ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

পুঁজিবাজারে আসতে চায় অ্যানথ্রপিক

প্রযুক্তি ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদনপত্র জমা দিয়েছে। তালিকাভুক্তির পর কোম্পানিটির সম্ভাব্য আর্থিক মূল্যায়ন দেড় ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া সফল হলে এটি পুঁজিবাজারের ইতিহাসে অন্যতম বড় আইপিও বা শেয়ার ছেড়ে তালিকাভুক্তির ঘটনা হিসেবে রেকর্ড গড়বে। তবে প্রাথমিক এই কার্যক্রমে কোম্পানিটি বাজারে ঠিক কত সংখ্যক শেয়ার ছাড়বে, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, শেয়ারবাজারে ‘এএনটি’ প্রতীকের মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করতে ইচ্ছুক স্যান ফ্রান্সিসকোভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠার মাত্র পাঁচ বছরের মাথায় বাজারে আসার ঘোষণা দেওয়া প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন দারিও অ্যামোদেই। তিনি ওপেনএআই ছেড়ে আসার পর বোন ড্যানিয়েলা অ্যামোদেইসহ আরও পাঁচজনকে সঙ্গে নিয়ে এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। শক্তিশালী চ্যাটবট ক্লড এই প্রতিষ্ঠানের মূল পণ্য, যা কোডিং এবং সাইবার নিরাপত্তার মতো জটিল কাজেও দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে।

এর আগে চলতি বছরেই আরেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স প্রায় ১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রারম্ভিক মূল্যায়নে পুঁজিবাজারে সবচেয়ে বড় তালিকাভুক্তির রেকর্ড গড়েছিল। অ্যানথ্রপিকের বর্তমান আর্থিক মূল্যায়ন বিবেচনা করলে তা স্পেসএক্সকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। সম্প্রতি নিজেদের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি প্রথমবারের মতো তাদের আর্থিক পরিস্থিতি সবার সামনে নিয়ে এসেছে। বাজারে সম্ভাব্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বুদ্বুদ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার মাঝেই এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো প্রকাশ্যে এসেছে।

এদিকে পুঁজিবাজারে আসার প্রক্রিয়ার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে একটি নতুন বিরোধে জড়িয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি। যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন অ্যানথ্রপিককে সামরিক সরবরাহের ক্ষেত্রে সাপ্লাই চেইন রিস্ক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কোনো মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞামূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ঘটনা এটিই প্রথম। এই দ্বন্দ্বের কারণে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কোনো সংস্থা এখন থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন কোনো চুক্তি করতে পারছে না।

জনপ্রিয়

মিথ্যা মামলায় শাস্তি, নারীর কারাদণ্ড-জরিমানা

পুঁজিবাজারে আসতে চায় অ্যানথ্রপিক

প্রকাশিত ০১:৫২:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

প্রযুক্তি ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদনপত্র জমা দিয়েছে। তালিকাভুক্তির পর কোম্পানিটির সম্ভাব্য আর্থিক মূল্যায়ন দেড় ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া সফল হলে এটি পুঁজিবাজারের ইতিহাসে অন্যতম বড় আইপিও বা শেয়ার ছেড়ে তালিকাভুক্তির ঘটনা হিসেবে রেকর্ড গড়বে। তবে প্রাথমিক এই কার্যক্রমে কোম্পানিটি বাজারে ঠিক কত সংখ্যক শেয়ার ছাড়বে, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, শেয়ারবাজারে ‘এএনটি’ প্রতীকের মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করতে ইচ্ছুক স্যান ফ্রান্সিসকোভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠার মাত্র পাঁচ বছরের মাথায় বাজারে আসার ঘোষণা দেওয়া প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন দারিও অ্যামোদেই। তিনি ওপেনএআই ছেড়ে আসার পর বোন ড্যানিয়েলা অ্যামোদেইসহ আরও পাঁচজনকে সঙ্গে নিয়ে এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। শক্তিশালী চ্যাটবট ক্লড এই প্রতিষ্ঠানের মূল পণ্য, যা কোডিং এবং সাইবার নিরাপত্তার মতো জটিল কাজেও দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে।

এর আগে চলতি বছরেই আরেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স প্রায় ১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রারম্ভিক মূল্যায়নে পুঁজিবাজারে সবচেয়ে বড় তালিকাভুক্তির রেকর্ড গড়েছিল। অ্যানথ্রপিকের বর্তমান আর্থিক মূল্যায়ন বিবেচনা করলে তা স্পেসএক্সকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। সম্প্রতি নিজেদের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি প্রথমবারের মতো তাদের আর্থিক পরিস্থিতি সবার সামনে নিয়ে এসেছে। বাজারে সম্ভাব্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বুদ্বুদ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার মাঝেই এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো প্রকাশ্যে এসেছে।

এদিকে পুঁজিবাজারে আসার প্রক্রিয়ার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে একটি নতুন বিরোধে জড়িয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি। যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন অ্যানথ্রপিককে সামরিক সরবরাহের ক্ষেত্রে সাপ্লাই চেইন রিস্ক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কোনো মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞামূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ঘটনা এটিই প্রথম। এই দ্বন্দ্বের কারণে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কোনো সংস্থা এখন থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন কোনো চুক্তি করতে পারছে না।