ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

খোলা বাজারে ডলার উঠেছে ১২৮ টাকায়

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে এবং আন্তঃব্যাংক লেনদেনে তা ১২৪ টাকায় পৌঁছেছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এর চেয়েও বেশি দরে ডলার বিক্রি করছে এবং খোলা বাজারে এই হার ১২৮ টাকা ছাড়িয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে আন্তঃব্যাংকে ডলারের দর শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ এবং এক মাসের ব্যবধানে শূন্য দশমিক ৭৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েক দিনে ব্যাংকিং ও খোলা উভয় বাজারেই আমেরিকান মুদ্রার এই বাড়তি দর লক্ষ্য করা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দর একই অর্থাৎ ১২৩ টাকা ৯৮ পয়সায় অবস্থান করছিল। রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক এবং বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক স্পট মার্কেটে ১২৪ টাকার অধিক দরে ডলার বিক্রি করেছে। এর আগে গত ১৯ অক্টোবর আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের গড় দাম ছিল কম এবং পরবর্তীতে তা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের এলসি নিষ্পত্তি করার কারণে এই মুদ্রা বাজারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানির ঋণপত্র নিষ্পত্তি করতে গিয়ে ব্যাংকগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি এলপিজির দামও বেশ উঁচুতে রয়েছে। এছাড়া আসন্ন রোজাকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির জন্য নতুন এলসি খুলছেন। এই সবকিছু মিলিয়ে ডলারের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এর দর ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

মানি এক্সচেঞ্জগুলোর সংগঠন মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সম্প্রতি প্রতিদিনের জন্য ডলারের দর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। সংগঠনের নির্ধারিত দর অনুযায়ী এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো ১২৮ টাকায় ডলার বিক্রি এবং ১২৭ টাকায় কিনেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এর চেয়েও কিছুটা বেশি দরে ডলার লেনদেন হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এমসিএবির সভাপতি এম এস জামান উল্লেখ করেছেন যে, বিশ্বব্যাপী উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

জনপ্রিয়

বিশ্ব ব্যাংকের শঙ্কা: সংঘাত ও এল নিনিওয় পণ্যমূল্য বাড়বে ২৩%

খোলা বাজারে ডলার উঠেছে ১২৮ টাকায়

প্রকাশিত ০১:০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে এবং আন্তঃব্যাংক লেনদেনে তা ১২৪ টাকায় পৌঁছেছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এর চেয়েও বেশি দরে ডলার বিক্রি করছে এবং খোলা বাজারে এই হার ১২৮ টাকা ছাড়িয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে আন্তঃব্যাংকে ডলারের দর শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ এবং এক মাসের ব্যবধানে শূন্য দশমিক ৭৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েক দিনে ব্যাংকিং ও খোলা উভয় বাজারেই আমেরিকান মুদ্রার এই বাড়তি দর লক্ষ্য করা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে, আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দর একই অর্থাৎ ১২৩ টাকা ৯৮ পয়সায় অবস্থান করছিল। রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক এবং বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক স্পট মার্কেটে ১২৪ টাকার অধিক দরে ডলার বিক্রি করেছে। এর আগে গত ১৯ অক্টোবর আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের গড় দাম ছিল কম এবং পরবর্তীতে তা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের এলসি নিষ্পত্তি করার কারণে এই মুদ্রা বাজারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানির ঋণপত্র নিষ্পত্তি করতে গিয়ে ব্যাংকগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি এলপিজির দামও বেশ উঁচুতে রয়েছে। এছাড়া আসন্ন রোজাকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির জন্য নতুন এলসি খুলছেন। এই সবকিছু মিলিয়ে ডলারের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এর দর ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

মানি এক্সচেঞ্জগুলোর সংগঠন মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সম্প্রতি প্রতিদিনের জন্য ডলারের দর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। সংগঠনের নির্ধারিত দর অনুযায়ী এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো ১২৮ টাকায় ডলার বিক্রি এবং ১২৭ টাকায় কিনেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এর চেয়েও কিছুটা বেশি দরে ডলার লেনদেন হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এমসিএবির সভাপতি এম এস জামান উল্লেখ করেছেন যে, বিশ্বব্যাপী উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।