ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo খাদ্য ব্যবসা: নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হচ্ছে, বাদ যাবে না পিঠা, পুরির দোকানও Logo লোকসাহিত্য ও শাক্ত পদাবলীতে বাংলার দুর্গোৎসব Logo শিশু অধিকার নিয়ে এখন অনেক কিছু জানি Logo বিমানবন্দরের ভিডিও ‘ভাইরাল’, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে ওএসডি Logo ইয়োকোহামায় চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান লিপুর ‘ডট’: রং ও রেখায় শিকড়ের সন্ধান Logo কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের আরেকটি চালান Logo তার চুরি যুক্তরাজ্যেও, যে গ্রামে দুই দিন বন্ধ ফোন-ইন্টারনেট Logo ৬ ইংলিশ ক্লাবের কাছ থেকে সুপার লিগের খরচ চায় রেয়াল মাদ্রিদ Logo যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংকটে লাভবান হচ্ছে যারা Logo যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস: কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের উপপরিচালক গ্রেপ্তার

যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস: কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের উপপরিচালক গ্রেপ্তার

অপরাধ ডেস্ক: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানার বদরপাশা এলাকা থেকে তাকে আটক করে। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম সোহাগ ফকির এবং তিনি কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

সিআইডির সাইবার পুলিশ ইউনিটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত চলাকালীন সোহাগ ফকিরের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় একটি বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে যা তদন্তের কাজে ব্যবহার করা হতে পারে।

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কুতুবউদ্দিন আহমেদ জানান যে, সিআইডির একটি দল মধ্যরাতের পর ওই কর্মকর্তাকে আটক করে। পরবর্তীতে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে ভোরে তাকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সিআইডি টিম। এই ঘটনার পর মামলার তদন্ত কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে তা স্থগিত করা হয়। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে চাকরিপ্রার্থীরা রাস্তায় নেমে তীব্র প্রতিবাদ জানান। পরীক্ষার্থীরা মানিক মিয়া এভিনিউসহ বিভিন্ন সড়ক অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করলে পুলিশ তাদের সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই ঘটনার জেরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই ধরনের দুর্নীতি সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয়

খাদ্য ব্যবসা: নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হচ্ছে, বাদ যাবে না পিঠা, পুরির দোকানও

যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস: কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের উপপরিচালক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত ১২:০৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানার বদরপাশা এলাকা থেকে তাকে আটক করে। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম সোহাগ ফকির এবং তিনি কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

সিআইডির সাইবার পুলিশ ইউনিটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত চলাকালীন সোহাগ ফকিরের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় একটি বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে যা তদন্তের কাজে ব্যবহার করা হতে পারে।

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কুতুবউদ্দিন আহমেদ জানান যে, সিআইডির একটি দল মধ্যরাতের পর ওই কর্মকর্তাকে আটক করে। পরবর্তীতে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে ভোরে তাকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সিআইডি টিম। এই ঘটনার পর মামলার তদন্ত কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে তা স্থগিত করা হয়। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে চাকরিপ্রার্থীরা রাস্তায় নেমে তীব্র প্রতিবাদ জানান। পরীক্ষার্থীরা মানিক মিয়া এভিনিউসহ বিভিন্ন সড়ক অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করলে পুলিশ তাদের সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই ঘটনার জেরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই ধরনের দুর্নীতি সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।