ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাল্যবিয়েতে কমে মেয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ Logo ব্যাটিং স্বর্গে ৮৫৯ রানের ওয়ানডে ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শ্রীলঙ্কার ইতিহাস Logo ‘দ্য ডার্টি পিকচার ২’ তে কাজ করতে চান বিদ্যা বালান Logo দাম্মামগামী ৩ দিনের ফ্লাইট স্থগিত, রিয়াদ রুট বন্ধ ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত Logo রেয়ালকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে তেবাসের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ স্পেন সরকারের Logo শুধু টাইগার নয়, নজরদারিতে ছিলেন সালমান আমির ও রণবীর Logo প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার নিতে স্পেনে মেসি Logo ভালো চিত্রনাট্যের জন্য শিল্পীর অপেক্ষার শেষ থাকে না: ‘আড্ডানামায়’ সানজিদা প্রীতি Logo ঘরসজ্জায় যেভাবে রুচিশীল নতুনত্ব আনা যায় Logo সাজেক থেকে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী

ভালো চিত্রনাট্যের জন্য শিল্পীর অপেক্ষার শেষ থাকে না: ‘আড্ডানামায়’ সানজিদা প্রীতি

বিনোদন ডেস্ক: মঞ্চ, ছোটপর্দা ও চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সানজিদা প্রীতি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর দীর্ঘ অভিনয় জীবনের নানান অভিজ্ঞতা ও ভাবনার কথা শেয়ার করেছেন। বিটিভিতে শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করে মাত্র ৩০০ টাকার একটি চেক দিয়ে তাঁর পারিশ্রমিক অর্জনের যাত্রা শুরু হয়েছিল। শিশুশিল্পী থেকে শুরু করে দুই দশকের বেশি সময় ধরে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করার পাশাপাশি ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও কাজ করেছেন এই অভিনেত্রী। তবে সব মাধ্যমের মধ্যে মঞ্চকেই তিনি নিজের প্রথম অগ্রাধিকার ও অভিনয়ের সবচেয়ে বড় স্বাধীনতার জায়গা হিসেবে মনে করেন।

অভিনয় জীবনের শুরুতেই সুবর্ণা মুস্তাফা, আফরোজা বানু ও রাইসুল ইসলাম আসাদের মতো গুণী শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন সানজিদা প্রীতি। প্রথম ধারাবাহিক নাটক ‘স্পর্শের বাইরে’-তে কাজ করার সময় কিংবদন্তি এই শিল্পীদের বিশাল ব্যক্তিত্ব দেখে তাঁর মধ্যে একধরনের শ্রদ্ধা মিশ্রিত ভয় কাজ করত। সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি জানান, বড় শিল্পীদের কাছ থেকেই তিনি কেবল সংলাপ ও অভিব্যক্তি নয়, বরং একজন শিল্পীর দৈনন্দিন শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও জীবনযাপন সম্পর্কেও হাতে-কলমে শিক্ষা লাভ করেছেন।

গত দেড় বছর ধরে পর্দায় কাজের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন সানজিদা প্রীতি, কারণ তাঁর মনকে নাড়া দেওয়ার মতো কোনো চিত্রনাট্য এই সময়ে তাঁর হাতে আসেনি। তবে এই বিরতিকে তিনি কোনো ফাঁকা সময় হিসেবে না দেখে বরং একজন শিল্পীর কাজের প্রক্রিয়ার একটি অংশ বলে মনে করেন, যা তিনি জ্যেষ্ঠ শিল্পীদের কাছ থেকে শিখেছেন। তাঁর মতে, ভালো চিত্রনাট্য ও চরিত্র পেলে তবেই তিনি অভিনয়ে রাজি হন, যেখানে চিত্রনাট্যটি তাঁর কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়।

বর্তমানে তিনি নাট্যদল ‘প্রাচ্যনাটের’ নিয়মিত কার্যক্রমে যুক্ত আছেন এবং দলটির বিভিন্ন নাটকের শো ও পথনাটকে নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন। প্রাচ্যনাটের ব্যানারে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘অচলায়তন’ ও মহেশ দত্তানির ‘আগুনযাত্রা’ নাটকের কাজ নিয়ে সম্প্রতি ব্যস্ত সময় পার করেছেন তিনি। এছাড়া ওটিটিতে ‘তাকদীর’, চলচ্চিত্রে ‘মৃধা বনাম মৃধা’ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘১৯৭১ সেইসব দিন’ চলচ্চিত্রে কাজ করে দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

