লাইফস্টাইল ডেস্ক: অন্দরসজ্জায় হালকা বাদামি বা বেইজ রঙের জনপ্রিয়তা চিরন্তন হলেও এর সঠিক ব্যবহার না জানলে ঘর প্রাণহীন লাগে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবে অনেকেই পুরো ঘর ক্রিম বা ওটমিল রঙে সাজিয়ে ফেলেন। ফলে দিনশেষে সেই ঘর দেখতে অনেকটা হাসপাতালের ওয়েটিং রুমের মতো মনে হতে পারে। গৃহসজ্জা-বিষয়ক ওয়েবসাইট রিয়েল সিম্পলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা বেইজ রঙের আভিজাত্য বজায় রাখার উপায় জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হালকা রঙের ঘরে বৈচিত্র্য না থাকলে তা নিজস্ব ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলে। ঘরের দেয়াল থেকে শুরু করে আসবাবের রঙে ভিন্নতা না আনলে ইন্টেরিয়র ফ্ল্যাট দেখায়। তাই বেইজ রঙের সঠিক ব্যবহার এবং এর আভিজাত্য ফুটিয়ে তুলতে ৫টি সাধারণ ভুল এড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররা।
প্রথম ভুল হিসেবে রঙের আন্ডারটোন উপেক্ষা করার বিষয়টি উঠে এসেছে, যা ঘরের সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারে। মার্কিন ডিজাইনার ক্যাথলিন গ্রুভারের মতে, গোলাপি আন্ডারটোনের দেয়ালের পাশে হলুদ আন্ডারটোনের সোফা রাখলে মলিন দেখায়। এছাড়া ঘরের সব আসবাব একই শেইডের হলে ঘর প্রাণহীন হয়ে পড়ে। তাই হালকা রঙের পাশাপাশি গাঢ় রঙের বৈপরীত্য ও টেক্সচারের বৈচিত্র্য রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সঠিক আলোর নির্বাচন না করা এবং বেইজ রঙকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ভেবে ব্যক্তিত্বহীন করে তোলাও বড় ভুল। ভুল আলোর কারণে হালকা রঙ কাদাটে বা অস্বস্তিকর কমলা দেখাতে পারে। ঘর সাজানোর সময় ন্যূনতম ডিজাইনের পাশাপাশি উজ্জ্বল রঙের ছোঁয়া বা শিল্পকর্ম যুক্ত করলে তা কালজয়ী ও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
সঠিক পরিকল্পনা ও রঙের বিন্যাস না জানলে সুন্দর ঘরও একঘেয়ে ও সস্তা দেখাতে পারে। তাই ছোট কিছু কৌশল অনুসরণ করে বেইজ রঙের ঘরেও আভিজাত্যের ছোঁয়া আনা সম্ভব। এই সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপগুলো মেনে ঘর সাজালে কাঙ্ক্ষিত শান্ত ও মার্জিত আবহ তৈরি হয়।





































