ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

কক্সবাজারের হোটেলে আবারও আগুন, রক্ষা পেলেন ৩ শতাধিক পর্যটক

সারাদেশ ডেস্ক: কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ২৩ অক্টোবর বিকেলে ‘দ্য সি প্রিন্সেস’ নামের ওই হোটেলের নিচতলার পার্কিং এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় কোনো ক্ষতি ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ঘটনার সময় ওই প্রতিষ্ঠানে থাকা তিন শতাধিক পর্যটক নিরাপদে বেরিয়ে আসেন। সৌভাগ্যবশত এই আকস্মিক ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে পার্কিংয়ের জেনারেটরসহ বেশ কিছু অংশ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। শর্টসার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হোটেলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান যে, তাদের পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং কর্মীদের দক্ষতার কারণে বড় বিপর্যয় এড়ানো গেছে। এর আগে উখিয়ার ইনানী এলাকায় আরেকটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের মৃত্যুর ঘটনার মাত্র ছয় দিন পর এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এই ধারাবাহিক দুর্ঘটনার ফলে কক্সবাজারের পর্যটন এলাকার হোটেল ও রিসোর্টগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোটেলগুলোতে কার্যকর অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষিত কর্মী থাকা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সংশ্লিষ্ট আবাসিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত তদারকি ও নিরাপত্তা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

জনপ্রিয়

আত্মবিশ্বাস নিয়ে ‘ফুটবলের সেরা ম‍্যাচের’ দিকে তাকিয়ে ফ্লিক

কক্সবাজারের হোটেলে আবারও আগুন, রক্ষা পেলেন ৩ শতাধিক পর্যটক

প্রকাশিত ০৯:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

সারাদেশ ডেস্ক: কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ২৩ অক্টোবর বিকেলে ‘দ্য সি প্রিন্সেস’ নামের ওই হোটেলের নিচতলার পার্কিং এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় বড় কোনো ক্ষতি ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ঘটনার সময় ওই প্রতিষ্ঠানে থাকা তিন শতাধিক পর্যটক নিরাপদে বেরিয়ে আসেন। সৌভাগ্যবশত এই আকস্মিক ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে পার্কিংয়ের জেনারেটরসহ বেশ কিছু অংশ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। শর্টসার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হোটেলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান যে, তাদের পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং কর্মীদের দক্ষতার কারণে বড় বিপর্যয় এড়ানো গেছে। এর আগে উখিয়ার ইনানী এলাকায় আরেকটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের মৃত্যুর ঘটনার মাত্র ছয় দিন পর এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এই ধারাবাহিক দুর্ঘটনার ফলে কক্সবাজারের পর্যটন এলাকার হোটেল ও রিসোর্টগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোটেলগুলোতে কার্যকর অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষিত কর্মী থাকা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সংশ্লিষ্ট আবাসিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত তদারকি ও নিরাপত্তা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।