ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তারেক রহমান- লিউ হাইশিং সাক্ষাৎ: উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সমর্থন ‘অব্যাহত থাকার’ বার্তা চীনের Logo নিম্নতম মজুরি বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান সুবহানী Logo এবার সম্পূর্ণ গল্প নিয়ে ফিরছে ‘ফেউ’ সিরিজ Logo তীব্র তাপপ্রবাহ: অনাগত প্রজন্মের জন্য নীরব বিপদ Logo সামিট এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, গ্যাস সরবরাহ কমেছে ৪৯১ মিলিয়ন ঘনফুট Logo মিরপুরের সড়কে শ্রমিক নেই, ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন: ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার Logo রোদের ছোঁয়ায় সুস্থ দীর্ঘায়ু Logo কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের জয়জয়কার, অভিনন্দন ট্রাম্পের Logo আইনি লড়াই শেষে হামট্রামকের মেয়র হচ্ছেন বাংলাদেশি মুহিত মাহমুদ Logo ঘুরে বেড়ানো ও কাপড় ভাঁজ করার রোবট নিয়ে কাজ করছে অ্যাপল

আইনি লড়াই শেষে হামট্রামকের মেয়র হচ্ছেন বাংলাদেশি মুহিত মাহমুদ

প্রবাস ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের হামট্রামক শহরের মেয়র পদে দায়িত্ব গ্রহণের পথে সব আইনি বাধা পেরিয়ে গেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুহিত মাহমুদ। ওয়েইন কাউন্টির সার্কিট কোর্টের বিচারক গত ৩০ অক্টোবর এক রায়ে তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন। এর ফলে আগামী ৮ নভেম্বর তার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। দীর্ঘ এই আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।

গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে প্রথমে ডাকযোগে আসা ৩৭টি ব্যালট গণনা না করেই ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন প্রতিপক্ষ অ্যাডাম আলহারবিকে বিজয়ী ঘোষণা করা হলেও মুহিত মাহমুদ সেই ফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালতের নির্দেশে পরবর্তীতে সেই ব্যালটগুলো পুনরায় গণনা করা হয়। গণনা শেষে দেখা যায় যে মুহিত মাহমুদ ১২ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন।

তবে ভোটসংখ্যা পরিবর্তন হলেও হামট্রামকে বসবাসের শর্ত পূরণ নিয়ে একটি মামলা বিচারাধীন থাকায় ফল প্রত্যয়ন আটকে ছিল। প্রতিপক্ষের অভিযোগ ছিল যে মুহিত মাহমুদের প্রকৃত বাসস্থান মিশিগানের ট্রয় শহরে এবং তিনি হামট্রামকে বসবাস করেন না। আদালত ২২ অক্টোবর এই বিষয়ে শুনানি গ্রহণ করে। গত ৩০ অক্টোবর দেওয়া রায়ে বিচারক ক্যাথলিন ম্যাকার্থি জানান, মুহিতের একাধিক বাসস্থান থাকলেও তিনি মেয়র পদের জন্য নির্ধারিত বসবাসের শর্ত সফলভাবে পূরণ করেছেন।

উল্লেখ্য, মুহিত মাহমুদ যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শহরের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে যাওয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জনপ্রতিনিধি। এর আগে পেনসিলভেইনিয়ার মিলবোর্ন শহরের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন মাহবুবুল আলম তৈয়ব। এছাড়া হামট্রামক সিটি কাউন্সিলের ছয় সদস্যের মধ্যে চারজনই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হওয়ায় স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের প্রভাব স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

জনপ্রিয়

তারেক রহমান- লিউ হাইশিং সাক্ষাৎ: উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সমর্থন ‘অব্যাহত থাকার’ বার্তা চীনের

আইনি লড়াই শেষে হামট্রামকের মেয়র হচ্ছেন বাংলাদেশি মুহিত মাহমুদ

প্রকাশিত ১২:৫২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

প্রবাস ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের হামট্রামক শহরের মেয়র পদে দায়িত্ব গ্রহণের পথে সব আইনি বাধা পেরিয়ে গেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুহিত মাহমুদ। ওয়েইন কাউন্টির সার্কিট কোর্টের বিচারক গত ৩০ অক্টোবর এক রায়ে তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন। এর ফলে আগামী ৮ নভেম্বর তার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। দীর্ঘ এই আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।

গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে প্রথমে ডাকযোগে আসা ৩৭টি ব্যালট গণনা না করেই ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন প্রতিপক্ষ অ্যাডাম আলহারবিকে বিজয়ী ঘোষণা করা হলেও মুহিত মাহমুদ সেই ফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালতের নির্দেশে পরবর্তীতে সেই ব্যালটগুলো পুনরায় গণনা করা হয়। গণনা শেষে দেখা যায় যে মুহিত মাহমুদ ১২ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন।

তবে ভোটসংখ্যা পরিবর্তন হলেও হামট্রামকে বসবাসের শর্ত পূরণ নিয়ে একটি মামলা বিচারাধীন থাকায় ফল প্রত্যয়ন আটকে ছিল। প্রতিপক্ষের অভিযোগ ছিল যে মুহিত মাহমুদের প্রকৃত বাসস্থান মিশিগানের ট্রয় শহরে এবং তিনি হামট্রামকে বসবাস করেন না। আদালত ২২ অক্টোবর এই বিষয়ে শুনানি গ্রহণ করে। গত ৩০ অক্টোবর দেওয়া রায়ে বিচারক ক্যাথলিন ম্যাকার্থি জানান, মুহিতের একাধিক বাসস্থান থাকলেও তিনি মেয়র পদের জন্য নির্ধারিত বসবাসের শর্ত সফলভাবে পূরণ করেছেন।

উল্লেখ্য, মুহিত মাহমুদ যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শহরের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে যাওয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জনপ্রতিনিধি। এর আগে পেনসিলভেইনিয়ার মিলবোর্ন শহরের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন মাহবুবুল আলম তৈয়ব। এছাড়া হামট্রামক সিটি কাউন্সিলের ছয় সদস্যের মধ্যে চারজনই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হওয়ায় স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের প্রভাব স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।