মঞ্চে দীর্ঘ সময় ধরে একই চরিত্র করে যাওয়ার মধ্যেও নতুন স্তর বা ডালপালা ছড়ানোর সুযোগ থাকে বলে জানান এই অভিনেত্রী। ক্যামেরার সামনে কাজ করার ক্ষেত্রে মঞ্চের নৃত্য, সংগীত ও নেপথ্য কারিগরি কাজের অভিজ্ঞতা তাঁকে নানাভাবে সহায়তা করে। তাঁর এই দীর্ঘ পথচলা ও শিল্পচর্চার গল্পগুলো ফুটিয়ে তুলতে সম্প্রতি একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে অংশ নেন তিনি।

জনপ্রিয়

বাল্যবিয়েতে কমে মেয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ

ভালো চিত্রনাট্যের জন্য শিল্পীর অপেক্ষার শেষ থাকে না: ‘আড্ডানামায়’ সানজিদা প্রীতি

প্রকাশিত ১০:২২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক: মঞ্চ, ছোটপর্দা ও চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সানজিদা প্রীতি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর দীর্ঘ অভিনয় জীবনের নানান অভিজ্ঞতা ও ভাবনার কথা শেয়ার করেছেন। বিটিভিতে শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করে মাত্র ৩০০ টাকার একটি চেক দিয়ে তাঁর পারিশ্রমিক অর্জনের যাত্রা শুরু হয়েছিল। শিশুশিল্পী থেকে শুরু করে দুই দশকের বেশি সময় ধরে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করার পাশাপাশি ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও কাজ করেছেন এই অভিনেত্রী। তবে সব মাধ্যমের মধ্যে মঞ্চকেই তিনি নিজের প্রথম অগ্রাধিকার ও অভিনয়ের সবচেয়ে বড় স্বাধীনতার জায়গা হিসেবে মনে করেন।

অভিনয় জীবনের শুরুতেই সুবর্ণা মুস্তাফা, আফরোজা বানু ও রাইসুল ইসলাম আসাদের মতো গুণী শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন সানজিদা প্রীতি। প্রথম ধারাবাহিক নাটক ‘স্পর্শের বাইরে’-তে কাজ করার সময় কিংবদন্তি এই শিল্পীদের বিশাল ব্যক্তিত্ব দেখে তাঁর মধ্যে একধরনের শ্রদ্ধা মিশ্রিত ভয় কাজ করত। সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি জানান, বড় শিল্পীদের কাছ থেকেই তিনি কেবল সংলাপ ও অভিব্যক্তি নয়, বরং একজন শিল্পীর দৈনন্দিন শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও জীবনযাপন সম্পর্কেও হাতে-কলমে শিক্ষা লাভ করেছেন।

গত দেড় বছর ধরে পর্দায় কাজের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন সানজিদা প্রীতি, কারণ তাঁর মনকে নাড়া দেওয়ার মতো কোনো চিত্রনাট্য এই সময়ে তাঁর হাতে আসেনি। তবে এই বিরতিকে তিনি কোনো ফাঁকা সময় হিসেবে না দেখে বরং একজন শিল্পীর কাজের প্রক্রিয়ার একটি অংশ বলে মনে করেন, যা তিনি জ্যেষ্ঠ শিল্পীদের কাছ থেকে শিখেছেন। তাঁর মতে, ভালো চিত্রনাট্য ও চরিত্র পেলে তবেই তিনি অভিনয়ে রাজি হন, যেখানে চিত্রনাট্যটি তাঁর কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়।

বর্তমানে তিনি নাট্যদল ‘প্রাচ্যনাটের’ নিয়মিত কার্যক্রমে যুক্ত আছেন এবং দলটির বিভিন্ন নাটকের শো ও পথনাটকে নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন। প্রাচ্যনাটের ব্যানারে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘অচলায়তন’ ও মহেশ দত্তানির ‘আগুনযাত্রা’ নাটকের কাজ নিয়ে সম্প্রতি ব্যস্ত সময় পার করেছেন তিনি। এছাড়া ওটিটিতে ‘তাকদীর’, চলচ্চিত্রে ‘মৃধা বনাম মৃধা’ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘১৯৭১ সেইসব দিন’ চলচ্চিত্রে কাজ করে দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

মঞ্চে দীর্ঘ সময় ধরে একই চরিত্র করে যাওয়ার মধ্যেও নতুন স্তর বা ডালপালা ছড়ানোর সুযোগ থাকে বলে জানান এই অভিনেত্রী। ক্যামেরার সামনে কাজ করার ক্ষেত্রে মঞ্চের নৃত্য, সংগীত ও নেপথ্য কারিগরি কাজের অভিজ্ঞতা তাঁকে নানাভাবে সহায়তা করে। তাঁর এই দীর্ঘ পথচলা ও শিল্পচর্চার গল্পগুলো ফুটিয়ে তুলতে সম্প্রতি একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে অংশ নেন তিনি।