ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আট মাসেও কাটেনি অস্থিরতা: জনমনে স্বস্তি ফেরানো জরুরি Logo সিলেটের মাঠে সোনালি স্বপ্ন, আমনে ৪ লাখ টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা Logo গৃহকর্মীদের সঙ্গে কাটানো একটি দিন Logo ক্যান্সার রোগীর ছবি দেখে আয়ু বলবে এআই, দাবি গবেষণায় Logo অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ সিলেটে, ফাইনাল চট্টগ্রামে Logo খাদ্য ব্যবসা: নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হচ্ছে, বাদ যাবে না পিঠা, পুরির দোকানও Logo লোকসাহিত্য ও শাক্ত পদাবলীতে বাংলার দুর্গোৎসব Logo শিশু অধিকার নিয়ে এখন অনেক কিছু জানি Logo বিমানবন্দরের ভিডিও ‘ভাইরাল’, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে ওএসডি Logo ইয়োকোহামায় চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান লিপুর ‘ডট’: রং ও রেখায় শিকড়ের সন্ধান

খাদ্য ব্যবসা: নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হচ্ছে, বাদ যাবে না পিঠা, পুরির দোকানও

জাতীয় ডেস্ক: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের সব ধরনের খাদ্য ব্যবসার জন্য নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরের জুলাই মাসে সরকারি গেজেটে প্রকাশিত ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ অনুযায়ী এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামী নভেম্বর মাস থেকে সংশ্লিষ্ট সব ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের জন্য আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। ভ্রাম্যমাণ পিঠা-পুরির দোকান থেকে শুরু করে বড় আকারের খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান—সবাইকে এই নতুন নিয়মের আওতায় আসতে হবে।

নতুন প্রবিধানমালা অনুযায়ী খাদ্য ব্যবসাকে প্রধানত দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৬ ধরনের সাধারণ ব্যবসার জন্য শুধু নিবন্ধনই যথেষ্ট হবে। রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান, ফলের রসের দোকান এবং রাস্তার ধারের ছোটখাটো খাবারের দোকানগুলো এই সাধারণ নিবন্ধনের আওতাভুক্ত। এমনকি ফুটপাতের পিঠা ও পেঁয়াজুর মতো মুখরোচক খাবার বিক্রেতাদেরও এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। পাইকারি মুদি দোকান, কোল্ড স্টোরেজ এবং ভোজ্যতেল উৎপাদনের মতো ব্যবসাও এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অন্যদিকে, শিশুদের ফর্মুলা দুধ, স্বাস্থ্য সহায়ক সম্পূরক খাদ্য, প্রোবায়োটিক এবং জৈব-খাদ্যের মতো বিশেষায়িত পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ফ্লোরের আয়তন অনুযায়ী লাইসেন্স ফি নির্ধারিত হবে, যা ১০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে প্রচলিত ১৬ ক্যাটাগরির সাধারণ ব্যবসার প্রথমবারের নিবন্ধন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। প্রতিটি খাদ্যের প্যাকেটে বিএফএসএ রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে ভোক্তারা সহজে যাচাই করতে পারেন।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ করে এবং নির্ধারিত ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয় থেকে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। পরবর্তীতে এই পুরো আবেদন প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি অনলাইনে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। তিন বছর মেয়াদী এই নিবন্ধন বা লাইসেন্স নির্দিষ্ট সময় পর পর নবায়ন করতে হবে। লাইসেন্স বা নিবন্ধন ছাড়া কোনো খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করা নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

জনপ্রিয়

আট মাসেও কাটেনি অস্থিরতা: জনমনে স্বস্তি ফেরানো জরুরি

খাদ্য ব্যবসা: নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হচ্ছে, বাদ যাবে না পিঠা, পুরির দোকানও

প্রকাশিত ০২:২২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের সব ধরনের খাদ্য ব্যবসার জন্য নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরের জুলাই মাসে সরকারি গেজেটে প্রকাশিত ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ অনুযায়ী এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামী নভেম্বর মাস থেকে সংশ্লিষ্ট সব ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের জন্য আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। ভ্রাম্যমাণ পিঠা-পুরির দোকান থেকে শুরু করে বড় আকারের খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান—সবাইকে এই নতুন নিয়মের আওতায় আসতে হবে।

নতুন প্রবিধানমালা অনুযায়ী খাদ্য ব্যবসাকে প্রধানত দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৬ ধরনের সাধারণ ব্যবসার জন্য শুধু নিবন্ধনই যথেষ্ট হবে। রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান, ফলের রসের দোকান এবং রাস্তার ধারের ছোটখাটো খাবারের দোকানগুলো এই সাধারণ নিবন্ধনের আওতাভুক্ত। এমনকি ফুটপাতের পিঠা ও পেঁয়াজুর মতো মুখরোচক খাবার বিক্রেতাদেরও এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। পাইকারি মুদি দোকান, কোল্ড স্টোরেজ এবং ভোজ্যতেল উৎপাদনের মতো ব্যবসাও এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অন্যদিকে, শিশুদের ফর্মুলা দুধ, স্বাস্থ্য সহায়ক সম্পূরক খাদ্য, প্রোবায়োটিক এবং জৈব-খাদ্যের মতো বিশেষায়িত পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ফ্লোরের আয়তন অনুযায়ী লাইসেন্স ফি নির্ধারিত হবে, যা ১০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে প্রচলিত ১৬ ক্যাটাগরির সাধারণ ব্যবসার প্রথমবারের নিবন্ধন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। প্রতিটি খাদ্যের প্যাকেটে বিএফএসএ রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে ভোক্তারা সহজে যাচাই করতে পারেন।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ করে এবং নির্ধারিত ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয় থেকে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। পরবর্তীতে এই পুরো আবেদন প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি অনলাইনে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। তিন বছর মেয়াদী এই নিবন্ধন বা লাইসেন্স নির্দিষ্ট সময় পর পর নবায়ন করতে হবে। লাইসেন্স বা নিবন্ধন ছাড়া কোনো খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করা নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।