের গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ

‘বিলাই মেও মেও রে’ যেভাবে সিলেট থেকে কলকাতায় ভাইরাল হলো

প্রকাশিত ০৯:২২:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক: সিলেটের ওসমানীনগরের বাউল ও কবিরাজ মো. আনহার মিয়ার লেখা ও সুর করা একটি গান এখন ওপার বাংলার সিনেমাতেও ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত কলকাতার ছবি ‘বহুরূপী: দ্য গোল্ডেন ডাকু’-র প্রচারে ব্যবহার করা হয়েছে তাঁর ‘বিলাই মেও মেও রে’ গানটি। প্রযোজনা সংস্থার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশের পর থেকেই গানটি দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। গানটির কথা ও সুর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ প্রশংসা করছেন অনেকে।

প্রায় তিন বছর আগে সিলেটের বিয়ানীবাজার এলাকায় একটি রোগী দেখতে যাওয়ার সময় এই গানের কথা ও সুর মাথায় আসে আনহার মিয়ার। মূলত নিজের জীবনের কিছু অভিমান ও প্রতীকী ভাবনা থেকেই গানটি তৈরি করেছিলেন এই বাউল শিল্পী। একসময়ের নিজ শিষ্যদের অবহেলা ও দূরে সরে যাওয়ার কষ্ট থেকেই বিড়ালের রূপকে মনের কথাগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফেরা এই গানটি পরবর্তীতে পৌঁছে যায় কলকাতার চলচ্চিত্র নির্মাতাদের কাছে।

কলকাতার চলচ্চিত্র পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ইউটিউবে গানটি পছন্দ হওয়ার পর চ্যানেল আইয়ের প্রযোজক অনন্যা রুমার মাধ্যমে আনহার মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এরপর কলকাতার একটি স্টুডিওতে গিয়ে তিনি নিজেই গানটিতে কণ্ঠ দেন। এই অর্জনে অত্যন্ত আনন্দিত ও সন্তুষ্ট হয়েছেন সিলেটের এই প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষটি। নির্মাতারা তাঁকে যে সম্মান ও সম্মানী দিয়েছেন, তা তাঁর জীবনের অন্যতম বড় পাওয়া বলে জানিয়েছেন।

ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি প্রবল টানের কারণে মাত্র আট বছর বয়সে গুরুর কাছে দীক্ষা নিতে বাড়ি ছেড়েছিলেন আনহার মিয়া। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বেশি দূর না এগোলেও গুরুর কাছ থেকেই তিনি গান ও সুরের নানা কৌশল আয়ত্ত করেছিলেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বাউল গান ও কবিরাজি চর্চা চালিয়ে যাওয়ার প্রবল ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন এই শিল্পী। তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্যে পরিবার ও এলাকার মানুষও বেশ আনন্দিত।