লাইফস্টাইল ডেস্ক: পরিচ্ছন্ন ঘরেও হঠাৎ করে অনাকাঙ্ক্ষিত অতিথি হিসেবে ছারপোকার উপদ্রব দেখা দিতে পারে। সাধারণত হোটেল বা গণপরিবহন থেকে এই পোকা অজান্তেই কাপড়ে ও লাগেজে চড়ে ঘরে প্রবেশ করে। একবার আস্তানা গাড়লে এদের ঘর থেকে দূর করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।
কীটতত্ত্ববিদ ফ্রাঙ্ক মিক জানান, ছারপোকা লম্বায় প্রায় পাঁচ মিলিমিটার এবং ডিম্বাকৃতির হয়ে থাকে। সরাসরি রোগ না ছড়ালেও এদের কামড়ে ত্বকে লালচে চুলকানি হয় এবং মানুষের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। বর্তমান সময়ে অনেক ছারপোকা সাধারণ কীটনাশকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে তুলেছে।
খালি চোখে পূর্ণাঙ্গ ছারপোকা দেখা যায় এবং এরা আপেলের বীজের মতো হয়ে থাকে। বিছানায় চাদর বা তোশকের কোণায় কালচে কিংবা মরিচা রঙের দাগ দেখলে ছারপোকার উপস্থিতি বোঝা যায়। মানুষ যখন ঘুমায়, তখন শরীরের তাপ ও কার্বন ডাই অক্সাইডের আকর্ষণে এরা বেরিয়ে আসে।
পোকা তাড়াতে গরম পানিতে কাপড় ধোয়া, স্টিম ক্লিনিং এবং ভ্যাকুয়াম করার মতো পদ্ধতি কার্যকর ভূমিকা রাখে। তীব্র তাপে ছারপোকা ও এর ডিম ধ্বংস হয়। এছাড়া ভ্রমণের সময় লাগেজ বিছানায় না রেখে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।





































