ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo খোলা বাজারে ডলার উঠেছে ১২৮ টাকায় Logo লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে ফিরছেন আরও ১৭২ বাংলাদেশি Logo ঠাকুরগাঁওয়ের ভোটে মাগুরাকে কেন টানছে জামায়াত? Logo শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কুবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং Logo প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে চাকরি মেলা Logo প্যান্ট ও অন্তর্বাসে করে সোনার পেস্ট, দুবাই থেকে আসা ২ নারী আটক Logo যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানিতে দরকষাকষির সিদ্ধান্ত সরকারের Logo জুলাইয়ের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা ব্যক্তিরাই জুলাইকে সবচেয়ে বেশি অবহেলা করেছেন: জাবের Logo বিদায় হ্যালো, নিজেকে চেনানোর জন্য ধন্যবাদ Logo নোবিপ্রবির নীলদিঘীতে ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে লাইফ জ্যাকেট কর্নার স্থাপন ও বৃক্ষরোপণ

জাবিতে চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্কুল আনন্দশালার ১৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রতিষ্ঠিত বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের বিকাশ কেন্দ্র আনন্দশালা’র ১৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে নয়টায় আনন্দশালা প্রাঙ্গণে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে এ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম বলেন, উন্নত বিশ্বে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। বর্তমান সরকারও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে।

অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম আশ্বাস দিয়ে বলেন, সরকার অনুসৃত নীতির আলোকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের কল্যাণ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে কাজ করবে। উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে আনন্দশালার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে আনন্দশালা’র উন্নয়নে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি আনন্দশালা’র সার্বিক কল্যাণে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, আনন্দশালা স্কুলের পরিচালক (অনারারি) অধ্যাপক ড. রুমানা রইছ, আইবিএ-জেইউ পরিচালক অধ্যাপক ড. আইরীন আক্তার, আইবিএ-জেইউ অধ্যাপক ড. কে এম জাহিদুল ইসলাম, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল ইসলাম, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. নাসরীন সুলতানা।

উল্লেখ্য, দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এ ধরনের স্কুল রয়েছে। ২০০৯ সালের ২৮ অক্টোবর ৪ জন শিক্ষার্থী নয়ে আনন্দশালা স্কুলের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানের প্রতিষ্ঠানটিতে ২৫জন শিক্ষার্থী রয়েছে এবং তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ৬জন শিক্ষক রয়েছে।

 

জনপ্রিয়

খোলা বাজারে ডলার উঠেছে ১২৮ টাকায়

জাবিতে চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্কুল আনন্দশালার ১৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত ১১:১২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রতিষ্ঠিত বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের বিকাশ কেন্দ্র আনন্দশালা’র ১৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে নয়টায় আনন্দশালা প্রাঙ্গণে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে এ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম বলেন, উন্নত বিশ্বে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। বর্তমান সরকারও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে।

অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম আশ্বাস দিয়ে বলেন, সরকার অনুসৃত নীতির আলোকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের কল্যাণ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে কাজ করবে। উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে আনন্দশালার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে আনন্দশালা’র উন্নয়নে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি আনন্দশালা’র সার্বিক কল্যাণে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, আনন্দশালা স্কুলের পরিচালক (অনারারি) অধ্যাপক ড. রুমানা রইছ, আইবিএ-জেইউ পরিচালক অধ্যাপক ড. আইরীন আক্তার, আইবিএ-জেইউ অধ্যাপক ড. কে এম জাহিদুল ইসলাম, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল ইসলাম, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. নাসরীন সুলতানা।

উল্লেখ্য, দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এ ধরনের স্কুল রয়েছে। ২০০৯ সালের ২৮ অক্টোবর ৪ জন শিক্ষার্থী নয়ে আনন্দশালা স্কুলের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানের প্রতিষ্ঠানটিতে ২৫জন শিক্ষার্থী রয়েছে এবং তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ৬জন শিক্ষক রয়েছে।