জাতীয় ডেস্ক: পূজামণ্ডপে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের উপস্থিতিকে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। সম্প্রতি মানিকগঞ্জের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি মানিকগঞ্জের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সবাইকে সহনশীল থাকার আহ্বান জানান। ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে মিলেমিশে বসবাস করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শনকালে খাদ্যমন্ত্রী উৎসবের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। স্থানীয় আয়োজকরা তাঁদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা জানালে তিনি সেগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন। মন্ত্রী পর্যায়ক্রমে এসব সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি উৎসবের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
নিজের রাজনৈতিক পথচলার স্মৃতিচারণ করে খাদ্যমন্ত্রী জানান, গত ১৭ বছরের রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যে যারা তাঁর পাশে ছিলেন, তাঁদের অবদানেই তিনি আজ এই অবস্থানে এসেছেন। মানিকগঞ্জবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন যে এই অনুভূতি তাঁকে দায়িত্বশীল রাখতে সাহায্য করবে। জনপ্রতিনিধিদের মূল দায়িত্ব মানুষের সেবা করা উল্লেখ করে তিনি ব্যক্তিগত বিভেদ ভুলে কল্যাণে কাজ করার তাগিদ দেন।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে টাকার প্রলোভনে না পড়ে সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধি বেছে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি দেশের শান্তি ও উন্নয়নে সবাইকে একত্রে কাজ করার তাগিদ দেন। এ সময় সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সনাতন ধর্মাবলম্বী উপস্থিত ছিলেন।






































